291
সন্ধায় দুই মাতাল নেশা করে ঢাকা রোড দিয়ে বাড়ী ফিরছে (একজন একটু বেশি আর একজন একটু কম নেশা করেছে)
কম নেশাখোর :- দোস্ত রাস্তার এক ধারে আয় পিছন থেকে একটা ট্রাক আসছে।
বেশি নেশাখোর :- আরে দোস্ত ট্রাক এলে কি হবে?
কম নেশাখোর :- কি হবে মানে! ট্রাকটি আমাদের উপর দিয়ে যাবে।
বেশি নেশাখোর :- আরে রাখ দোস্ত কত এ্যরোপ্লেন (বিমান) আমার মাথার উপর দিয়ে গেল আর এ সামান্য ট্রাক আমাদের উপর দিয়ে গেলে কি হবে?
292
মানিসক হাসপাতলে সদ্য আসা এক রোগী একমেন কিছু একটা লিখছে এমন সময় ডাক্তার এেসে উপস্থিত হন
ডাক্তার :- কি খবর! চিঠি লিখছেন নাকি?
রোগী :- (মুখ না তুলেই) হুঁ
ডাক্তার :- বেশ, বেশ তা কার কাছে লিখছেন?
রোগী :- আমার কাছেই
ডাক্তার :- (কৌতূহলী হয়ে) আছ্ছা কি লিখছেন শুনি?
রোগী :- (বিরক্ত হয়ে) আপিন নিশ্চয় একটা পাগল, নয়তো আপনার মাথা খারাপ আজ লিখে চিঠি পোষ্ট করব, দুদিন বাদে তা পাব তারপর খুলে পড়ব না পড়ে তো বলেত পারবো না কী লিখা আছে?
293
১ম বন্ধু :- জানিস, অক্সিজেন ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। ১৭৭০ সালে এটা আবিষ্কৃত হয়েছিল।
২য় বন্ধু :- সত্যিই ! তার আগে মানুষ বাঁচত কি করে?
294
১ম পাগল :- আচ্ছা বলতো নদীতে যদি আগুন লাগে তাহলে মাছেরা কোথায় যাবে?
২য় পাগল :- তাও জানিস না বুঝি ! গাছে উঠবে।
২য় পাগল :- আরে বোকা ! মাছ কি গরু নাকি যে গাছে উঠবে।
295
ছিনতাইকারী :- ঝটপট বলুন প্রাণ দেবেন নাকি টাকা?
পথিক :- প্রাণটাই নাও , টাকা দিলেএই বুড়ো বয়সে খাব কি?
296
ক্রেতা :- হাঁসের ডিম আছে?
বিক্রেতা :- নাই?
ক্রেতা :- ওই তো খাঁচায় ভরা হাঁসের ডিম।
বিক্রেতা :- ওগুলো হাঁসের না হাঁসির ডিম।
297
বিচারক :- তুমি নিরীহ লোকটার গায়ে হাত তুলেছ কেন?
আসামি :- আল্লাহর কসম, হাত তুলিনি স্যার , আমি কেবল কয়েকটা লাথি মেরেছি।
298
শিক্ষক ছাত্রকে পড়া জিজ্ঞেস করলে বরতে পারল না ।
শিক্ষক রাগ করে বললেন, তুমি কি বাসায় পড়?
ছাত্র :- না স্যার !
শিক্ষক :- কেন পড় না ?
চাত্র :- স্যার পরলে ব্যাথা পাই তাই।
299
শিক্ষক :- বলতো ’সামথিং ইজ বেটার দান নাথিং ’ এর অর্থ কি?
ছাত্র :- স্যার! সামসুদ্দিনের বেটার নাতিন।
300
সুলতান :- কিরে মিজান ! সুন্দরবনের সিনারি কেমন দেকলি?
মিজান :- আরে বলিস না ঝোপ ঝাড় আর জঙ্গলের জন্য কোন সিনারি দেখা হলো না।
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১০
General Joke 281-290
281
তিন বন্ধু মজা করে নিজেদের নাম বদলিয়ে রেখেছে যথাক্রমে Sombody, Nobody ও Mad এদের মধ্যে ছিল অধিক ঘনিষ্টতা। একদিন Sombody ক্ষুদ্ধ হয়ে Nobody কে খুন করলো। Mad তখন থানায় গেলো।
Mad :- স্যার Sombody Kills Nobody.
দারোগা :- হোয়াইট?
Mad :- Sombody Kills Nobody.
দারোগা :- হু আর ইউ?
Mad :- আই এ্যাম Mad স্যার।
দারোগা :- গেট আউট।
282
উকিল :- আপনি কি বিয়ে করেছেন?
আসামি :- জ্বি স্যার, করেছি।
উকিল :- কাকে বিয়ে করেছেন?
আসামি :- একজন মেয়েকে।
উকিল :- রাবিস! আপনি কি কখনো ছেলেকে বিয়ে করতে দেখেছেন?
আসামি :- জ্বি স্যার আমার বোন গত মাসে একজন ছেলেকে বিয়ে করেছে।
283
একজন শিক্ষক ক্লাশে লেকচার দিচ্ছেন। পিছনের বেঞ্চে একজন ছাত্র ঘুমাচ্ছে।
শিক্ষক :- এই ছেলে আমার ক্লাশে ঘুমানো যাবে না।
ছাত্র :- যাবে স্যার একশ বার যাবে আপনি একটু লেকচারটা ধীরে দিলেই ঘুমানো যাবে।
284
Honest= সৎ
H – Hapy = সুখী
O – Orator = বক্তা
N – Native = অকপট,সহজ,সরল
E – Economical = মিত্যব্যায়ী
S – Sacred = পবিত্র,স্বর্গীয় দেবতা
T – True = বিশ্বস্ত
Honest এর অর্থ দ্বারায় = সুখী, অকপট, ভলো বক্তা, মিত্যব্যায়ী, পবিত্র, ও বিশ্বস্ত একজন।
285
POSTMAN = ডাক পিয়ন
P – Polite = শান্ত, ভদ্র
O – Obedient = অনুগত
S – Submissive = অত্মনিবেদিত
T – Temperate = মিতাচারী
M – Modest = বিনয়ী
A – Astute = বিচক্ষন
N – Neat = পরিষ্কার
উপরিউক্ত গুনের সমন্বয়ে একজন আদর্শ ডাকপিয়ন।
286
LO♥E = এর অর্থ
L = Lost (লস্ট)
O = Of (অফ)
V = Valuable (ভ্যালুয়েবল)
E = Energy (ইনারজি)
অর্থাত Lost Of Valuable Energy.
287
আচ্ছা উকিল সাব করও কুকুর যদি অন্য করও মুরগি খেয়ে ফেলে তবে মুরগির মালিক কি ক্ষতি পূরুণ চাইতে পারে?
উকিল :- জ্বি পারে।
মুরগির মালিক :- তাহলে আমাকে ১০০ একশ টাকা দিন কারণ যে কুকুরটা আমার মুরগি খেয়েছে সেটা আপনারই।
উকিল :- ও আচ্ছা দিচ্ছি আগে আমার কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়ার জন্য ফি হিসেবে দুইশত টাকা জমা দিন।
288
অনেকদিন পর দুই বন্ধুর দেখা হলো।
১ম বন্ধু :- কিরে তোর ব্যাবসা বানিজ্য কেমন চলছে?
২য় বন্ধু :- ভালোই চলছে নিচে থেকে উপরে উঠেছি।
১ম বন্ধু :- কেমন?
২য় বন্ধু :- আগে করতাম জুতার ব্যবসা এখন করি টুপির ব্যবসা।
289
ইংরেজী শিক্ষক :- বলতো চাবি এর ইংরেজি কী?
ছাত্র :- শুনতে না পেয়ে কী স্যার।
ইংরেজী শিক্ষক :- ভেরি গুড হয়েছে।
290
শিক্ষক ক্লাশে বাংলা গ্রামারের পদ পড়াচ্ছেন----
শিক্ষক :- ছাত্রদের উদ্দেশ্য করে - বলতো একটি ছেলে গাছ থেকে মাটিতে পড়ে গেল এটি কোন পদ?
এক ছাত্র :- স্যার এটা বিপদ।
তিন বন্ধু মজা করে নিজেদের নাম বদলিয়ে রেখেছে যথাক্রমে Sombody, Nobody ও Mad এদের মধ্যে ছিল অধিক ঘনিষ্টতা। একদিন Sombody ক্ষুদ্ধ হয়ে Nobody কে খুন করলো। Mad তখন থানায় গেলো।
Mad :- স্যার Sombody Kills Nobody.
দারোগা :- হোয়াইট?
Mad :- Sombody Kills Nobody.
দারোগা :- হু আর ইউ?
Mad :- আই এ্যাম Mad স্যার।
দারোগা :- গেট আউট।
282
উকিল :- আপনি কি বিয়ে করেছেন?
আসামি :- জ্বি স্যার, করেছি।
উকিল :- কাকে বিয়ে করেছেন?
আসামি :- একজন মেয়েকে।
উকিল :- রাবিস! আপনি কি কখনো ছেলেকে বিয়ে করতে দেখেছেন?
আসামি :- জ্বি স্যার আমার বোন গত মাসে একজন ছেলেকে বিয়ে করেছে।
283
একজন শিক্ষক ক্লাশে লেকচার দিচ্ছেন। পিছনের বেঞ্চে একজন ছাত্র ঘুমাচ্ছে।
শিক্ষক :- এই ছেলে আমার ক্লাশে ঘুমানো যাবে না।
ছাত্র :- যাবে স্যার একশ বার যাবে আপনি একটু লেকচারটা ধীরে দিলেই ঘুমানো যাবে।
284
Honest= সৎ
H – Hapy = সুখী
O – Orator = বক্তা
N – Native = অকপট,সহজ,সরল
E – Economical = মিত্যব্যায়ী
S – Sacred = পবিত্র,স্বর্গীয় দেবতা
T – True = বিশ্বস্ত
Honest এর অর্থ দ্বারায় = সুখী, অকপট, ভলো বক্তা, মিত্যব্যায়ী, পবিত্র, ও বিশ্বস্ত একজন।
285
POSTMAN = ডাক পিয়ন
P – Polite = শান্ত, ভদ্র
O – Obedient = অনুগত
S – Submissive = অত্মনিবেদিত
T – Temperate = মিতাচারী
M – Modest = বিনয়ী
A – Astute = বিচক্ষন
N – Neat = পরিষ্কার
উপরিউক্ত গুনের সমন্বয়ে একজন আদর্শ ডাকপিয়ন।
286
LO♥E = এর অর্থ
L = Lost (লস্ট)
O = Of (অফ)
V = Valuable (ভ্যালুয়েবল)
E = Energy (ইনারজি)
অর্থাত Lost Of Valuable Energy.
287
আচ্ছা উকিল সাব করও কুকুর যদি অন্য করও মুরগি খেয়ে ফেলে তবে মুরগির মালিক কি ক্ষতি পূরুণ চাইতে পারে?
উকিল :- জ্বি পারে।
মুরগির মালিক :- তাহলে আমাকে ১০০ একশ টাকা দিন কারণ যে কুকুরটা আমার মুরগি খেয়েছে সেটা আপনারই।
উকিল :- ও আচ্ছা দিচ্ছি আগে আমার কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়ার জন্য ফি হিসেবে দুইশত টাকা জমা দিন।
288
অনেকদিন পর দুই বন্ধুর দেখা হলো।
১ম বন্ধু :- কিরে তোর ব্যাবসা বানিজ্য কেমন চলছে?
২য় বন্ধু :- ভালোই চলছে নিচে থেকে উপরে উঠেছি।
১ম বন্ধু :- কেমন?
২য় বন্ধু :- আগে করতাম জুতার ব্যবসা এখন করি টুপির ব্যবসা।
289
ইংরেজী শিক্ষক :- বলতো চাবি এর ইংরেজি কী?
ছাত্র :- শুনতে না পেয়ে কী স্যার।
ইংরেজী শিক্ষক :- ভেরি গুড হয়েছে।
290
শিক্ষক ক্লাশে বাংলা গ্রামারের পদ পড়াচ্ছেন----
শিক্ষক :- ছাত্রদের উদ্দেশ্য করে - বলতো একটি ছেলে গাছ থেকে মাটিতে পড়ে গেল এটি কোন পদ?
এক ছাত্র :- স্যার এটা বিপদ।
General Joke 271-280
271
ব্যকরণ শিক্ষক :- বলতো টুটুল ধ্বনি কহাকে বলে ?
টুটুল :- স্যার এটাতো একদম সহজ প্রশ্ন এ জগতে যার ধন সম্পদ, প্রভাব প্রতিপত্তি বেশি তাকে ধ্বনি বলে।
272
শিক্ষক :- বলতো বাচ্চু, ছেলেটি গাছ থেকে পড়ে গিয়ে পা ভেঙেছে এখানে গাছ কোন পদ?
বাচ্চু:- বিপদ স্যার।
শিক্ষক:- দুর বোকা তোর মাথায় শুধু গোবর আর গোবর । আচ্ছা আবছার তুই বলতো ধান কোথায় ভালো জন্মে?
আবছার :- বাচ্চুর মাথায় স্যার।
273
মেয়ে :- আম্মু ছোট খালা মনে হয় মানুষ না!
মা :- মানুষ না মানে !
মেয়ে :- না আম্মু আমি নিজ কানে শুনেছি-----------?
মা :- কি শুনেছিস?
মেয়ে :- আব্বু না খালার নাকে হাত দিয়ে বলছে তুমি একটা পরি।
274
ছোট মেয়ে :- মা জানো, বড় আপা না অন্ধকারেও চোখে দেখতে পারে।
মা :- তুই কি করে বুঝলি?
ছোট মেয়ে :-কাল রাতে যখন বিদ্যুৎ চলে গেলো, তখনই শিবলী ভাইয়া এলেন, একটু পরেই অন্ধকারে আপা বললেন, এই তুমি সেভ করনি কেন !
275
জনৈক ভদ্রলোক :- এই ছেলেরা তোমরা এই কুকুর ছানাটিকে নিয়ে এত ঝগড়া করছ কেন?
বালকদ্বয় :- আঙ্কেল আমরা ঠিক করেছি আমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বড় মিথ্যা কথা বলতে পারবে সেই এ কুকুর ছানাটা পাবে।
জনৈক ভদ্রলোক :- বলিস কি রে খোকারা !! তোদের মত বয়সে তো আমি মিথ্যা কি তাই জানতাম না?
বালকদ্বয় :- তাহলে কুকুরছানাটি আপনিই পেলেন আঙ্কেল।
276
এক স্কুলের শিক্ষক ছাত্রের উদ্দেশে বললেন বলতো B.B.C তে কি হয়।
ছাত্র :- স্যার বিবিসি তে হয় বেলা বিস্কিট কোম্পানি।
শিক্ষক :- ভারী বেয়াদব ছেলে তো ।
ছাত্র :- আপনারটাও ঠিক স্যার।
277
দুই ছাত্র মারামারি করার পর শিক্ষক তাদের শাস্তি হিসেবে তাদের নিজের নাম ১০০ বার করে লিখতে বললেন।
১ম ছাত্র :- স্যার আপনি রহিমের পক্ষে রায় দিয়েছেন।
শিক্ষক :- কেন ! আমি তো দু’জনকেই সমানভাবে ১০০ বার নাম লিখতে দিয়েছি!!
১ম ছাত্র :- স্যার ওর নাম হচ্ছে আ: রহিম আর আমার নাম হচ্ছে ওমর ইবনে আব্দুল গাইয়্যুম।
278
ছেলেকে ঘুম পারানোর জন্য মা গান গাইছেন - আয় আয় চাঁদ মামা-।
ছেলে :- মা চাঁদ নানা দেখতে কেমন?
মা :- চাঁদ আবার তোর নানা হলো কবে?
ছেলে :- সে কি মা! তোমার মামা হলে আমার নানা হবে না?
279
নানা :- জানিস শচীন না আজও দারুন একটা সেঞ্চরি করলো!
নাতি :- শচীন কে নানা?
নানা :- প্রখ্যাত ক্রিকেটার।
নাতি :- প্রখ্যাত হয়েও কেন চুরি করল! দারুন চেন দেখে মনে হয় লোভ সামলাতে পারেনি।
280
খদ্দের :- এই সব রান্না কি খাওয়া যায়? ওয়ক থু: !! যাও তোমার ম্যানেজারকে ডেকে নিয়ে আস।
ওয়েটার :- ইয়ে স্যার মানে-------উনি তো পাশের হোটেলে খেতে গেছেন।
ব্যকরণ শিক্ষক :- বলতো টুটুল ধ্বনি কহাকে বলে ?
টুটুল :- স্যার এটাতো একদম সহজ প্রশ্ন এ জগতে যার ধন সম্পদ, প্রভাব প্রতিপত্তি বেশি তাকে ধ্বনি বলে।
272
শিক্ষক :- বলতো বাচ্চু, ছেলেটি গাছ থেকে পড়ে গিয়ে পা ভেঙেছে এখানে গাছ কোন পদ?
বাচ্চু:- বিপদ স্যার।
শিক্ষক:- দুর বোকা তোর মাথায় শুধু গোবর আর গোবর । আচ্ছা আবছার তুই বলতো ধান কোথায় ভালো জন্মে?
আবছার :- বাচ্চুর মাথায় স্যার।
273
মেয়ে :- আম্মু ছোট খালা মনে হয় মানুষ না!
মা :- মানুষ না মানে !
মেয়ে :- না আম্মু আমি নিজ কানে শুনেছি-----------?
মা :- কি শুনেছিস?
মেয়ে :- আব্বু না খালার নাকে হাত দিয়ে বলছে তুমি একটা পরি।
274
ছোট মেয়ে :- মা জানো, বড় আপা না অন্ধকারেও চোখে দেখতে পারে।
মা :- তুই কি করে বুঝলি?
ছোট মেয়ে :-কাল রাতে যখন বিদ্যুৎ চলে গেলো, তখনই শিবলী ভাইয়া এলেন, একটু পরেই অন্ধকারে আপা বললেন, এই তুমি সেভ করনি কেন !
275
জনৈক ভদ্রলোক :- এই ছেলেরা তোমরা এই কুকুর ছানাটিকে নিয়ে এত ঝগড়া করছ কেন?
বালকদ্বয় :- আঙ্কেল আমরা ঠিক করেছি আমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বড় মিথ্যা কথা বলতে পারবে সেই এ কুকুর ছানাটা পাবে।
জনৈক ভদ্রলোক :- বলিস কি রে খোকারা !! তোদের মত বয়সে তো আমি মিথ্যা কি তাই জানতাম না?
বালকদ্বয় :- তাহলে কুকুরছানাটি আপনিই পেলেন আঙ্কেল।
276
এক স্কুলের শিক্ষক ছাত্রের উদ্দেশে বললেন বলতো B.B.C তে কি হয়।
ছাত্র :- স্যার বিবিসি তে হয় বেলা বিস্কিট কোম্পানি।
শিক্ষক :- ভারী বেয়াদব ছেলে তো ।
ছাত্র :- আপনারটাও ঠিক স্যার।
277
দুই ছাত্র মারামারি করার পর শিক্ষক তাদের শাস্তি হিসেবে তাদের নিজের নাম ১০০ বার করে লিখতে বললেন।
১ম ছাত্র :- স্যার আপনি রহিমের পক্ষে রায় দিয়েছেন।
শিক্ষক :- কেন ! আমি তো দু’জনকেই সমানভাবে ১০০ বার নাম লিখতে দিয়েছি!!
১ম ছাত্র :- স্যার ওর নাম হচ্ছে আ: রহিম আর আমার নাম হচ্ছে ওমর ইবনে আব্দুল গাইয়্যুম।
278
ছেলেকে ঘুম পারানোর জন্য মা গান গাইছেন - আয় আয় চাঁদ মামা-।
ছেলে :- মা চাঁদ নানা দেখতে কেমন?
মা :- চাঁদ আবার তোর নানা হলো কবে?
ছেলে :- সে কি মা! তোমার মামা হলে আমার নানা হবে না?
279
নানা :- জানিস শচীন না আজও দারুন একটা সেঞ্চরি করলো!
নাতি :- শচীন কে নানা?
নানা :- প্রখ্যাত ক্রিকেটার।
নাতি :- প্রখ্যাত হয়েও কেন চুরি করল! দারুন চেন দেখে মনে হয় লোভ সামলাতে পারেনি।
280
খদ্দের :- এই সব রান্না কি খাওয়া যায়? ওয়ক থু: !! যাও তোমার ম্যানেজারকে ডেকে নিয়ে আস।
ওয়েটার :- ইয়ে স্যার মানে-------উনি তো পাশের হোটেলে খেতে গেছেন।
General Joke 261-270
261
বাড়িওয়ালা:- টুলেট সাইনবোর্ড এ লিখে দিলেন যে, ছেলেমেয়ে নেই এমন পরিবারকে ঘড় ভাড়া দেওয়া হবে।
ছোট্র ছেলে সাকিব:- এই যে আঙ্কেল, আমি আপনার ঘড় ভাড়া নিতে চাই। আমার কোন ছেলেমেয়ে নাই। আমার সঙ্গে আমার বাবা মা থাকবেন।
262
ঘটক :- আপনার ছেলের জন্য খুব মিষ্টি একটা মেয়ে পেয়েছি।
অভিভাবক :- তাহলে তো ওই মেয়েতে আমাদের হবে না।
ঘটক :- কেন হবে না ?
অভিভাবক :- আমাদের ছেলের ডায়াবেটিস আছে তো তাই........
263
রোগী :- ডাক্তার সাব আমার পেটে ব্যাথা।
ডাক্তার :- তা আপনার পায়খানা কেমন ?
রোগী :- গরিব মানুষের পায়খানা যেমন হয় ডাক্তার সাব - এই ধরুন বাঁশের খুঁটি চাটাইয়ের বেড়া আর সামনে একখানা ছালা টাঙানো।
264
গাছের নিচে দুজন লোক দাড়িয়ে ছিল। তাদের একজন হিন্দু অন্যজন মুসলমান। হটাৎ সেই গাছের উপর দুটি পাখি কিচর মিচির শুরু করলো। তখন হিন্দু লোকটি মুসলমান লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলো বলতো পাখিগুলো কি বলছে ? মুসলমান লোকটি বললো ”আল্লাহ্, রাসুল, খোদা”। হিন্দু লোকটি বললো ”রাম, কৃষ্ণ, রাধা”। মাছ বিক্রেতা যেতে যেতে বললো ”ইলিশ, রুই, ভেদা”। পান বিক্রেতা বললো ”পান, সুপারি, সাদা ”। রসুন বিক্রেতা কড়া গলায় বললো ”রসুন, মরিচ, আদা”। বুদ্ধিমান লোকটি বললো, ”আপনারা সবাই গাধা”।
265
এক মাতাল ব্রিজের উপর দিয়ে যাবার সময় নিচে পানিতে চাঁদের প্রতিবিম্ব দেখে থমকে দঁড়ায়-
মাতাল :- এই যে ভাই, নিচে ওটা কি?
পথচারী :- ক্যান চাঁদ।
মাতাল :- কি ?------------ আমি এতো উপড়ে কি করে উঠলাম ????
266
এক বদ্রলোক তাঁর বন্ধুর চা বৎসর বয়সী ছেলেকে জিজ্ঞাস করছেন---
বাবা তুমি কি পড়?
ছেলে :- হাফপ্যান্ট পড়ি।
ভদ্রলোক :- না, মানে কোথায় পড়?
ছেলে :- কেন আঙ্কেল , নাভির একটু নিচে।
267
গৃহশিক্ষক ছাত্রীর প্রেমে পড়ে কৌশলে বললেন br /> গৃহশিক্ষক :- আচ্ছা তুমি ভয়েচ করতে পারবে?
ছাত্রী :- জ্বী স্যার।
গৃহশিক্ষক :- আই লাভ ইউ (I love you) কে Active থেকে Passive Voice এ রূপান্তর কর।
ছাত্রী :- খুব সোজা স্যার .... I hate you----------
268
১ম বন্ধু :- তোকে গাড়ী থেকে নামিয়ে সর্বস্ব লুট করে ডাতরা পালিয়ে গেল অথচ তুই কিনা চেঁচিয়ে লোকও জড়ো করতে পারিসনি?
২য় বন্ধু :- কোন উপায় ছিলনা বন্ধু। ওরা আমার টাকা পয়সা সহ গায়ের জামা কাপড় স-অব খুলে নিয়েছিল আর পাশেই ছিল লেডিস হোস্টল। বুঝতেই পারছিস
269
(৮) ছাত্র :- জুন আই কাম ইন স্যার।
শিক্ষক :- এই নতুন ইংরেজী কবে আমদানী করলে?
ছাত্র :- গত মাসে আপনিইতে ক্লাশে ঢোকার সময় বলেছিলেন।
শিক্ষক :- আমি তো বলেছিলাম "মে আই কাম ইন"।
ছাত্র :- কিন্তু স্যার মে মাস তো শেষ এখন জুন মাস চলছে।
270
ডাক্তার :- যে প্রেসক্রিপশনটা লিখে দিয়েছিলাম তা ঠিকমতো ফলো করছেন তো ?
রোগী :- ওই প্রেসক্রিপশনটা ফলো করলে নির্ঘাত মারা যেতাম ।
ডাক্তার :- মানে ?
রোগী :- ঔ প্রেসক্রিপশনটা ছাদ থেকে পড়ে গিয়েছিল যে..............
বাড়িওয়ালা:- টুলেট সাইনবোর্ড এ লিখে দিলেন যে, ছেলেমেয়ে নেই এমন পরিবারকে ঘড় ভাড়া দেওয়া হবে।
ছোট্র ছেলে সাকিব:- এই যে আঙ্কেল, আমি আপনার ঘড় ভাড়া নিতে চাই। আমার কোন ছেলেমেয়ে নাই। আমার সঙ্গে আমার বাবা মা থাকবেন।
262
ঘটক :- আপনার ছেলের জন্য খুব মিষ্টি একটা মেয়ে পেয়েছি।
অভিভাবক :- তাহলে তো ওই মেয়েতে আমাদের হবে না।
ঘটক :- কেন হবে না ?
অভিভাবক :- আমাদের ছেলের ডায়াবেটিস আছে তো তাই........
263
রোগী :- ডাক্তার সাব আমার পেটে ব্যাথা।
ডাক্তার :- তা আপনার পায়খানা কেমন ?
রোগী :- গরিব মানুষের পায়খানা যেমন হয় ডাক্তার সাব - এই ধরুন বাঁশের খুঁটি চাটাইয়ের বেড়া আর সামনে একখানা ছালা টাঙানো।
264
গাছের নিচে দুজন লোক দাড়িয়ে ছিল। তাদের একজন হিন্দু অন্যজন মুসলমান। হটাৎ সেই গাছের উপর দুটি পাখি কিচর মিচির শুরু করলো। তখন হিন্দু লোকটি মুসলমান লোকটিকে জিজ্ঞাসা করলো বলতো পাখিগুলো কি বলছে ? মুসলমান লোকটি বললো ”আল্লাহ্, রাসুল, খোদা”। হিন্দু লোকটি বললো ”রাম, কৃষ্ণ, রাধা”। মাছ বিক্রেতা যেতে যেতে বললো ”ইলিশ, রুই, ভেদা”। পান বিক্রেতা বললো ”পান, সুপারি, সাদা ”। রসুন বিক্রেতা কড়া গলায় বললো ”রসুন, মরিচ, আদা”। বুদ্ধিমান লোকটি বললো, ”আপনারা সবাই গাধা”।
265
এক মাতাল ব্রিজের উপর দিয়ে যাবার সময় নিচে পানিতে চাঁদের প্রতিবিম্ব দেখে থমকে দঁড়ায়-
মাতাল :- এই যে ভাই, নিচে ওটা কি?
পথচারী :- ক্যান চাঁদ।
মাতাল :- কি ?------------ আমি এতো উপড়ে কি করে উঠলাম ????
266
এক বদ্রলোক তাঁর বন্ধুর চা বৎসর বয়সী ছেলেকে জিজ্ঞাস করছেন---
বাবা তুমি কি পড়?
ছেলে :- হাফপ্যান্ট পড়ি।
ভদ্রলোক :- না, মানে কোথায় পড়?
ছেলে :- কেন আঙ্কেল , নাভির একটু নিচে।
267
গৃহশিক্ষক ছাত্রীর প্রেমে পড়ে কৌশলে বললেন br /> গৃহশিক্ষক :- আচ্ছা তুমি ভয়েচ করতে পারবে?
ছাত্রী :- জ্বী স্যার।
গৃহশিক্ষক :- আই লাভ ইউ (I love you) কে Active থেকে Passive Voice এ রূপান্তর কর।
ছাত্রী :- খুব সোজা স্যার .... I hate you----------
268
১ম বন্ধু :- তোকে গাড়ী থেকে নামিয়ে সর্বস্ব লুট করে ডাতরা পালিয়ে গেল অথচ তুই কিনা চেঁচিয়ে লোকও জড়ো করতে পারিসনি?
২য় বন্ধু :- কোন উপায় ছিলনা বন্ধু। ওরা আমার টাকা পয়সা সহ গায়ের জামা কাপড় স-অব খুলে নিয়েছিল আর পাশেই ছিল লেডিস হোস্টল। বুঝতেই পারছিস
269
(৮) ছাত্র :- জুন আই কাম ইন স্যার।
শিক্ষক :- এই নতুন ইংরেজী কবে আমদানী করলে?
ছাত্র :- গত মাসে আপনিইতে ক্লাশে ঢোকার সময় বলেছিলেন।
শিক্ষক :- আমি তো বলেছিলাম "মে আই কাম ইন"।
ছাত্র :- কিন্তু স্যার মে মাস তো শেষ এখন জুন মাস চলছে।
270
ডাক্তার :- যে প্রেসক্রিপশনটা লিখে দিয়েছিলাম তা ঠিকমতো ফলো করছেন তো ?
রোগী :- ওই প্রেসক্রিপশনটা ফলো করলে নির্ঘাত মারা যেতাম ।
ডাক্তার :- মানে ?
রোগী :- ঔ প্রেসক্রিপশনটা ছাদ থেকে পড়ে গিয়েছিল যে..............
General Joke 251-260
251
(১) ডাক্তার
একদিন পাগলা গারদের এক ডাক্তার তিন পাগলের উন্নতি দেখার জন্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন। পরীক্ষায় পাস করতে পারলে মুক্তি, আর না করলে আরো দুই বছরের জন্য আটকানো হবে। ডাক্তার তিনজনকে সাথে নিয়ে একটা পানিশূন্য সুইমিং পুলের সামনে গিয়ে ঝাঁপ দিতে বললেন। প্রথম পাগল সাথে সাথেই ঝাঁপ দিয়ে পা ভেঙ্গে ফেলল। দ্বিতীয় পাগলটিও ডাক্তারের কথা মতো ঝাঁপ দিয়ে হাত ভেঙ্গে ফেলল। কিন্তু তৃতীয় পাগলটি কোনোমতেই ঝাঁপ দিতে রাজি হলো না। ডাক্তার আনন্দে চিৎকার করে উঠে বললেন, আরে, তুমি তো পুরোপুরি সুস্থ। তোমাকে মুক্ত করে দেব আজই। আচ্ছা বলো তো তুমি কেন ঝাঁপ দিলে না?
জবাবে সে বললো, ‘আমি তো সাঁতার জানি না’।
252
(২) ছাত্র
স্যার ক্লাশে সবাইকে ক্রিকেট ম্যাচ নিয়ে রচনা লিখতে দিয়েছেন। সবাই মন দিয়ে লিখে চলছে। ৩-৪ মিনিট পরেই স্যার হঠাৎ দেখেন রন্টি জানালা দিয়ে উদাস নয়নে বাইরের মাঠের দিকে তাকিয়ে আছেন।
স্যার রন্টিকে ঝাড়ি দিয়ে জানতে চাইলেন, ‘এই তুমি লিখছো না কেন?’
রন্টি: স্যার আমার লেখা হয়ে গেছে!
স্যার: মানে? কই তোমার খাতা দেখি?
রন্টি স্যারকে খাতা এগিয়ে দিলেন, স্যার দেখলেন খাতায় লেখা রয়েছে ‘বৃষ্টির কারনে ম্যাচ পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হলো।’
253
(৩) শুধু একটা ভুল
বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি?
ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে।
বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে?
ছেলে: না, বাকি গুলোতো লিখতেই পারিনি।
254
(৪)শ্রদ্ধা
শিক্ষকঃ বলো তো জহির, শিক্ষকদের স্থান কোথায়?
জহিরঃ কেনো স্যার, আমার পেছনে।
শিক্ষক (রেগে গিয়েঃ শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতে শেখোনি। তোমার কিছু হবে না!
জহিরঃ কেনো স্যার, আমার বাবা তো প্রায়ই বলেন, তোর পেছনে অতো মাস্টার লাগালাম, তবু তুই পাশ করতে পারলি না?
255
(৫) গরু
স্যার ছাত্রকে প্রশ্ন করছে।
স্যারঃ মিঠু, বলতো গরু আমাদের কি দেয়?
মিঠুঃ গরু? গরু আমাদের গুঁতো দেয় স্যার!!
256
(৬) ইচ্ছাপূরণ
প্রথম বন্ধুঃ আমার জীবনে একটা ইচ্ছাও পূরণ হল না। তোর কোন ইচ্ছা পূরণ হয়েছে?
দ্বিতীয় বন্ধুঃ হ্যা হয়েছে, ছোটবেলায় স্যারের হাতে চুল টানা খেতে খেতে ভাবতাম চুলগুলো না থাকলেই বুঝি ভালো হত। এখন দেখ, মাথায় একটাও চুল নেই।
257
(৭)বুদ্ধিমান ছাত্র
একদিন ক্লাসে শিক্ষক তার সোনার আংটিটা একটা গ্লাসের পানিতে ডুবিয়ে ছাত্রকে প্রশ্ন করলেন।
শিক্ষকঃ বল তো, এই আংটিটাতে মরিচা ধরবে কি না?
ছাত্রঃ ধরবে না স্যার।
শিক্ষকঃ গুড, ভেরি গুড। আচ্ছা বলতো, কেন ধরবে না?
ছাত্রঃ স্যার, আপনি জ্ঞানী লোক। যদি পানিতে রাখলে মরিচা ধরতো, আপনি কখনই আপনার সোনার আংটি পানিতে রাখতেন না।
258
(৮)গানভক্ত
প্রথম বন্ধুঃ জানিস, আমাদের বাসার সবাই বাথরুমে গান গায়!
দ্বিতীয় বন্ধুঃ স-বা-ই ?
প্রথম বন্ধুঃ সবাই, চাকর-বাকর পর্যন্ত।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ তোরা তাহলে সবাই খুব গানের ভক্ত!
প্রথম বন্ধুঃ দূর, তা নয়, আসলে আমাদের বাথরুমের ছিটকিনিটা নষ্ট তো, তাই।
259
(৯) লেখাপড়া
গৃহশিক্ষকঃআমার সঙ্গে সঙ্গে বল, লেখাপড়া করে যে গাড়ি-ঘোড়া চড়ে সে।
ছাত্রঃ স্যার, এই কথাটা ঠিক না।
শিক্ষকঃ কেনো?
ছাত্রঃ কারন, আপনি তো অনেক লেখাপড়া করেছেন! তাহলে আপনি রোজ পায়ে হেঁটে আমাকে পড়াতে আসেন কেন?
260
(১০) ডাক্তার ও রোগী
ডাক্তার রোগীকে ব্যবস্থাপত্র দিয়ে বললেন-
ডাক্তারঃ আপনার খাবার সবসময় ঢাকা রাখবেন।
রোগীঃ ঢাকা তো অনেক দূর। কুমিল ায় রাখলে চলবে না?
(১) ডাক্তার
একদিন পাগলা গারদের এক ডাক্তার তিন পাগলের উন্নতি দেখার জন্য পরীক্ষা নিচ্ছিলেন। পরীক্ষায় পাস করতে পারলে মুক্তি, আর না করলে আরো দুই বছরের জন্য আটকানো হবে। ডাক্তার তিনজনকে সাথে নিয়ে একটা পানিশূন্য সুইমিং পুলের সামনে গিয়ে ঝাঁপ দিতে বললেন। প্রথম পাগল সাথে সাথেই ঝাঁপ দিয়ে পা ভেঙ্গে ফেলল। দ্বিতীয় পাগলটিও ডাক্তারের কথা মতো ঝাঁপ দিয়ে হাত ভেঙ্গে ফেলল। কিন্তু তৃতীয় পাগলটি কোনোমতেই ঝাঁপ দিতে রাজি হলো না। ডাক্তার আনন্দে চিৎকার করে উঠে বললেন, আরে, তুমি তো পুরোপুরি সুস্থ। তোমাকে মুক্ত করে দেব আজই। আচ্ছা বলো তো তুমি কেন ঝাঁপ দিলে না?
জবাবে সে বললো, ‘আমি তো সাঁতার জানি না’।
252
(২) ছাত্র
স্যার ক্লাশে সবাইকে ক্রিকেট ম্যাচ নিয়ে রচনা লিখতে দিয়েছেন। সবাই মন দিয়ে লিখে চলছে। ৩-৪ মিনিট পরেই স্যার হঠাৎ দেখেন রন্টি জানালা দিয়ে উদাস নয়নে বাইরের মাঠের দিকে তাকিয়ে আছেন।
স্যার রন্টিকে ঝাড়ি দিয়ে জানতে চাইলেন, ‘এই তুমি লিখছো না কেন?’
রন্টি: স্যার আমার লেখা হয়ে গেছে!
স্যার: মানে? কই তোমার খাতা দেখি?
রন্টি স্যারকে খাতা এগিয়ে দিলেন, স্যার দেখলেন খাতায় লেখা রয়েছে ‘বৃষ্টির কারনে ম্যাচ পরিত্যাক্ত ঘোষনা করা হলো।’
253
(৩) শুধু একটা ভুল
বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি?
ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে।
বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে?
ছেলে: না, বাকি গুলোতো লিখতেই পারিনি।
254
(৪)শ্রদ্ধা
শিক্ষকঃ বলো তো জহির, শিক্ষকদের স্থান কোথায়?
জহিরঃ কেনো স্যার, আমার পেছনে।
শিক্ষক (রেগে গিয়েঃ শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করতে শেখোনি। তোমার কিছু হবে না!
জহিরঃ কেনো স্যার, আমার বাবা তো প্রায়ই বলেন, তোর পেছনে অতো মাস্টার লাগালাম, তবু তুই পাশ করতে পারলি না?
255
(৫) গরু
স্যার ছাত্রকে প্রশ্ন করছে।
স্যারঃ মিঠু, বলতো গরু আমাদের কি দেয়?
মিঠুঃ গরু? গরু আমাদের গুঁতো দেয় স্যার!!
256
(৬) ইচ্ছাপূরণ
প্রথম বন্ধুঃ আমার জীবনে একটা ইচ্ছাও পূরণ হল না। তোর কোন ইচ্ছা পূরণ হয়েছে?
দ্বিতীয় বন্ধুঃ হ্যা হয়েছে, ছোটবেলায় স্যারের হাতে চুল টানা খেতে খেতে ভাবতাম চুলগুলো না থাকলেই বুঝি ভালো হত। এখন দেখ, মাথায় একটাও চুল নেই।
257
(৭)বুদ্ধিমান ছাত্র
একদিন ক্লাসে শিক্ষক তার সোনার আংটিটা একটা গ্লাসের পানিতে ডুবিয়ে ছাত্রকে প্রশ্ন করলেন।
শিক্ষকঃ বল তো, এই আংটিটাতে মরিচা ধরবে কি না?
ছাত্রঃ ধরবে না স্যার।
শিক্ষকঃ গুড, ভেরি গুড। আচ্ছা বলতো, কেন ধরবে না?
ছাত্রঃ স্যার, আপনি জ্ঞানী লোক। যদি পানিতে রাখলে মরিচা ধরতো, আপনি কখনই আপনার সোনার আংটি পানিতে রাখতেন না।
258
(৮)গানভক্ত
প্রথম বন্ধুঃ জানিস, আমাদের বাসার সবাই বাথরুমে গান গায়!
দ্বিতীয় বন্ধুঃ স-বা-ই ?
প্রথম বন্ধুঃ সবাই, চাকর-বাকর পর্যন্ত।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ তোরা তাহলে সবাই খুব গানের ভক্ত!
প্রথম বন্ধুঃ দূর, তা নয়, আসলে আমাদের বাথরুমের ছিটকিনিটা নষ্ট তো, তাই।
259
(৯) লেখাপড়া
গৃহশিক্ষকঃআমার সঙ্গে সঙ্গে বল, লেখাপড়া করে যে গাড়ি-ঘোড়া চড়ে সে।
ছাত্রঃ স্যার, এই কথাটা ঠিক না।
শিক্ষকঃ কেনো?
ছাত্রঃ কারন, আপনি তো অনেক লেখাপড়া করেছেন! তাহলে আপনি রোজ পায়ে হেঁটে আমাকে পড়াতে আসেন কেন?
260
(১০) ডাক্তার ও রোগী
ডাক্তার রোগীকে ব্যবস্থাপত্র দিয়ে বললেন-
ডাক্তারঃ আপনার খাবার সবসময় ঢাকা রাখবেন।
রোগীঃ ঢাকা তো অনেক দূর। কুমিল ায় রাখলে চলবে না?
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১০
General Joke 241-250
241
চারটি ইনসিওরেন্স কোম্পানির মধ্যে তুমুল প্রতিযোগিতা চলছে। প্রথমটা তাদের স্লোগান ঠিক করলো - "Coverage from the cradle to the grave."
দ্বিতীয়টি ঠিক এক কাঠি এগিয়ে বলল - "Coverage from the womb to the tomb."
তৃতীয়টি আরেক কাঠি সরেস, বলল - “Coverage from the sperm to the worm."
চতুর্থ কোম্পানিটি অনেক ভাবলো। ভেবে ভেবে কিছু না পেয়ে এক সময় ক্ষান্ত দিতে চাইলো। কিন্তু শেষ মুহুর্তে তারা একটা স্লোগান পেয়ে গেল - "Coverage from the erection to the resurrection."
242
ক্রিশ্চান নানেরা মৃত্যুর পরে স্বর্গে চলে যায়। তবে স্বর্গে প্রবেশের আগে তাদের জীবনের ছোট খাটো পাপগুলো ধুয়ে মুছে ফেলতে একটা বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তেমনি এক অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে সেইন্ট পিটার দাঁড়িয়ে আছেন স্বর্গের দ্বারে, পাশে এক বড় গামলা ভর্তি পবিত্র পানি নিয়ে। তার সামনে বেশ কিছু সংখ্যক নান সার বেধে দাঁড়িয়ে আছে। সেইন্ট পিটার মিহি গলায় তাদের সম্বোধন করে বললেন - তা, ভদ্রমহিলা সকল এবার আমাকে তোমরা বল যে, তোমাদের মধ্যে কে কে পুরুষদের এক বিশেষ অঙ্গের সংস্পর্শ পেয়েছিলে?
লাইনে সবার আগে যে নান দাঁড়ানো সে লজ্জিত স্বরে বলল - আমি একবার, কেবল একবার ওটা আমার হাতের দু’আঙুল দিয়ে স্পর্শ করেছিলাম।
সেইন্ট পিটার হেসে বললেন - ঠিক আছে, কোন সমস্যা নেই। তুমি তোমার আঙুল দু'টো এই পবিত্র পানিতে চুবিয়ে স্বর্গে প্রবেশ কর।
লাইনে দাঁড়ানো দ্বিতীয় নান বলল - আমি কেবল একবার আমার এ হাত দিয়ে ওটাকে মেসেজ করেছিলাম। তাও অল্প একটু সময়ের জন্য।
পিটার এবারো হাসলেন - কোই বাত নেহি। তোমার হাতটা পবিত্র পানিতে চুবিয়ে স্বর্গে প্রবেশ কর।
হঠাৎ লাইনে একটা হুলস্থুল লেগে গেল। একজন নান যে কিনা লাইনের অনেক পেছনে দাঁড়িয়ে ছিল সে হঠাৎ লাইন ভেঙে সামনে এগিয়ে আসতে চাইলো। আর অন্যান্য নানরা তাকে বাধা দিতে গেলে শুরু হয়ে গেল বচসা। পিটার ধমকে উঠলেন - এই কি হচ্ছে ওখানে?
লাইন ভাঙা নান বলে উঠলো - দেখুন সেইন্ট পিটার, আমাকে যদি ঐ পবিত্র পানি দিয়ে গার্গল করতেই হয়, তবে তা আমি সিস্টার মেরি তার নিতম্ব চুবানোর আগেই করতে চাই।
243
আফ্রিকার ছোট্ট এক দেশের রাজা গেছেন অ্যামেরিকায়। সেখানে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার অনেক টাকা লগ্লী করার কথা। এমন ধনকুবের রাজার মনরঞ্জনের জন্য সে কম্পানির তরফ থেকে একজন সুন্দরী সেক্রেটারি নিয়োগ দেয়া হলো। যার কাজ রাজাকে অ্যামেরিকার বিশেষ দর্শনিয় স্থানগুলো ঘুরিয়ে দেখানো।
তো, প্রথম দিনেই সে সুন্দরীকে দেখে রাজা তার প্রেমে পড়ে গেলেন। এবং তার কালো মুখে গদগদ হাসি ফুটিয়ে মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন। মেয়েটি তো পড়লো মহা বিপদে। কোম্পানি থেকে তাকে বলা হয়েছে রাজা যাতে কিছুতেই বিগড়ে না যান সেদিকে নজর রাখতে। তাই সে প্রথমে ব্যাপারটা হাসি মুখে এড়িয়ে যেতে চাইলো। কিন্তু রাজা নাছোড় বান্দা। তিনি যে কোন মুল্যে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চান।
মেয়েটি তখন একটা বুদ্ধি আঁটলো। সে রাজাকে বলল - ’দেখুন রাজা, আমার মতো সুন্দরী তো আর আপনি যেখানে সেখানে পাবেন না। তাই আমাকে বিয়ে করতে হলে আমার তিনটা ইচ্ছা আপনাকে পূরণ করতে হবে।’ রাজা জানালেন তিনি মেয়েটির যেকোন ইচ্ছা পূরণ করতে প্রস্তুত।
মেয়েটি তখন বলল - আমার প্রথম শর্ত আমার নামে সুইস ব্যাঙ্কে ১ বিলিয়ন ডলার ডিপোজিট করতে হবে।
শুনে রাজা মৃদু হাসলেন। তারপর নিজের মোবাইলটা নিয়ে কার সাথে কথা বললেন আফ্রিকান ভাষায় অনেক ক্ষণ। তারপর ফোন রেখে হেসে বললেন - ডিপোজিট হয়ে গেছে।
মেয়েটি একটু থমকে গেলেও দমলো না । বলল - ঠিক আছে, এবার আমার দ্বিতীয় শর্ত হচ্ছে, প্রশান্ত মহাসাগরে আমার নামে একটা গোটা দ্বীপ কিনতে হবে। এবং সেই দ্বীপে এক বিশাল প্রাসাদ বানিয়ে দিতে হবে। আর সেখানে যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার, ইয়ট থাকতে হবে।
এ শর্ত শুনেও রাজার হাসি ম্লান হলো না। তিনি আবার তার মোবাইল দিয়ে কাকে ফোন করলেন। অনেক ক্ষণ আফ্রিকান ভাষায় কথা বললেন। তারপর ফোন রেখে বললেন - তোমার এ শর্তও মানা হলো। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তোমার দ্বীপ এবং প্রাসাদ আর অন্যান্য সব তুমি পেয়ে যাবে।
মেয়েটি এবার সত্যি দমে গেল। এত কঠিন শর্তেও রাজা টলছে না। সে অনেক ভেবে তার তৃতীয় শর্তটা বলল - শুনুন রাজা, আমি সেক্স ভিষণ উপভোগ করি। তাই আমি যাকে বিয়ে করবো তার পুরুষাঙ্গ অবশ্যই ১২ ইঞ্চি লম্বা হতে হবে। নইলে আমি বিয়েতে কিছুতেই মত দেব না।
এবার রাজার মুখের হাসি মিলিয়ে গেল। গোমরা মুখে অনেক ক্ষণ কি ভাবলেন তিনি। চোখ থেকে তার দু'ফোঁটা অশ্রুও ঝরে পড়লো। তারপর তিনি ফোঁপাতে ফোঁপাতে বললেন - ঠিক আছে, আমি তোমার এ শর্তও মেনে নিলাম। আমি বাড়তি তিন ইঞ্চি কেটে ফেলবো। অবশ্যই কেটে ফেলবো।
244
গ্রীনল্যান্ডে, দুই এস্কিমো খুব সকালে এক চার্চে গিয়ে দরজা ধাক্কাতে লাগলো। এক পাদ্রি এসে দরজা খুলতেই একজন এস্কিমো প্রশ্ন করলো - আচ্ছা ফাদার, আপনাদের এখানে কি কোন বেঁটে নান কাজ করে যে কিনা তিন ফুটের মতো লম্বা?
ফাদার এদিক ওদিক মাথা নেড়ে বললেন - না হে, এরকম কোন নান এখানে কাজ করেন না।
এস্কিমোটা এবার একটু মলিন হয়ে জিজ্ঞেস করলো - আচ্ছা ফাদার, তবে কি এই এলাকার অন্য কোন চার্চে কোন বেঁটে নান কাজ করে?
ফাদার আবারো মাথা নাড়লেন - না এরকম কোন নান এ তল্লাটের কোথাও কাজ করে না।
অন্য এস্কিমোটা এবার হো হো করে হেসে উঠে মাটিতে গড়াগড়ি খেতে লাগলো। আর বলল - বলেছিলাম না ? তুই কোন নান না, রাতের আঁধারে একটা বড় পেঙ্গুইনের সাথে সেক্স করেছিস! হো হো হো হো!!!
245
জনৈক উত্তেজিত ব্যক্তির ফায়ার সার্ভিসে কথোপকথনঃ
-'ভাই, আমার বাড়িতে আগুন লেগেছে; তাড়াতাড়ি আসুন।'
-'আপনি থাকেন কোথায়?'
-'মাথার ঠিক নাই ভাই, সঠিক ঠিকানা মনে করতে পারছি না'
-'তো আমরা আসব কী করে?'
-'আহাম্মক কোথাকার! বড় লাল গাড়ীটাতে আসবেন আবার কী?';D
246
আমি বাঙালী, আমি বাংলাদেশী, আমি দক্ষিণ এশীয়.... কিন্তু সবার উপরে আমি একজন মানুষ... এটিই আমার পরিচয়।
আমি মুক্ত জীবনে বিশ্বাসী তাই আমি লিনাক্স ব্যবহার করি
246
এঞ্জিনিয়ারিং এ সদ্য ভর্তি হওয়া তিন ছাত্রের তর্কের বিষয়বিস্তু ‘মানবদেহ কে নকশা করতে পারে?’
প্রথমজন বলল, ‘বোধহয় মেকানিক্যাল এঞ্জিনিয়রের কাজ। লিভার, পিভট প্রভ্বতি সবকিছুই তো আছে মানব দেহে। এটা মেকানিক্যাল না হয়ে যায় না’
দ্বিতীয়জনের মতামত, ‘না, এটা ছিল ইলেকট্রিক্যাল এঞ্জিনিয়র। ব্রেইনে স্নায়ুগুলোর ওয়্যারিংটা দেখ। কি ভীষণ জটিল কারবার! ইলেকট্রিক্যাল ছাড়া আর কার সাধ্য??’
ত্বতীয়জন মুচকি হেসে, ‘না, হলো না। সিভিল এঞ্জিনিয়র হবে। এরা ছাড়া আর কে বিনোদনের জায়গা দিয়ে ময়লা পানির নালা টানবে!’:P:lol:
247
একদিন সকালে রাজা গোপাল ভাঁড়কে বললেন,
‘গোপাল কাল রাতে একটা মজার স্বপ্ন দেখেছি। স্বপ্নে দেখি আমরা দুইজন একসাথে একটা অচেনা পথ দিয়ে হাটছি। হাটতে হাটতে দুইজনই পথের দুই পাশের দুটো গর্তে পড়ে গেলাম। আমি পড়লাম ক্ষীরভর্তি গর্তে আর তুমি পড়লে পায়খানা ভর্তি গর্তে।’
দরবার ভর্তি লোকজন গোপালের এই দুরবস্থার কথা শুনে হেসে উঠলো।
তখন গোপাল বললো,
‘কি আশ্চর্য, রাজামশাই, আমিও তো একই স্বপ্ন দেখেছি।’
রাজা তো শুনে আরো খুশী।
গোপাল বললো, ‘স্বপ্নের পরের অংশ তো বললেন না।’
রাজা বললেন, ‘পরের অংশ তুমিই বলো।’ অসলে রাজা আর বানাতে পারছিলেন না।
গোপাল বললো, ‘গর্তে পড়ার পর আমাদের দুইজনের অবস্থাই তো খারাপ। এভাবে রাজধানীতে ফিরবো কি করে। শেষে ঠিক হলো, আমি আপনার শরীর চেটে পরিস্কার করবো এবং আপনি আমার শরীর চেটে পরিস্কার করবেন। এভাবে সাফ-সুতেরো হয়ে আমরা রাজধানীতে ফিরলাম।’
248
পথচারীঃ এই যে,
তুমি যে ভিক্ষা চাইছো,
তা কিভাবে বুঝবো যে তুমি চোখে দেখো না ?
ভিক্ষুকঃ ঐ যে দূরে একটা গরু দেখতাছেন না?
পথচারীঃ হ্যাঁ দেখা যাচ্ছে।
ভিক্ষুকঃ ওইটা আমি দেখতাছি না।
249
জাহাজটি তখন মহাসাগরে। গভীর সাগরে হঠাৎ জোরে শোরে ঝড় উঠল। জাহাজের অবস্থা খারাপ। ডুবে যাবার মতো অবস্থা।
ক্যাপ্টেন সাহেব সব যাত্রীকে ডেকে বললেন, জাহাজের ওজন অনেক বেশী হবার কারণে ডুবে যাচ্ছে। তাই আপনাদের জিনিসপত্র গুলো যার যার কাঁধে তুলে রাখুন। জাহাজ এতো বেশী ওজন বইতে পারবে না। দেরী করবেন না যেন।
250
জেলার ফাঁসীর আসামীকে বললেন: তোমার শেষ ইচ্ছে কি বল?
আমার স্ত্রীর হাতের রান্না খাওয়াতে পারবেন?
: তাহলে মরার আগে তুমি শান্তি পাবে?
: জ্বি না স্যার। ওর হাতের রান্না এমন জঘন্য যে তা খেলে আপনাকে আর কষ্ট করে ফাঁসির দড়ি পরাতে হবে না।
চারটি ইনসিওরেন্স কোম্পানির মধ্যে তুমুল প্রতিযোগিতা চলছে। প্রথমটা তাদের স্লোগান ঠিক করলো - "Coverage from the cradle to the grave."
দ্বিতীয়টি ঠিক এক কাঠি এগিয়ে বলল - "Coverage from the womb to the tomb."
তৃতীয়টি আরেক কাঠি সরেস, বলল - “Coverage from the sperm to the worm."
চতুর্থ কোম্পানিটি অনেক ভাবলো। ভেবে ভেবে কিছু না পেয়ে এক সময় ক্ষান্ত দিতে চাইলো। কিন্তু শেষ মুহুর্তে তারা একটা স্লোগান পেয়ে গেল - "Coverage from the erection to the resurrection."
242
ক্রিশ্চান নানেরা মৃত্যুর পরে স্বর্গে চলে যায়। তবে স্বর্গে প্রবেশের আগে তাদের জীবনের ছোট খাটো পাপগুলো ধুয়ে মুছে ফেলতে একটা বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তেমনি এক অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে সেইন্ট পিটার দাঁড়িয়ে আছেন স্বর্গের দ্বারে, পাশে এক বড় গামলা ভর্তি পবিত্র পানি নিয়ে। তার সামনে বেশ কিছু সংখ্যক নান সার বেধে দাঁড়িয়ে আছে। সেইন্ট পিটার মিহি গলায় তাদের সম্বোধন করে বললেন - তা, ভদ্রমহিলা সকল এবার আমাকে তোমরা বল যে, তোমাদের মধ্যে কে কে পুরুষদের এক বিশেষ অঙ্গের সংস্পর্শ পেয়েছিলে?
লাইনে সবার আগে যে নান দাঁড়ানো সে লজ্জিত স্বরে বলল - আমি একবার, কেবল একবার ওটা আমার হাতের দু’আঙুল দিয়ে স্পর্শ করেছিলাম।
সেইন্ট পিটার হেসে বললেন - ঠিক আছে, কোন সমস্যা নেই। তুমি তোমার আঙুল দু'টো এই পবিত্র পানিতে চুবিয়ে স্বর্গে প্রবেশ কর।
লাইনে দাঁড়ানো দ্বিতীয় নান বলল - আমি কেবল একবার আমার এ হাত দিয়ে ওটাকে মেসেজ করেছিলাম। তাও অল্প একটু সময়ের জন্য।
পিটার এবারো হাসলেন - কোই বাত নেহি। তোমার হাতটা পবিত্র পানিতে চুবিয়ে স্বর্গে প্রবেশ কর।
হঠাৎ লাইনে একটা হুলস্থুল লেগে গেল। একজন নান যে কিনা লাইনের অনেক পেছনে দাঁড়িয়ে ছিল সে হঠাৎ লাইন ভেঙে সামনে এগিয়ে আসতে চাইলো। আর অন্যান্য নানরা তাকে বাধা দিতে গেলে শুরু হয়ে গেল বচসা। পিটার ধমকে উঠলেন - এই কি হচ্ছে ওখানে?
লাইন ভাঙা নান বলে উঠলো - দেখুন সেইন্ট পিটার, আমাকে যদি ঐ পবিত্র পানি দিয়ে গার্গল করতেই হয়, তবে তা আমি সিস্টার মেরি তার নিতম্ব চুবানোর আগেই করতে চাই।
243
আফ্রিকার ছোট্ট এক দেশের রাজা গেছেন অ্যামেরিকায়। সেখানে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার অনেক টাকা লগ্লী করার কথা। এমন ধনকুবের রাজার মনরঞ্জনের জন্য সে কম্পানির তরফ থেকে একজন সুন্দরী সেক্রেটারি নিয়োগ দেয়া হলো। যার কাজ রাজাকে অ্যামেরিকার বিশেষ দর্শনিয় স্থানগুলো ঘুরিয়ে দেখানো।
তো, প্রথম দিনেই সে সুন্দরীকে দেখে রাজা তার প্রেমে পড়ে গেলেন। এবং তার কালো মুখে গদগদ হাসি ফুটিয়ে মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন। মেয়েটি তো পড়লো মহা বিপদে। কোম্পানি থেকে তাকে বলা হয়েছে রাজা যাতে কিছুতেই বিগড়ে না যান সেদিকে নজর রাখতে। তাই সে প্রথমে ব্যাপারটা হাসি মুখে এড়িয়ে যেতে চাইলো। কিন্তু রাজা নাছোড় বান্দা। তিনি যে কোন মুল্যে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চান।
মেয়েটি তখন একটা বুদ্ধি আঁটলো। সে রাজাকে বলল - ’দেখুন রাজা, আমার মতো সুন্দরী তো আর আপনি যেখানে সেখানে পাবেন না। তাই আমাকে বিয়ে করতে হলে আমার তিনটা ইচ্ছা আপনাকে পূরণ করতে হবে।’ রাজা জানালেন তিনি মেয়েটির যেকোন ইচ্ছা পূরণ করতে প্রস্তুত।
মেয়েটি তখন বলল - আমার প্রথম শর্ত আমার নামে সুইস ব্যাঙ্কে ১ বিলিয়ন ডলার ডিপোজিট করতে হবে।
শুনে রাজা মৃদু হাসলেন। তারপর নিজের মোবাইলটা নিয়ে কার সাথে কথা বললেন আফ্রিকান ভাষায় অনেক ক্ষণ। তারপর ফোন রেখে হেসে বললেন - ডিপোজিট হয়ে গেছে।
মেয়েটি একটু থমকে গেলেও দমলো না । বলল - ঠিক আছে, এবার আমার দ্বিতীয় শর্ত হচ্ছে, প্রশান্ত মহাসাগরে আমার নামে একটা গোটা দ্বীপ কিনতে হবে। এবং সেই দ্বীপে এক বিশাল প্রাসাদ বানিয়ে দিতে হবে। আর সেখানে যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার, ইয়ট থাকতে হবে।
এ শর্ত শুনেও রাজার হাসি ম্লান হলো না। তিনি আবার তার মোবাইল দিয়ে কাকে ফোন করলেন। অনেক ক্ষণ আফ্রিকান ভাষায় কথা বললেন। তারপর ফোন রেখে বললেন - তোমার এ শর্তও মানা হলো। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তোমার দ্বীপ এবং প্রাসাদ আর অন্যান্য সব তুমি পেয়ে যাবে।
মেয়েটি এবার সত্যি দমে গেল। এত কঠিন শর্তেও রাজা টলছে না। সে অনেক ভেবে তার তৃতীয় শর্তটা বলল - শুনুন রাজা, আমি সেক্স ভিষণ উপভোগ করি। তাই আমি যাকে বিয়ে করবো তার পুরুষাঙ্গ অবশ্যই ১২ ইঞ্চি লম্বা হতে হবে। নইলে আমি বিয়েতে কিছুতেই মত দেব না।
এবার রাজার মুখের হাসি মিলিয়ে গেল। গোমরা মুখে অনেক ক্ষণ কি ভাবলেন তিনি। চোখ থেকে তার দু'ফোঁটা অশ্রুও ঝরে পড়লো। তারপর তিনি ফোঁপাতে ফোঁপাতে বললেন - ঠিক আছে, আমি তোমার এ শর্তও মেনে নিলাম। আমি বাড়তি তিন ইঞ্চি কেটে ফেলবো। অবশ্যই কেটে ফেলবো।
244
গ্রীনল্যান্ডে, দুই এস্কিমো খুব সকালে এক চার্চে গিয়ে দরজা ধাক্কাতে লাগলো। এক পাদ্রি এসে দরজা খুলতেই একজন এস্কিমো প্রশ্ন করলো - আচ্ছা ফাদার, আপনাদের এখানে কি কোন বেঁটে নান কাজ করে যে কিনা তিন ফুটের মতো লম্বা?
ফাদার এদিক ওদিক মাথা নেড়ে বললেন - না হে, এরকম কোন নান এখানে কাজ করেন না।
এস্কিমোটা এবার একটু মলিন হয়ে জিজ্ঞেস করলো - আচ্ছা ফাদার, তবে কি এই এলাকার অন্য কোন চার্চে কোন বেঁটে নান কাজ করে?
ফাদার আবারো মাথা নাড়লেন - না এরকম কোন নান এ তল্লাটের কোথাও কাজ করে না।
অন্য এস্কিমোটা এবার হো হো করে হেসে উঠে মাটিতে গড়াগড়ি খেতে লাগলো। আর বলল - বলেছিলাম না ? তুই কোন নান না, রাতের আঁধারে একটা বড় পেঙ্গুইনের সাথে সেক্স করেছিস! হো হো হো হো!!!
245
জনৈক উত্তেজিত ব্যক্তির ফায়ার সার্ভিসে কথোপকথনঃ
-'ভাই, আমার বাড়িতে আগুন লেগেছে; তাড়াতাড়ি আসুন।'
-'আপনি থাকেন কোথায়?'
-'মাথার ঠিক নাই ভাই, সঠিক ঠিকানা মনে করতে পারছি না'
-'তো আমরা আসব কী করে?'
-'আহাম্মক কোথাকার! বড় লাল গাড়ীটাতে আসবেন আবার কী?';D
246
আমি বাঙালী, আমি বাংলাদেশী, আমি দক্ষিণ এশীয়.... কিন্তু সবার উপরে আমি একজন মানুষ... এটিই আমার পরিচয়।
আমি মুক্ত জীবনে বিশ্বাসী তাই আমি লিনাক্স ব্যবহার করি
246
এঞ্জিনিয়ারিং এ সদ্য ভর্তি হওয়া তিন ছাত্রের তর্কের বিষয়বিস্তু ‘মানবদেহ কে নকশা করতে পারে?’
প্রথমজন বলল, ‘বোধহয় মেকানিক্যাল এঞ্জিনিয়রের কাজ। লিভার, পিভট প্রভ্বতি সবকিছুই তো আছে মানব দেহে। এটা মেকানিক্যাল না হয়ে যায় না’
দ্বিতীয়জনের মতামত, ‘না, এটা ছিল ইলেকট্রিক্যাল এঞ্জিনিয়র। ব্রেইনে স্নায়ুগুলোর ওয়্যারিংটা দেখ। কি ভীষণ জটিল কারবার! ইলেকট্রিক্যাল ছাড়া আর কার সাধ্য??’
ত্বতীয়জন মুচকি হেসে, ‘না, হলো না। সিভিল এঞ্জিনিয়র হবে। এরা ছাড়া আর কে বিনোদনের জায়গা দিয়ে ময়লা পানির নালা টানবে!’:P:lol:
247
একদিন সকালে রাজা গোপাল ভাঁড়কে বললেন,
‘গোপাল কাল রাতে একটা মজার স্বপ্ন দেখেছি। স্বপ্নে দেখি আমরা দুইজন একসাথে একটা অচেনা পথ দিয়ে হাটছি। হাটতে হাটতে দুইজনই পথের দুই পাশের দুটো গর্তে পড়ে গেলাম। আমি পড়লাম ক্ষীরভর্তি গর্তে আর তুমি পড়লে পায়খানা ভর্তি গর্তে।’
দরবার ভর্তি লোকজন গোপালের এই দুরবস্থার কথা শুনে হেসে উঠলো।
তখন গোপাল বললো,
‘কি আশ্চর্য, রাজামশাই, আমিও তো একই স্বপ্ন দেখেছি।’
রাজা তো শুনে আরো খুশী।
গোপাল বললো, ‘স্বপ্নের পরের অংশ তো বললেন না।’
রাজা বললেন, ‘পরের অংশ তুমিই বলো।’ অসলে রাজা আর বানাতে পারছিলেন না।
গোপাল বললো, ‘গর্তে পড়ার পর আমাদের দুইজনের অবস্থাই তো খারাপ। এভাবে রাজধানীতে ফিরবো কি করে। শেষে ঠিক হলো, আমি আপনার শরীর চেটে পরিস্কার করবো এবং আপনি আমার শরীর চেটে পরিস্কার করবেন। এভাবে সাফ-সুতেরো হয়ে আমরা রাজধানীতে ফিরলাম।’
248
পথচারীঃ এই যে,
তুমি যে ভিক্ষা চাইছো,
তা কিভাবে বুঝবো যে তুমি চোখে দেখো না ?
ভিক্ষুকঃ ঐ যে দূরে একটা গরু দেখতাছেন না?
পথচারীঃ হ্যাঁ দেখা যাচ্ছে।
ভিক্ষুকঃ ওইটা আমি দেখতাছি না।
249
জাহাজটি তখন মহাসাগরে। গভীর সাগরে হঠাৎ জোরে শোরে ঝড় উঠল। জাহাজের অবস্থা খারাপ। ডুবে যাবার মতো অবস্থা।
ক্যাপ্টেন সাহেব সব যাত্রীকে ডেকে বললেন, জাহাজের ওজন অনেক বেশী হবার কারণে ডুবে যাচ্ছে। তাই আপনাদের জিনিসপত্র গুলো যার যার কাঁধে তুলে রাখুন। জাহাজ এতো বেশী ওজন বইতে পারবে না। দেরী করবেন না যেন।
250
জেলার ফাঁসীর আসামীকে বললেন: তোমার শেষ ইচ্ছে কি বল?
আমার স্ত্রীর হাতের রান্না খাওয়াতে পারবেন?
: তাহলে মরার আগে তুমি শান্তি পাবে?
: জ্বি না স্যার। ওর হাতের রান্না এমন জঘন্য যে তা খেলে আপনাকে আর কষ্ট করে ফাঁসির দড়ি পরাতে হবে না।
General joke 231-240
131
দৌড়ে ডাক্তারের কাছে এসে এক ভদ্র মহিলা জানালেন তার স্বামীর পেটে একটা ইঁদুর ঢুকে গেছে। ভয় নেই, ডাক্তার অভয় দিলেন। আপনার স্বামীর মুখের কাছে একটা শুঁটকি নাড়তে থাকুন, ইঁদুর বের হয়ে আসবে। আমিও এসে যাচ্ছি কিছেক্ষণের মধ্যে। বাড়ীতে গিয়ে ডাক্তার সাহেব দেখলেন ভদ্রমহিলা তার স্বামীর মুখের সামনে এক বাটি দুধ ধরে চুকচুক করছেন।
কি ব্যাপার ? ডাক্তার বিরক্ত হয়ে বললেন, ইঁদুর কখনো দুধ খায় ? আপনাকে না শুঁটকি নাড়তে বলেছি। তা বলেছেন। ভদ্রমহিলার উত্তর, কিন্তু ইঁদুরটা ধরার জন্য যে ওর পেটে আমি বেড়াল ঢুকিয়ে দিয়েছি। আগে তো ওটা বের করি।
132
একজন মানুষকে টেলিগ্রাম করা হলঃ বউ মারা গেছে, কবর দিব নাকি পুড়িয়ে ফেলব ?সেই মানুষ সাথে সাথে উত্তর পাঠালঃ কোন রিস্ক নেবার দরকার নাই; প্রথমে পোড়ান, তারপর সেই ছাই কবর দিন।
133
আদালতে বিচার চলছিলো। আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে একটি মেয়েকে অশ্লীল প্রস্তাব জানিয়েছে। মেয়েটিকে যখন বলা হলো আসামী তাকে কি প্রস্তাব দিয়েছিলো, সবার সামনে সে কথা বলতে মেয়েটি ভীষণ লজ্জা পেলো। আসামীর প্রস্তাবটা সে এক টুকরো কাগজে লিখে দিলো। জজ সাহেব কাগজটা পড়ে তা জুরীদের কাছে পাঠিয়ে দিলেন। জুরীর প্রত্যেকে একে একে কাগজটা পড়ে সেটা পাশের জনকে বাড়িয়ে দিচ্ছিলেন। জুরীদের মধ্যে একজন সুন্দরী মহিলাও ছিলেন। কাগজটা পড়ে পাশের জনকে দিতে গিয়ে তিনি দেখলেন, পাশের ভদ্রলোক ঝিমোচ্ছেন। তাঁকে মৃদু খোঁচা দিয়ে জাগিয়ে কাগজটা তাঁর হাতে গুঁজে দিলেন। ভদ্রলোক কাগজটা পড়ার পর মহিলা সদস্যার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসলেন, ঘাড় নেড়ে সম্মতি জানালেন। তারপর কাগজটা পকেটে রেখে হাসি মুখে বসে রইলেন। কাগজে লেখা ছিলো “আমার সাথে বিছানায় যাবেন ?
134
রিয়াদ সাহেবের কান দুটি কাটা পড়েছে বহু আগে। টিভিতে খবরের জন্যে একজন রিপোর্টার খুঁজছেন তিনি। ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রথম প্রার্থীকে জিজ্ঞেস করলেন তিনি, ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’ প্রার্থী একগাল হেসে বললো, ‘নিশ্চয়ই স্যার। আপনার তো দুটা কানই কাটা!’ রিয়াদ সাহেব গর্জে উঠলেন, ‘বেরো এখান থেকে, ব্যাটা নচ্ছাড়!’দ্বিতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি। ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার ... খেয়ালে রাখতে হয়। তা, আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’ দ্বিতীয় প্রার্থী খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে বললো, ‘জ্বি স্যার। আপনার তো দুটা কানই কাটা!’ রিয়াদ সাহেব গর্জে উঠলেন, ‘বেরো এখান থেকে, ব্যাটা ফাজিল!’ তৃতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি। ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’ এবার প্রার্থী বললো, ‘জ্বি স্যার। আপনি কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে আছেন।’ রিয়াদ সাহেব খুশি হয়ে বললেন, ‘বাহ, আপনি তো বেশ --- তা কিভাবে বুঝলেন ?’ ‘সোজা। আপনি চশমা পরবেন কিভাবে, আপনার তো দুটা কানই কাটা!
135
সুধীর বাবুর বাড়ীতে পুলিশ সার্চ করতে এলো। সার্চ করতে গিয়ে পুলিশ জাল নোট ছাপার যন্ত্রপাতি,রঙ এবং এ সংক্রান্ত আরো অনেক কিছুই পেলো। অবশ্য কোন জাল নোট পাওয়া গেলোনা।
পুলিশঃ নোট জাল করে ছাপার অপরাধে আপনাকে গ্রেফতার করছি।
সুধীর বাবুঃ একটাও কি জাল নোট পেয়েছেন ?
পুলিশঃ না, তা পাইনি। কিন্তু ছাপাবার যন্ত্র পেয়েছি। যন্ত্র থাকলেই আপনাকে আমরা গ্রেফতার করতে পারি।
সুধীর বাবুঃ তাহলে একটা মেয়েকে ধর্ষণ করার অপরাধেও আমাকে গ্রেফতার করুন।
পুলিশঃ কেন ? আপনি কি কোন মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন ?
সুধীর বাবুঃ না তা করিনি। কিন্তু ধর্ষণ করার যন্ত্রতো আমার কাছে আছে।
136
রাজা কৃষ্ণচন্দ্র সব সভাসদদের সামনে গোপালকে জব্দ করার উদ্দেশ্যে বলছেন, ‘বুঝলে গোপাল, আমার সাথে তোমার চেহারার কিন্তু দারুণ মিল! তা বাবার শাসনামলে তোমার মা কি এদিকে আসতেন-টাসতেন নাকি?’
গদগদ হয়ে গোপাল বলে, ‘আজ্ঞে না রাজামশাই! তবে মা না এলেও বাবা কিন্তু প্রায়শই আসতেন!’
137
মন্দিরে ঢুকতে যাবার সময় পেছন থেকে পন্ডিতের বাঁধা, ‘এ তুমি কী করছো গোপাল! মন্দিরে কুকুর নিয়ে ঢুকছো?’
‘কোথায় কুকুর?’ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে গোপাল।
‘এই তো তোমার পেছনে!’ একটি কুকুরের দিকে হাত তুলে দেখায় পন্ডিত।
‘এটি আমার কুকুর নয়!’
‘তোমার নয় বললেই হলো?’ রাগ দেখিয়ে বলে পন্ডিত, ‘তোমার পেছন পেছনেই তো যাচ্ছে!’
‘বটে? তা তুমিও তো আমার পেছন পেছন আসছো!
138
গোপাল একবার তার দুই বেয়াই-এর সাথে এক জায়গায় যাচ্ছিল। পথের ধারে দক্ষিণমুখো হয়ে সে প্রস্রাব করতে বসলে এক বেয়াই বলল, “আরে করেন কি, আপনি জানেন না, দিনের বেলা দক্ষিণমুখো হয়ে প্রস্রাব করতে নেই, শাস্ত্রে নিষেধ আছে যে!”
অপর বেয়াই বলল, “শুনেছি উত্তরমুখো হয়েও নাকি ওই কাজটি করতে নেই।”
গোপাল বলল, “ওসব পন্ডিতলোকদের বচন, আমি গাঁইয়া মুখ্যুসুখ্যু মানুষ, ওসব বাছবিছার আমি করি না, সব মুখেই প্রস্রাব করি। বড় বেয়াই যে মুখে বললেন সে মুখে করি আর ছোট বেয়াই যে মুখে বললেন সে মুখেও করি।”
গোপালের মুখের কথা শুনে বেয়াইদের মুখে আর কথা নেই
139
অফিসের পরিচালক নতুন কর্মচারীকে রাগ করে বলছেন, আমাকে আপনি কী ভেবেছেন, আমি কি গাধা?
কর্মচারী: সেটা আমি জানব কী করে! আমি তো নতুন এসেছি।
140
তুই জেলে গিয়েছিস শুনে তোর বাবা কি বলল ?
সাবাশ তুইও এসে গেছিস ।
দৌড়ে ডাক্তারের কাছে এসে এক ভদ্র মহিলা জানালেন তার স্বামীর পেটে একটা ইঁদুর ঢুকে গেছে। ভয় নেই, ডাক্তার অভয় দিলেন। আপনার স্বামীর মুখের কাছে একটা শুঁটকি নাড়তে থাকুন, ইঁদুর বের হয়ে আসবে। আমিও এসে যাচ্ছি কিছেক্ষণের মধ্যে। বাড়ীতে গিয়ে ডাক্তার সাহেব দেখলেন ভদ্রমহিলা তার স্বামীর মুখের সামনে এক বাটি দুধ ধরে চুকচুক করছেন।
কি ব্যাপার ? ডাক্তার বিরক্ত হয়ে বললেন, ইঁদুর কখনো দুধ খায় ? আপনাকে না শুঁটকি নাড়তে বলেছি। তা বলেছেন। ভদ্রমহিলার উত্তর, কিন্তু ইঁদুরটা ধরার জন্য যে ওর পেটে আমি বেড়াল ঢুকিয়ে দিয়েছি। আগে তো ওটা বের করি।
132
একজন মানুষকে টেলিগ্রাম করা হলঃ বউ মারা গেছে, কবর দিব নাকি পুড়িয়ে ফেলব ?সেই মানুষ সাথে সাথে উত্তর পাঠালঃ কোন রিস্ক নেবার দরকার নাই; প্রথমে পোড়ান, তারপর সেই ছাই কবর দিন।
133
আদালতে বিচার চলছিলো। আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে একটি মেয়েকে অশ্লীল প্রস্তাব জানিয়েছে। মেয়েটিকে যখন বলা হলো আসামী তাকে কি প্রস্তাব দিয়েছিলো, সবার সামনে সে কথা বলতে মেয়েটি ভীষণ লজ্জা পেলো। আসামীর প্রস্তাবটা সে এক টুকরো কাগজে লিখে দিলো। জজ সাহেব কাগজটা পড়ে তা জুরীদের কাছে পাঠিয়ে দিলেন। জুরীর প্রত্যেকে একে একে কাগজটা পড়ে সেটা পাশের জনকে বাড়িয়ে দিচ্ছিলেন। জুরীদের মধ্যে একজন সুন্দরী মহিলাও ছিলেন। কাগজটা পড়ে পাশের জনকে দিতে গিয়ে তিনি দেখলেন, পাশের ভদ্রলোক ঝিমোচ্ছেন। তাঁকে মৃদু খোঁচা দিয়ে জাগিয়ে কাগজটা তাঁর হাতে গুঁজে দিলেন। ভদ্রলোক কাগজটা পড়ার পর মহিলা সদস্যার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসলেন, ঘাড় নেড়ে সম্মতি জানালেন। তারপর কাগজটা পকেটে রেখে হাসি মুখে বসে রইলেন। কাগজে লেখা ছিলো “আমার সাথে বিছানায় যাবেন ?
134
রিয়াদ সাহেবের কান দুটি কাটা পড়েছে বহু আগে। টিভিতে খবরের জন্যে একজন রিপোর্টার খুঁজছেন তিনি। ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রথম প্রার্থীকে জিজ্ঞেস করলেন তিনি, ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’ প্রার্থী একগাল হেসে বললো, ‘নিশ্চয়ই স্যার। আপনার তো দুটা কানই কাটা!’ রিয়াদ সাহেব গর্জে উঠলেন, ‘বেরো এখান থেকে, ব্যাটা নচ্ছাড়!’দ্বিতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি। ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার ... খেয়ালে রাখতে হয়। তা, আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’ দ্বিতীয় প্রার্থী খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে বললো, ‘জ্বি স্যার। আপনার তো দুটা কানই কাটা!’ রিয়াদ সাহেব গর্জে উঠলেন, ‘বেরো এখান থেকে, ব্যাটা ফাজিল!’ তৃতীয় প্রার্থীকেও একই প্রশ্ন করলেন তিনি। ‘দেখুন, এ পেশায় খুব মনোযোগী হতে হয়, অনেক সূক্ষ্ম ব্যাপার খেয়ালে রাখতে হয়। আপনি কি আমার সম্পর্কে এমন কিছু খেয়াল করতে পারছেন?’ এবার প্রার্থী বললো, ‘জ্বি স্যার। আপনি কন্ট্যাক্ট লেন্স পরে আছেন।’ রিয়াদ সাহেব খুশি হয়ে বললেন, ‘বাহ, আপনি তো বেশ --- তা কিভাবে বুঝলেন ?’ ‘সোজা। আপনি চশমা পরবেন কিভাবে, আপনার তো দুটা কানই কাটা!
135
সুধীর বাবুর বাড়ীতে পুলিশ সার্চ করতে এলো। সার্চ করতে গিয়ে পুলিশ জাল নোট ছাপার যন্ত্রপাতি,রঙ এবং এ সংক্রান্ত আরো অনেক কিছুই পেলো। অবশ্য কোন জাল নোট পাওয়া গেলোনা।
পুলিশঃ নোট জাল করে ছাপার অপরাধে আপনাকে গ্রেফতার করছি।
সুধীর বাবুঃ একটাও কি জাল নোট পেয়েছেন ?
পুলিশঃ না, তা পাইনি। কিন্তু ছাপাবার যন্ত্র পেয়েছি। যন্ত্র থাকলেই আপনাকে আমরা গ্রেফতার করতে পারি।
সুধীর বাবুঃ তাহলে একটা মেয়েকে ধর্ষণ করার অপরাধেও আমাকে গ্রেফতার করুন।
পুলিশঃ কেন ? আপনি কি কোন মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন ?
সুধীর বাবুঃ না তা করিনি। কিন্তু ধর্ষণ করার যন্ত্রতো আমার কাছে আছে।
136
রাজা কৃষ্ণচন্দ্র সব সভাসদদের সামনে গোপালকে জব্দ করার উদ্দেশ্যে বলছেন, ‘বুঝলে গোপাল, আমার সাথে তোমার চেহারার কিন্তু দারুণ মিল! তা বাবার শাসনামলে তোমার মা কি এদিকে আসতেন-টাসতেন নাকি?’
গদগদ হয়ে গোপাল বলে, ‘আজ্ঞে না রাজামশাই! তবে মা না এলেও বাবা কিন্তু প্রায়শই আসতেন!’
137
মন্দিরে ঢুকতে যাবার সময় পেছন থেকে পন্ডিতের বাঁধা, ‘এ তুমি কী করছো গোপাল! মন্দিরে কুকুর নিয়ে ঢুকছো?’
‘কোথায় কুকুর?’ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে গোপাল।
‘এই তো তোমার পেছনে!’ একটি কুকুরের দিকে হাত তুলে দেখায় পন্ডিত।
‘এটি আমার কুকুর নয়!’
‘তোমার নয় বললেই হলো?’ রাগ দেখিয়ে বলে পন্ডিত, ‘তোমার পেছন পেছনেই তো যাচ্ছে!’
‘বটে? তা তুমিও তো আমার পেছন পেছন আসছো!
138
গোপাল একবার তার দুই বেয়াই-এর সাথে এক জায়গায় যাচ্ছিল। পথের ধারে দক্ষিণমুখো হয়ে সে প্রস্রাব করতে বসলে এক বেয়াই বলল, “আরে করেন কি, আপনি জানেন না, দিনের বেলা দক্ষিণমুখো হয়ে প্রস্রাব করতে নেই, শাস্ত্রে নিষেধ আছে যে!”
অপর বেয়াই বলল, “শুনেছি উত্তরমুখো হয়েও নাকি ওই কাজটি করতে নেই।”
গোপাল বলল, “ওসব পন্ডিতলোকদের বচন, আমি গাঁইয়া মুখ্যুসুখ্যু মানুষ, ওসব বাছবিছার আমি করি না, সব মুখেই প্রস্রাব করি। বড় বেয়াই যে মুখে বললেন সে মুখে করি আর ছোট বেয়াই যে মুখে বললেন সে মুখেও করি।”
গোপালের মুখের কথা শুনে বেয়াইদের মুখে আর কথা নেই
139
অফিসের পরিচালক নতুন কর্মচারীকে রাগ করে বলছেন, আমাকে আপনি কী ভেবেছেন, আমি কি গাধা?
কর্মচারী: সেটা আমি জানব কী করে! আমি তো নতুন এসেছি।
140
তুই জেলে গিয়েছিস শুনে তোর বাবা কি বলল ?
সাবাশ তুইও এসে গেছিস ।
মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০১০
General Joke 221-230
221:
ফকিরঃ আব্বা দশটা টাকা দেন, চা খাব।
পথচারীঃ চা তো ৫ টাকা।
ফকিরঃ গালফ্রেন্ড নিয়ে খাব।
পথচারীঃ ফকির হয়ে গালফ্রেন্ড বানাইছো।
ফকিরঃ না গালফ্রেন্ড আমাকে ফকির বানাইছে।
টিনা রাস্তা দিয়ে হাঁটছে।
222:
পাখির দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় একটা খাঁচার তোতাপাখি তাকে দেখে বললো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!'
টিনা চটে গেলেও কিছু বললো না, পাখির কথায় কী আসে যায়?
পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও একই ঘটনা ঘটলো, পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!'
টিনা দাঁতে দাঁত চেপে হজম করে গেলো।
তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!'
এবার টিনা মহা চটে দোকানের ম্যানেজারকে হুমকি দিলো, সে মাস্তান লেলিয়ে এই দোকানের বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে। ম্যানেজার মাপ চেয়ে বললো, সে এর বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, পাখিটা আর এমন করবে না।
তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু!'
টিনা থমকে দাঁড়িয়ে পাখির মুখোমুখি হলো, 'কী?'
পাখিটা বললো, 'বুঝতেই তো পারছেন।'
223:
স্বামীঃ আচ্ছা বিয়ের আগে তোমাকে কেউ চুমু খেয়েছিলো?
স্ত্রীঃ একবার পিকনিকে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাকে একা পেয়ে একটা ছেলে ছোরা বের করে বলেছিলো, যদি চুমু না খাও, তাহলে খুন করে ফেলবো।
স্বামীঃ তারপর তুমি চুমু খেতে দিলে?
স্ত্রীঃ দেখতেই পাচ্ছো, আমি এখনও বেঁচে আছি।
224:
ডাক্তার: সব ঠিক আছে, চিন্তার কিছু নেই। এখন থেকে রোজ বেশি করে ফল খাবেন। তবে বিশেষ করে ফলের খোসাতেই বেশি ভিটামিন, জানেন তো? তা আপনার কোন ফল বেশি প্রিয়? রোগী: আজ্ঞে, নারকেল।
225:
এক ইংরেজ ভদ্রলোক বাজারে গিয়েছেন। এক মাছওয়ালা তাঁকে ডেকে বললেন, এই বড় মাছটা লইয়া যান সাব।
ইংরেজ ভদ্রলোক: How much? মানে দাম কত?
মাছওয়ালা তাড়াতাড়ি বলে উঠলেন, না না স্যার, এইটা হাউ মাছ না, এইটা অইল রুই মাছ।
226:
এক ধার্মিক ব্যক্তি আর এক নাস্তিক পাশাপাশি হাটছিল। ধার্মিক ব্যক্তি স্বভাবসুলভ পাশের ব্যক্তিটিকে নামাজ-রোজা এসবের ফজিলত বর্ননা শুরু করতেই নাস্তিক ব্যক্তির প্রশ্ন: আপনি আল্লাহরে বিশ্বাস করেন?
ধার্মিক ব্যক্তি একটু থতমত খেয়ে জবাব দেয়: হ্যা।
নাস্তিক: কেন?
ধার্মিক: বাহ, আমাদের সৃষ্টিকর্তা, আমাদের পালনকর্তাকে বিশ্বাস করবো না?
নাস্তিক মহাশয় এবার একটা ব্যঙ্গ হাসি হেসে বললো: আপনি দেখেছেন কখনো আল্লাহকে? আর, আল্লাহকে মানতে গেলে তো ভাগ্যকেও মানতে হয়- ভালো আর মন্দ তাহলে তো সবই আল্লাহরই কাজ- তাতে আমাদের কি কোন হাত আছে?
নাস্তিকের প্রশ্ন দুটি শুনে ধার্মিক ব্যক্তি কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলো। তারপর, হঠাৎ করেই একটা ইট তুলে- নাস্তিকের মাথায় মেরে বসলো।
থানা-পুলিশ হয়ে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালো। বিচারক ধার্মিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন: আপনাকে ঐ ব্যক্তি দুটো প্রশ্ন করলো- আর আপনি তাকে এভাবে আঘাত করলেন? বেচারি কত ব্যথা পেলো!
ধার্মিক ব্যক্তি: আমি তার দুটি প্রশ্নের জবাব এক ইট দিয়ে দিয়েছি।
বিচারক: সেটা কিভাবে?
ধার্মিক ব্যক্তি: সে বলেছে যা দেখা যায় না,তা বিশ্বাস করা যায় না। তাহলে সে যে ব্যথা পাচ্ছে তা তো আপনি আমি কেউ দেখছিনা। সে শুধু অনুভব করছে।
বিচারক: আর, দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর?
ধার্মিক ব্যক্তি: ওটা তার কপালে লেখা ছিল।
227:
এক মুসলমান অন্ধ ব্যক্তি ধর্ম-কর্মের ব্যাপারে খুবই উদাসীন। এমনকি জুম্মার নামাজটাও সে পড়তে যায় না। সুরা-দোয়া-দরুদ কিছু তার মুখস্ত নেই। পাড়ায় সবাই খুব নিন্দে করে। নিন্দে শুনে তার বউ এর খুব মন খারাপ হয় এবং এসে স্বামির সাথে খুব হাম্বিতাম্বি করে। কিন্তু অন্ধ লোকটি যেমন তেমনই থাকে; খালি হাই তুলে বলে: অন্ধ মানুষ- আল্লাহ নিশ্চয়ই সব ভুল-চুক মাফ করে দিবেন।
পাড়ার মসজিদের ইমামের কাছে অনেকেই নালিশ তুলেন। ইমাম নিজে খোড়া, তাই অন্ধলোকটির প্রতি কিছুটা সহানুভূতি ছিল। কিন্তু তিনিও শেষ পর্যন্ত আর ধৈর্য রাখতে পারলেন না- অন্ধলোকের বাড়িতে গিয়ে ফতোয়া দিয়ে আসলনে- পরের জুম্মায় তাকে যদি মসজিদে না দেখা যায়- তবে তাদেরকে একঘরে করা হবে। শুনে অন্ধলোকের বউ তো কেদেকেটে একাকার, সেও জানিয়ে দিলো- এবারের জুম্মায় তার স্বামি না গেলে- সে আত্মহত্যা করবে। উপায়ন্তর না দেখে জুম্মাবারে নামাজ পড়তে অন্ধলোকটি মসজিদে গিয়ে হাজির।
জামাতে অনেকের সাথে দাড়িয়েছে নামাজ পড়ার জন্য। ইমাম আল্লাহু আকবর বলে নামাজ শুরু করেছে। সুরা পাঠ শুরু হয়েছে- আলহামদুলিল্লাহ…। অন্ধলোকটি শুনছে আর ভাবছে- এগুলো কি বলছে, এসবের মানে কি? কিছুই বুঝতে পারছে না - বুঝার চেস্টা করছে- বুঝা যাচ্ছে না: এমন সময় দেখে ইমামের একটি বাক্যের আংশিক সে বুঝতে পারছে: ইয়া কানা বুদুয়া ইয়া কানাস্তাইন…। কিন্তু শুনেই তো অন্ধলোকের পুরা মাথা গরম। সে কানা বলে তাকে নিয়ে মশকরা! ল্যাংড়া ইমামের মনে তাহলে এটাই ছিল! তাকে ডেকে সকলের মধ্যে এমন অপমান!
অন্ধলোকটি দমার পাত্র না, সে কোনমতেই ছাড় দিতে রাজী হলো না। সেও চিৎকার করে উঠলো: ইয়া ল্যাংড়া বুদুয়া ইয়া ল্যাংড়াস্তাইন….
229:
মসজিদের ইমাম মসজিদেই এলাকার বাচ্চা - কাচ্চাদের কায়দা-আমপাড়া শেখান। তো, একদিন শহর থেকে মাদ্রাসার বড় হুজুর আসাতে ইমাম সাহেব ভাবলেন, বাচ্চাদের সাথে বড় হুজুরের সাক্ষাৎ হলে মন্দ হয় না। যেমন ভাবা তেমন কাজ।
বড় হুজুর এসে বাচ্চাদের উদ্দেশ্যে ধর্ম-কর্ম নিয়ে কিছুক্ষণ ওয়াজ নসিহত করলেন। তারপরে চলে যাওয়ার আগে কি মনে করে যেন- বাচ্চাদের কাছে এক এক করে জিজ্ঞেস করতে লাগলেন- বড় হয়ে কে কি হতে চায়।
: বল তো বাবা, বড় হয়ে তুমি কি হতে চাও?
: আমি বাবার মতো কৃষক হবো।
: বাহ বেশ ভালো, বেশ ভালো। মানুষের ক্ষুদা নিবারনে কাজ করা খুবই সোয়াবের কাজ।
আরেকজনের দিকে তাকিয়ে: তো তুমি বলতো বাবা- কি হতে চাও?
: আমি বড় হয়ে শিক্ষক হবো।
: মা’শাল্লাহ। এটা আরো ভালো। মানুষের আত্মার ক্ষুদা নিবারণ হবে তাতে। এটাতে অনেক সোয়াব হবে।
আরেকজনকে: তুমি কি হতে চাও?
: আমি হুজুর হবো।
: মা’শাল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! এটা তো সবচেয়ে ভালো কাজ। মানুষের ইহজগত-পরলোক সমস্ত ক্ষুদা নিবারণে তুমি কাজ করবে। আল্লাহ অনেক খুশি হবেন- অনেক সোয়াব দিবেন। …
উচ্ছাস একটু কমলে বাচ্চাটিকে আবার প্রশ্ন করেন: আচ্ছা বাবা, তোমার কেন এমন হুজুর হতে ইচ্ছা?
: আমরা খুব গরীব, ঠিক মত খাবার পাই না। তারপরেও যখন বাসায় হুজুর আসেন- মা বাসার মুরগী জবাই করে ওনাকে খুব যত্ন করে খাওয়ান।
230:
দুই বন্ধু, একজন আস্তিক আরেকজন নাস্তিক।
একদিন দুই বন্ধু মিলে পাখি শিকারে গেল। তো, প্রতিবার গুলি করে পাখি মরছিল না- আর নাস্তিক বন্ধু বিরক্তির স্বরে বলে উঠে: ধুর! বালটা মিস হয়া গেল!!
শুনে আস্তিক বন্ধু কানে হাত দিয়ে সংশোধন করে দেয়: আমরা আমাদের মুখ সামলে রাখি, নচেত আল্লাহ রাগ করিবেন…
নাস্তিক বন্ধু সরি-টরি করে আবার পাখি শিকারে ব্যস্ত হলো।
আবার কিছুক্ষণ পরে টার্গেট করে গুলি ছুড়লো- কিন্তু পাখি মরলো না। বিরক্ত হয়ে বলে উঠলো: ধুর! বালটা আবার মিস হয়া গেল!!
: আমরা আমাদের মুখ সামলে রাখি, নচেত আল্লাহ রাগ করিবেন… (একটু রাগত স্বরে ও উচ্চস্বরে)
: সরি সরি…
আবার একই ঘটনা….
: ধুর! বালটা মিস হয়া গেল!!
: আমরা আমাদের মুখ সামলে রাখি, নচেত আল্লাহ রাগ করিবেন… (আরো রেগে আরো চিৎকার করে)
: সরি সরি সরি…. (প্রায় হাত-পা ধরা অবস্থা)
কিছুক্ষণ পর। একটা পাখির দিকে টার্গেট করেছে নাস্তিক বন্ধু, গুলি ছুড়লো- কিন্তু আবারো মিস…
: ধুর! বালটা মিস হয়া গেল!!
: আমরা আমাদের মুখ সামলে রাখি, নচেত আল্লাহ রাগ করিবেন… (এবারে চরম ক্ষেপে গিয়ে সহ্যের শেষ সীমায় পৌঁছে চিৎকার করে)
: স……..
নাস্তিক বন্ধুটি কথা শেষ করতে পারলো না…….
তার আগেই প্রচণ্ড আওয়াজ হয়ে একটি বাজ নেমে আসলো….
দেখা গেল- সেই বাজে আস্তিক বন্ধুটি মরে পড়ে আছে…..
এবং….
আকাশ থেকে একটি গায়েবী আওয়াজ শোনা গেল
: ধুর! বালটা মিস হয়া গেল!!
ফকিরঃ আব্বা দশটা টাকা দেন, চা খাব।
পথচারীঃ চা তো ৫ টাকা।
ফকিরঃ গালফ্রেন্ড নিয়ে খাব।
পথচারীঃ ফকির হয়ে গালফ্রেন্ড বানাইছো।
ফকিরঃ না গালফ্রেন্ড আমাকে ফকির বানাইছে।
টিনা রাস্তা দিয়ে হাঁটছে।
222:
পাখির দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় একটা খাঁচার তোতাপাখি তাকে দেখে বললো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!'
টিনা চটে গেলেও কিছু বললো না, পাখির কথায় কী আসে যায়?
পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও একই ঘটনা ঘটলো, পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!'
টিনা দাঁতে দাঁত চেপে হজম করে গেলো।
তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!'
এবার টিনা মহা চটে দোকানের ম্যানেজারকে হুমকি দিলো, সে মাস্তান লেলিয়ে এই দোকানের বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে। ম্যানেজার মাপ চেয়ে বললো, সে এর বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, পাখিটা আর এমন করবে না।
তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু!'
টিনা থমকে দাঁড়িয়ে পাখির মুখোমুখি হলো, 'কী?'
পাখিটা বললো, 'বুঝতেই তো পারছেন।'
223:
স্বামীঃ আচ্ছা বিয়ের আগে তোমাকে কেউ চুমু খেয়েছিলো?
স্ত্রীঃ একবার পিকনিকে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাকে একা পেয়ে একটা ছেলে ছোরা বের করে বলেছিলো, যদি চুমু না খাও, তাহলে খুন করে ফেলবো।
স্বামীঃ তারপর তুমি চুমু খেতে দিলে?
স্ত্রীঃ দেখতেই পাচ্ছো, আমি এখনও বেঁচে আছি।
224:
ডাক্তার: সব ঠিক আছে, চিন্তার কিছু নেই। এখন থেকে রোজ বেশি করে ফল খাবেন। তবে বিশেষ করে ফলের খোসাতেই বেশি ভিটামিন, জানেন তো? তা আপনার কোন ফল বেশি প্রিয়? রোগী: আজ্ঞে, নারকেল।
225:
এক ইংরেজ ভদ্রলোক বাজারে গিয়েছেন। এক মাছওয়ালা তাঁকে ডেকে বললেন, এই বড় মাছটা লইয়া যান সাব।
ইংরেজ ভদ্রলোক: How much? মানে দাম কত?
মাছওয়ালা তাড়াতাড়ি বলে উঠলেন, না না স্যার, এইটা হাউ মাছ না, এইটা অইল রুই মাছ।
226:
এক ধার্মিক ব্যক্তি আর এক নাস্তিক পাশাপাশি হাটছিল। ধার্মিক ব্যক্তি স্বভাবসুলভ পাশের ব্যক্তিটিকে নামাজ-রোজা এসবের ফজিলত বর্ননা শুরু করতেই নাস্তিক ব্যক্তির প্রশ্ন: আপনি আল্লাহরে বিশ্বাস করেন?
ধার্মিক ব্যক্তি একটু থতমত খেয়ে জবাব দেয়: হ্যা।
নাস্তিক: কেন?
ধার্মিক: বাহ, আমাদের সৃষ্টিকর্তা, আমাদের পালনকর্তাকে বিশ্বাস করবো না?
নাস্তিক মহাশয় এবার একটা ব্যঙ্গ হাসি হেসে বললো: আপনি দেখেছেন কখনো আল্লাহকে? আর, আল্লাহকে মানতে গেলে তো ভাগ্যকেও মানতে হয়- ভালো আর মন্দ তাহলে তো সবই আল্লাহরই কাজ- তাতে আমাদের কি কোন হাত আছে?
নাস্তিকের প্রশ্ন দুটি শুনে ধার্মিক ব্যক্তি কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলো। তারপর, হঠাৎ করেই একটা ইট তুলে- নাস্তিকের মাথায় মেরে বসলো।
থানা-পুলিশ হয়ে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালো। বিচারক ধার্মিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন: আপনাকে ঐ ব্যক্তি দুটো প্রশ্ন করলো- আর আপনি তাকে এভাবে আঘাত করলেন? বেচারি কত ব্যথা পেলো!
ধার্মিক ব্যক্তি: আমি তার দুটি প্রশ্নের জবাব এক ইট দিয়ে দিয়েছি।
বিচারক: সেটা কিভাবে?
ধার্মিক ব্যক্তি: সে বলেছে যা দেখা যায় না,তা বিশ্বাস করা যায় না। তাহলে সে যে ব্যথা পাচ্ছে তা তো আপনি আমি কেউ দেখছিনা। সে শুধু অনুভব করছে।
বিচারক: আর, দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর?
ধার্মিক ব্যক্তি: ওটা তার কপালে লেখা ছিল।
227:
এক মুসলমান অন্ধ ব্যক্তি ধর্ম-কর্মের ব্যাপারে খুবই উদাসীন। এমনকি জুম্মার নামাজটাও সে পড়তে যায় না। সুরা-দোয়া-দরুদ কিছু তার মুখস্ত নেই। পাড়ায় সবাই খুব নিন্দে করে। নিন্দে শুনে তার বউ এর খুব মন খারাপ হয় এবং এসে স্বামির সাথে খুব হাম্বিতাম্বি করে। কিন্তু অন্ধ লোকটি যেমন তেমনই থাকে; খালি হাই তুলে বলে: অন্ধ মানুষ- আল্লাহ নিশ্চয়ই সব ভুল-চুক মাফ করে দিবেন।
পাড়ার মসজিদের ইমামের কাছে অনেকেই নালিশ তুলেন। ইমাম নিজে খোড়া, তাই অন্ধলোকটির প্রতি কিছুটা সহানুভূতি ছিল। কিন্তু তিনিও শেষ পর্যন্ত আর ধৈর্য রাখতে পারলেন না- অন্ধলোকের বাড়িতে গিয়ে ফতোয়া দিয়ে আসলনে- পরের জুম্মায় তাকে যদি মসজিদে না দেখা যায়- তবে তাদেরকে একঘরে করা হবে। শুনে অন্ধলোকের বউ তো কেদেকেটে একাকার, সেও জানিয়ে দিলো- এবারের জুম্মায় তার স্বামি না গেলে- সে আত্মহত্যা করবে। উপায়ন্তর না দেখে জুম্মাবারে নামাজ পড়তে অন্ধলোকটি মসজিদে গিয়ে হাজির।
জামাতে অনেকের সাথে দাড়িয়েছে নামাজ পড়ার জন্য। ইমাম আল্লাহু আকবর বলে নামাজ শুরু করেছে। সুরা পাঠ শুরু হয়েছে- আলহামদুলিল্লাহ…। অন্ধলোকটি শুনছে আর ভাবছে- এগুলো কি বলছে, এসবের মানে কি? কিছুই বুঝতে পারছে না - বুঝার চেস্টা করছে- বুঝা যাচ্ছে না: এমন সময় দেখে ইমামের একটি বাক্যের আংশিক সে বুঝতে পারছে: ইয়া কানা বুদুয়া ইয়া কানাস্তাইন…। কিন্তু শুনেই তো অন্ধলোকের পুরা মাথা গরম। সে কানা বলে তাকে নিয়ে মশকরা! ল্যাংড়া ইমামের মনে তাহলে এটাই ছিল! তাকে ডেকে সকলের মধ্যে এমন অপমান!
অন্ধলোকটি দমার পাত্র না, সে কোনমতেই ছাড় দিতে রাজী হলো না। সেও চিৎকার করে উঠলো: ইয়া ল্যাংড়া বুদুয়া ইয়া ল্যাংড়াস্তাইন….
229:
মসজিদের ইমাম মসজিদেই এলাকার বাচ্চা - কাচ্চাদের কায়দা-আমপাড়া শেখান। তো, একদিন শহর থেকে মাদ্রাসার বড় হুজুর আসাতে ইমাম সাহেব ভাবলেন, বাচ্চাদের সাথে বড় হুজুরের সাক্ষাৎ হলে মন্দ হয় না। যেমন ভাবা তেমন কাজ।
বড় হুজুর এসে বাচ্চাদের উদ্দেশ্যে ধর্ম-কর্ম নিয়ে কিছুক্ষণ ওয়াজ নসিহত করলেন। তারপরে চলে যাওয়ার আগে কি মনে করে যেন- বাচ্চাদের কাছে এক এক করে জিজ্ঞেস করতে লাগলেন- বড় হয়ে কে কি হতে চায়।
: বল তো বাবা, বড় হয়ে তুমি কি হতে চাও?
: আমি বাবার মতো কৃষক হবো।
: বাহ বেশ ভালো, বেশ ভালো। মানুষের ক্ষুদা নিবারনে কাজ করা খুবই সোয়াবের কাজ।
আরেকজনের দিকে তাকিয়ে: তো তুমি বলতো বাবা- কি হতে চাও?
: আমি বড় হয়ে শিক্ষক হবো।
: মা’শাল্লাহ। এটা আরো ভালো। মানুষের আত্মার ক্ষুদা নিবারণ হবে তাতে। এটাতে অনেক সোয়াব হবে।
আরেকজনকে: তুমি কি হতে চাও?
: আমি হুজুর হবো।
: মা’শাল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! এটা তো সবচেয়ে ভালো কাজ। মানুষের ইহজগত-পরলোক সমস্ত ক্ষুদা নিবারণে তুমি কাজ করবে। আল্লাহ অনেক খুশি হবেন- অনেক সোয়াব দিবেন। …
উচ্ছাস একটু কমলে বাচ্চাটিকে আবার প্রশ্ন করেন: আচ্ছা বাবা, তোমার কেন এমন হুজুর হতে ইচ্ছা?
: আমরা খুব গরীব, ঠিক মত খাবার পাই না। তারপরেও যখন বাসায় হুজুর আসেন- মা বাসার মুরগী জবাই করে ওনাকে খুব যত্ন করে খাওয়ান।
230:
দুই বন্ধু, একজন আস্তিক আরেকজন নাস্তিক।
একদিন দুই বন্ধু মিলে পাখি শিকারে গেল। তো, প্রতিবার গুলি করে পাখি মরছিল না- আর নাস্তিক বন্ধু বিরক্তির স্বরে বলে উঠে: ধুর! বালটা মিস হয়া গেল!!
শুনে আস্তিক বন্ধু কানে হাত দিয়ে সংশোধন করে দেয়: আমরা আমাদের মুখ সামলে রাখি, নচেত আল্লাহ রাগ করিবেন…
নাস্তিক বন্ধু সরি-টরি করে আবার পাখি শিকারে ব্যস্ত হলো।
আবার কিছুক্ষণ পরে টার্গেট করে গুলি ছুড়লো- কিন্তু পাখি মরলো না। বিরক্ত হয়ে বলে উঠলো: ধুর! বালটা আবার মিস হয়া গেল!!
: আমরা আমাদের মুখ সামলে রাখি, নচেত আল্লাহ রাগ করিবেন… (একটু রাগত স্বরে ও উচ্চস্বরে)
: সরি সরি…
আবার একই ঘটনা….
: ধুর! বালটা মিস হয়া গেল!!
: আমরা আমাদের মুখ সামলে রাখি, নচেত আল্লাহ রাগ করিবেন… (আরো রেগে আরো চিৎকার করে)
: সরি সরি সরি…. (প্রায় হাত-পা ধরা অবস্থা)
কিছুক্ষণ পর। একটা পাখির দিকে টার্গেট করেছে নাস্তিক বন্ধু, গুলি ছুড়লো- কিন্তু আবারো মিস…
: ধুর! বালটা মিস হয়া গেল!!
: আমরা আমাদের মুখ সামলে রাখি, নচেত আল্লাহ রাগ করিবেন… (এবারে চরম ক্ষেপে গিয়ে সহ্যের শেষ সীমায় পৌঁছে চিৎকার করে)
: স……..
নাস্তিক বন্ধুটি কথা শেষ করতে পারলো না…….
তার আগেই প্রচণ্ড আওয়াজ হয়ে একটি বাজ নেমে আসলো….
দেখা গেল- সেই বাজে আস্তিক বন্ধুটি মরে পড়ে আছে…..
এবং….
আকাশ থেকে একটি গায়েবী আওয়াজ শোনা গেল
: ধুর! বালটা মিস হয়া গেল!!
রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১০
General Joke 211-220
211:
মেয়েঃ মা, তুমি কি বিয়ের আগে ‘ড্রিল মাস্টার’ ছিলে?
মাঃ না তো, কিন্তু এ প্রশ্ন কেন?
মেয়েঃ দাদু, ফুপি সবাই বলে যে বাবা তোমার কথায় উঠ-বস করে।
212:
ঃ বোকার মতো অভিনয় করবে না।
ঃ আমি অভিনয় করছি না।
213:
গ্রামের শিক্ষিত এক ছেলেকে অশিক্ষিত লোক জিজ্ঞাসা করছে-
এই ছেলে, তুমি কত দূর পড়ালেখা করেছ? শিক্ষিত লোকঃ বিএ পাস করেছি।
অশিক্ষিত লোকঃ দুই অক্ষর পড়েছে, তা-ও আবার উল্টো।
214:
স্বামী স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করল, বিয়ের আগে তুমি কি কারও সঙ্গে প্রেম করেছ? স্ত্রী বলল, হ্যাঁ। স্বামী রেগে বলল, তাহলে ওই হতচ্ছাড়ার নাম বলো। এক্ষুনি গিয়ে দাঁত ভেঙে দিয়ে আসি। স্ত্রী বলল, ওগো, তুমি একা কি তাদের সবার সঙ্গে পারবে?
215:
বাবাঃ তোমাকে এবার পরীক্ষায় ৯৬ ভাগ নম্বর পেতেই হবে।
ছেলেঃ না বাবা, আমি ১০০ ভাগ নম্বরই পাব।
বাবাঃ আমার সঙ্গে ইয়ার্কি মারছ তুমি?
ছেলেঃ কে প্রথম শুরু করেছে বাবা?
216:
লাথি মার ভাঙরে তালা, যতসব বন্দীশালা, আগুন জ্বালা। অশিক্ষিত মাঃ খোকন, এত বাজে কথা কোথা থেকে শিখেছ?
খোকাঃ মা, এ তো আমার কথা নয়, নজরুলের কথা।
মাঃ তাহলে আর কখনো ওসব বাজে ছেলের সঙ্গে মিশবে না।
217:
জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রচণ্ড গরমে এক দুপুরে কোনো একটা প্রেক্ষাগৃহে এক বিচিত্রানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। ঘটনাক্রমে সেদিন এয়ারকন্ডিশনার যন্ত্র বিকল থাকায় শুধু পাখার ব্যবস্থা ছিল। তবু গরমের প্রচণ্ডতায় কয়েকজন অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।
হঠাৎ এক বুড়োমতো ভদ্রলোককে মেঝেতে হামাগুড়ি খেয়ে পড়তে দেখলেন তাঁরই পাশে বসা ফার্স্ট এইডের ট্রেনিং নেওয়া ভদ্রমহিলা। তিনি সঙ্গে সঙ্গে উবু হয়ে বসে ভদ্রলোককে পরামর্শ দিলেন, ‘মাথাটা দুই হাঁটুর মধ্যে গুঁজে চুপচাপ বসে থাকুন। মাথায় রক্ত চলাচল হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।’
ভদ্রলোক যতবারই উঠে বসতে চান, মহিলাটি ততবারই তাকে জোর করে দুই হাঁটুর মধ্যে মাথা গুঁজে বসে থাকতে বাধ্য করেন আর বলেন, ‘এই তো এক্ষুনি সব ঠিক হয়ে যাবে।’
না পেরে ভদ্রলোক শেষে চেঁচিয়ে উঠে বললেন, ‘একটা লোকের চশমা হারিয়ে গেলে তা খোঁজার কোনো অধিকারও কি থাকবে না? আমি তো আমার চশমা খুঁজছিলাম মেঝেতে।’
218:
ঃ ভুল করে সবচেয়ে বেশি কী খোলা হয়, জানো?
ঃ মুখ।
219:
রহিমঃ
তুই নাকি টাকা ধার নিয়েছিস জহিরের কাছ থেকে।
করিমঃ হ্যাঁ, প্রয়োজন হয়েছিল তাই।
রহিমঃ তা এখন টাকা ফেরত দিচ্ছিস না কেন?
করিমঃ প্রয়োজন বোধ করছি না বলে।
220:
ঘটনাটা
আমার বন্ধুর খালার, তাঁর কাছেই শোনা। তিনি তখন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। তাঁর স্বামী মানে, খালুজান বাইরে কোথাও গেছেন। বাসা খালি, এ সময় তিনি হঠাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পড়লেন। এমনই অবস্থা, উঠে যে ফোন করবেন কাউকে, সেই শক্তিও নেই। এ সময় তাঁর খুব পানির পিপাসা পেল। তিনি চিঁ চিঁ করে তার তিন বছরের মেয়ে পিংকিকে এক গ্লাস পানি দিতে বললেন। একটু পর পিংকি সত্যি টুকটুক করে হেঁটে এক গ্লাস পানি নিয়ে এল। তিনি আর দেরি করলেন না, ঢকঢক করে খেয়ে ফেললেন পানিটুকু। খেয়েই তাঁর মনে হলো, পিংকি কী করে পানি আনল, তার পক্ষে তো ফ্রিজ খোলা বা ডাইনিং টেবিল থেকে পানি আনা সম্ভব না; মানে তার নাগালের মধ্যে কোনো পানির সোর্স নেই। তাহলে? হঠাৎ তার মনে পড়ল, একটা সোর্স তো আছে! এবং সঙ্গে সঙ্গে তার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসতে শুরু করল। তারপর চিঁ চিঁ করে পিংকিকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘মা, পানি কোথা থেকে এনেছ?’ পিংকি আঙ্গুল তুলে টয়লেট দেখাল। তখন খালার ওয়াক ওয়াক শুরু হয়ে গেছে। যা সন্দেহ করেছিলেন তা-ই···।
মেয়েঃ মা, তুমি কি বিয়ের আগে ‘ড্রিল মাস্টার’ ছিলে?
মাঃ না তো, কিন্তু এ প্রশ্ন কেন?
মেয়েঃ দাদু, ফুপি সবাই বলে যে বাবা তোমার কথায় উঠ-বস করে।
212:
ঃ বোকার মতো অভিনয় করবে না।
ঃ আমি অভিনয় করছি না।
213:
গ্রামের শিক্ষিত এক ছেলেকে অশিক্ষিত লোক জিজ্ঞাসা করছে-
এই ছেলে, তুমি কত দূর পড়ালেখা করেছ? শিক্ষিত লোকঃ বিএ পাস করেছি।
অশিক্ষিত লোকঃ দুই অক্ষর পড়েছে, তা-ও আবার উল্টো।
214:
স্বামী স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করল, বিয়ের আগে তুমি কি কারও সঙ্গে প্রেম করেছ? স্ত্রী বলল, হ্যাঁ। স্বামী রেগে বলল, তাহলে ওই হতচ্ছাড়ার নাম বলো। এক্ষুনি গিয়ে দাঁত ভেঙে দিয়ে আসি। স্ত্রী বলল, ওগো, তুমি একা কি তাদের সবার সঙ্গে পারবে?
215:
বাবাঃ তোমাকে এবার পরীক্ষায় ৯৬ ভাগ নম্বর পেতেই হবে।
ছেলেঃ না বাবা, আমি ১০০ ভাগ নম্বরই পাব।
বাবাঃ আমার সঙ্গে ইয়ার্কি মারছ তুমি?
ছেলেঃ কে প্রথম শুরু করেছে বাবা?
216:
লাথি মার ভাঙরে তালা, যতসব বন্দীশালা, আগুন জ্বালা। অশিক্ষিত মাঃ খোকন, এত বাজে কথা কোথা থেকে শিখেছ?
খোকাঃ মা, এ তো আমার কথা নয়, নজরুলের কথা।
মাঃ তাহলে আর কখনো ওসব বাজে ছেলের সঙ্গে মিশবে না।
217:
জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রচণ্ড গরমে এক দুপুরে কোনো একটা প্রেক্ষাগৃহে এক বিচিত্রানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। ঘটনাক্রমে সেদিন এয়ারকন্ডিশনার যন্ত্র বিকল থাকায় শুধু পাখার ব্যবস্থা ছিল। তবু গরমের প্রচণ্ডতায় কয়েকজন অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।
হঠাৎ এক বুড়োমতো ভদ্রলোককে মেঝেতে হামাগুড়ি খেয়ে পড়তে দেখলেন তাঁরই পাশে বসা ফার্স্ট এইডের ট্রেনিং নেওয়া ভদ্রমহিলা। তিনি সঙ্গে সঙ্গে উবু হয়ে বসে ভদ্রলোককে পরামর্শ দিলেন, ‘মাথাটা দুই হাঁটুর মধ্যে গুঁজে চুপচাপ বসে থাকুন। মাথায় রক্ত চলাচল হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।’
ভদ্রলোক যতবারই উঠে বসতে চান, মহিলাটি ততবারই তাকে জোর করে দুই হাঁটুর মধ্যে মাথা গুঁজে বসে থাকতে বাধ্য করেন আর বলেন, ‘এই তো এক্ষুনি সব ঠিক হয়ে যাবে।’
না পেরে ভদ্রলোক শেষে চেঁচিয়ে উঠে বললেন, ‘একটা লোকের চশমা হারিয়ে গেলে তা খোঁজার কোনো অধিকারও কি থাকবে না? আমি তো আমার চশমা খুঁজছিলাম মেঝেতে।’
218:
ঃ ভুল করে সবচেয়ে বেশি কী খোলা হয়, জানো?
ঃ মুখ।
219:
রহিমঃ
তুই নাকি টাকা ধার নিয়েছিস জহিরের কাছ থেকে।
করিমঃ হ্যাঁ, প্রয়োজন হয়েছিল তাই।
রহিমঃ তা এখন টাকা ফেরত দিচ্ছিস না কেন?
করিমঃ প্রয়োজন বোধ করছি না বলে।
220:
ঘটনাটা
আমার বন্ধুর খালার, তাঁর কাছেই শোনা। তিনি তখন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। তাঁর স্বামী মানে, খালুজান বাইরে কোথাও গেছেন। বাসা খালি, এ সময় তিনি হঠাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পড়লেন। এমনই অবস্থা, উঠে যে ফোন করবেন কাউকে, সেই শক্তিও নেই। এ সময় তাঁর খুব পানির পিপাসা পেল। তিনি চিঁ চিঁ করে তার তিন বছরের মেয়ে পিংকিকে এক গ্লাস পানি দিতে বললেন। একটু পর পিংকি সত্যি টুকটুক করে হেঁটে এক গ্লাস পানি নিয়ে এল। তিনি আর দেরি করলেন না, ঢকঢক করে খেয়ে ফেললেন পানিটুকু। খেয়েই তাঁর মনে হলো, পিংকি কী করে পানি আনল, তার পক্ষে তো ফ্রিজ খোলা বা ডাইনিং টেবিল থেকে পানি আনা সম্ভব না; মানে তার নাগালের মধ্যে কোনো পানির সোর্স নেই। তাহলে? হঠাৎ তার মনে পড়ল, একটা সোর্স তো আছে! এবং সঙ্গে সঙ্গে তার হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসতে শুরু করল। তারপর চিঁ চিঁ করে পিংকিকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘মা, পানি কোথা থেকে এনেছ?’ পিংকি আঙ্গুল তুলে টয়লেট দেখাল। তখন খালার ওয়াক ওয়াক শুরু হয়ে গেছে। যা সন্দেহ করেছিলেন তা-ই···।
General Joke 201-210
201:
এক এলাকায় আগুন লেগেছে। বিশাল আগুন! সঙ্গে সঙ্গে গুলির বেগে ছুটে এল দমকল বাহিনী। এবং দ্রুত এসে ধুপধাপ তারা আগুন নিভিয়ে ফেলল। তাদের এই কাজ দেখে খুশি হয়ে এলাকার লোকজন চাঁদা তুলে তাদের পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কার দিল। তারপর তারা জানতে চাইল, এই যে পাঁচ হাজার টাকা পেল; এ দিয়ে তারা কী করবে। উত্তরে দমকল বাহিনীর লোকেরা জানাল, তাদের কোনো গাড়িতেই ব্রেক নেই! ব্রেক লাগাবে!
202:
এক ছেলে তার বান্ধবীকে বলল, যখন ওই ইংরেজ ছেলেটা তোমার হাত ধরল, তুমি তাকে ধমক দিলে না কেন? বান্ধবী বলল, কীভাবে দেব। আমি তো ইংরেজি জানি না।
203:
আমার বন্ধু সদ্য ডাক্তারি পাস করেছে। সে বেচারা প্রেমে পড়ে হঠাৎ একদিন বিয়ে করে বসল। বাসাতেও জানাজানি হলো; কেউ খুব একটা আপত্তি করল না। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, সে বউ নিয়ে কোথায় উঠবে? একান্নবর্তী পরিবার, সে নিজেই থাকে ড্রইংরুমের সোফায়! গার্জেনরা বলল, ‘আলাদা বাসা নে।’ সেই সংগতি তার এই মুহূর্তে নেই! কী করা, অন্তত বাসর রাতটা তো করা চাই! শেষ পর্যন্ত সে নিজেই একটা বুদ্ধি বের করল! সে জন্ডিসের রোগী হিসেবে সাত দিনের জন্য এক হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গেল! ওই হাসপাতালের ডাক্তার বন্ধুরা তাকে সাহায্য করল। সব ঠিক, বউ এসে থাকবে; জন্ডিস রোগীর সেবা তো দরকার!
তা অবশেষে সে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। নির্দিষ্ট কেবিনে বউও এসে হাজির। বেশ রোমান্টিক অবস্থা! হঠাৎ রাত ১০টায় তার মা আর দুই বোন এসে হাজির! তিনি কীভাবে কীভাবে খবর পেয়েছেন, তাঁর ছেলে সিরিয়াস জন্ডিস বাধিয়ে হসপিটালাইজড। এসেই হুলস্থুল লাগিয়ে দিলেন, ‘তোর এত খারাপ অবস্থা, আমাদের জানালি না···বউমা, তুমিও তো জানাতে পারতে। বিয়ে করেই ভুলে গেলি··· বউমা, তুমি বাড়ি যাও, নতুন বউয়ের হাসপাতালে থাকার দরকার নেই, আমরা আছি···’ সে রাত মা আর বোনদের সেবা নিয়েই আমার ডাক্তার বন্ধুকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। তবে পরদিনই সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। জন্ডিস রোগের ইতিহাসে ইতিপূর্বে এত দ্রুত কাউকে পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন বলে শোনা যায়নি।
204:
ঃ তা ভাবার কি আছে ? সবাইকে তো মরতে হবে।
ঃ না, ভাবছি, শেষে যে মরবে তাকে নিয়ে যাবে কে ?
204:
হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ দিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করুন
-, আমার নাম মফিজ। -, আমি একটা
পাগল। -, আমার মতো পাগলের কোনো ওষুধ নেই। -, আমিই বলদ। -, আমাকে দেখে সবাই মজা পায় এবং হাসে। কিন্তু -, এতে আমার কোনো দুঃখ নেই।
206:
স্বামী ও স্ত্রী বসে আছে। এমন সময় ছেলে এসে বলল, বাবা তুমি আম্মুকে বিয়ে করেছ কেন? স্বামী স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে বললঃ দেখেছ, আমাদের ছেলেও এটাতে বি্নিত!
207:
আমাদের স্কুলের আজিজ স্যার এত কড়া যে তুই যদি পরীক্ষায় ফুলস্টপ উল্টো করে লিখিস, তবুও তোকে ফেল করিয়ে দেবে।
208:
রতন তার বন্ধুকে ডেকে বললেন, ওরে, তোর মেয়ে সুইটির অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে, এইমাত্র খবর এসেছে।
বন্ধুটি এক কথা শুনেই দুঃখের চোটে দশতলার জানালা থেকে ঝাঁপ দিল। যখন সে আটতলার কাছে এল, তখন তার মনে হলো, তার তো কোনো মেয়েই নেই! যখন ছয়তলায় এল তখন মনে পড়ল, তার তো বিয়েই হয়নি। আর যখন সে একতলার কাছাকাছি এল, তখন তার মাথায় এল, আরে, আমার নাম তো জসবিন্দর সিংহ!
209:
একদিন মধ্যরাতে মাথাব্যথার কারণে স্ত্রী সম্পাকে ডেকে তুললাম। চা খাব। সম্পা চোখে ঘুম নিয়েই চা করতে গেল। কিছুক্ষণ পর চা নিয়ে এসে দিয়েই শুয়ে পড়ল। চায়ের কাপে চুমুক দিয়েই দৌড়ে গিয়ে বেসিনে বমি করলাম। হঠাৎ সম্পা বলে উঠল, ‘সবারই এই সময়টাতে এমন বমি বমি ভাব হয়।’
আমি আজও বুঝিনি সম্পা কেন ওই কথা বলেছিল। তবে পরে ও বলেছিল, ‘হয়তো ঘুমের ঘোরে বলেছিলাম।’ আমিও বলেছিলাম, ‘সেদিন তুমি ঘুমের ঘোরে আমাকে শুধু প্রেগন্যান্টই ভাবোনি, চায়ের মধ্যে চিনির বদলে আয়োডিনযুক্ত লবণ দিয়েছিলে।’
210:
শিক্ষক ছাত্রের খাতা দেখে মন্তব্য লিখেছেন, ‘হাতের লেখা ভালো করতে হবে।’
ছাত্রঃ স্যার, আপনি কী লিখেছেন পড়তে পারছি না।
এক এলাকায় আগুন লেগেছে। বিশাল আগুন! সঙ্গে সঙ্গে গুলির বেগে ছুটে এল দমকল বাহিনী। এবং দ্রুত এসে ধুপধাপ তারা আগুন নিভিয়ে ফেলল। তাদের এই কাজ দেখে খুশি হয়ে এলাকার লোকজন চাঁদা তুলে তাদের পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কার দিল। তারপর তারা জানতে চাইল, এই যে পাঁচ হাজার টাকা পেল; এ দিয়ে তারা কী করবে। উত্তরে দমকল বাহিনীর লোকেরা জানাল, তাদের কোনো গাড়িতেই ব্রেক নেই! ব্রেক লাগাবে!
202:
এক ছেলে তার বান্ধবীকে বলল, যখন ওই ইংরেজ ছেলেটা তোমার হাত ধরল, তুমি তাকে ধমক দিলে না কেন? বান্ধবী বলল, কীভাবে দেব। আমি তো ইংরেজি জানি না।
203:
আমার বন্ধু সদ্য ডাক্তারি পাস করেছে। সে বেচারা প্রেমে পড়ে হঠাৎ একদিন বিয়ে করে বসল। বাসাতেও জানাজানি হলো; কেউ খুব একটা আপত্তি করল না। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, সে বউ নিয়ে কোথায় উঠবে? একান্নবর্তী পরিবার, সে নিজেই থাকে ড্রইংরুমের সোফায়! গার্জেনরা বলল, ‘আলাদা বাসা নে।’ সেই সংগতি তার এই মুহূর্তে নেই! কী করা, অন্তত বাসর রাতটা তো করা চাই! শেষ পর্যন্ত সে নিজেই একটা বুদ্ধি বের করল! সে জন্ডিসের রোগী হিসেবে সাত দিনের জন্য এক হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গেল! ওই হাসপাতালের ডাক্তার বন্ধুরা তাকে সাহায্য করল। সব ঠিক, বউ এসে থাকবে; জন্ডিস রোগীর সেবা তো দরকার!
তা অবশেষে সে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। নির্দিষ্ট কেবিনে বউও এসে হাজির। বেশ রোমান্টিক অবস্থা! হঠাৎ রাত ১০টায় তার মা আর দুই বোন এসে হাজির! তিনি কীভাবে কীভাবে খবর পেয়েছেন, তাঁর ছেলে সিরিয়াস জন্ডিস বাধিয়ে হসপিটালাইজড। এসেই হুলস্থুল লাগিয়ে দিলেন, ‘তোর এত খারাপ অবস্থা, আমাদের জানালি না···বউমা, তুমিও তো জানাতে পারতে। বিয়ে করেই ভুলে গেলি··· বউমা, তুমি বাড়ি যাও, নতুন বউয়ের হাসপাতালে থাকার দরকার নেই, আমরা আছি···’ সে রাত মা আর বোনদের সেবা নিয়েই আমার ডাক্তার বন্ধুকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। তবে পরদিনই সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। জন্ডিস রোগের ইতিহাসে ইতিপূর্বে এত দ্রুত কাউকে পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন বলে শোনা যায়নি।
204:
ঃ তা ভাবার কি আছে ? সবাইকে তো মরতে হবে।
ঃ না, ভাবছি, শেষে যে মরবে তাকে নিয়ে যাবে কে ?
204:
হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ দিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করুন
-, আমার নাম মফিজ। -, আমি একটা
পাগল। -, আমার মতো পাগলের কোনো ওষুধ নেই। -, আমিই বলদ। -, আমাকে দেখে সবাই মজা পায় এবং হাসে। কিন্তু -, এতে আমার কোনো দুঃখ নেই।
206:
স্বামী ও স্ত্রী বসে আছে। এমন সময় ছেলে এসে বলল, বাবা তুমি আম্মুকে বিয়ে করেছ কেন? স্বামী স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে বললঃ দেখেছ, আমাদের ছেলেও এটাতে বি্নিত!
207:
আমাদের স্কুলের আজিজ স্যার এত কড়া যে তুই যদি পরীক্ষায় ফুলস্টপ উল্টো করে লিখিস, তবুও তোকে ফেল করিয়ে দেবে।
208:
রতন তার বন্ধুকে ডেকে বললেন, ওরে, তোর মেয়ে সুইটির অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে, এইমাত্র খবর এসেছে।
বন্ধুটি এক কথা শুনেই দুঃখের চোটে দশতলার জানালা থেকে ঝাঁপ দিল। যখন সে আটতলার কাছে এল, তখন তার মনে হলো, তার তো কোনো মেয়েই নেই! যখন ছয়তলায় এল তখন মনে পড়ল, তার তো বিয়েই হয়নি। আর যখন সে একতলার কাছাকাছি এল, তখন তার মাথায় এল, আরে, আমার নাম তো জসবিন্দর সিংহ!
209:
একদিন মধ্যরাতে মাথাব্যথার কারণে স্ত্রী সম্পাকে ডেকে তুললাম। চা খাব। সম্পা চোখে ঘুম নিয়েই চা করতে গেল। কিছুক্ষণ পর চা নিয়ে এসে দিয়েই শুয়ে পড়ল। চায়ের কাপে চুমুক দিয়েই দৌড়ে গিয়ে বেসিনে বমি করলাম। হঠাৎ সম্পা বলে উঠল, ‘সবারই এই সময়টাতে এমন বমি বমি ভাব হয়।’
আমি আজও বুঝিনি সম্পা কেন ওই কথা বলেছিল। তবে পরে ও বলেছিল, ‘হয়তো ঘুমের ঘোরে বলেছিলাম।’ আমিও বলেছিলাম, ‘সেদিন তুমি ঘুমের ঘোরে আমাকে শুধু প্রেগন্যান্টই ভাবোনি, চায়ের মধ্যে চিনির বদলে আয়োডিনযুক্ত লবণ দিয়েছিলে।’
210:
শিক্ষক ছাত্রের খাতা দেখে মন্তব্য লিখেছেন, ‘হাতের লেখা ভালো করতে হবে।’
ছাত্রঃ স্যার, আপনি কী লিখেছেন পড়তে পারছি না।
General Joke 191-200
191:
এক ভদ্রলোক তাঁর স্ত্রীকে জোরে একটা চড় মেরে বললেন, ‘যাকে মানুষ ভালোবাসে তাকেই মারে।’
তাঁর স্ত্রী তাঁর গালে দ্বিগুণ জোরে এক চড় মেরে বললেন, ‘তুমি কি ভাব, আমি তোমাকে ভালোবাসি না?’
192:
শাহেদঃ কিরে! ছুরিটা গরম জলে ফোটাচ্ছিস কেন?
পলাশঃ আমি আত্মহত্যা করব ওই ছুরি দিয়ে।
শাহেদঃ তার জন্য ওটাকে গরম করার কী দরকার?
পলাশঃ উফ! যাতে ইনফেকশন না হয়, তাই ওটাকে ফুটিয়ে নিচ্ছি।
193:
ভিখারি
বলল, বাবু, একটা টাকা দিন।
ভদ্রলোক বললেন, কাল এসো।
ভিখারি বলল, এই কালকের চক্করে, আমার প্রায় লাখখানেক টাকা আটকে আছে এই পাড়ায়।
194:
প্রতিদিন মেয়েকে ভোর সাতটায় স্কুলে দিয়ে তার কাজে চলে যায় আমার স্ত্রী (সে একটা স্কুলের টিচার)। আর ১০টায় আমি মেয়েকে স্কুল থেকে নিয়ে এসে বাসায় রেখে অফিসে যাই। এই হচ্ছে প্রতিদিনকার ডিউটি। একদিন সর্বনাশ হলো! আমার যেটা কখনোই হয় না। ঘুম ভাঙল সাড়ে ১০টায়! আমি প্রায় লাফিয়ে উঠলাম!! মেয়ের স্কুল ছুটি হয় ১০টায় আর আমি সাড়ে ১০টায় উঠলাম! কোনোরকমে শার্টটা পরে প্রায় ছুটে বেরোলাম। বাসা থেকে স্কুলে এমনিতে রিকশায় যাই, সেদিন স্কুটার নিলাম। গুলির মতো স্পিডে স্কুলে পৌঁছালাম, গিয়ে দেখি স্কুল বন্ধ! শুক্রবার! আমি হতভম্ভ হয়ে বাসায় ফিরে এসে দেখি, আমার মেয়ে আমার পাশেই তখনো ঘুমাচ্ছে। স্ত্রী বাথরুমে। আমি সমস্ত ব্যাপারটাই চেপে গেলাম।
195:
অফিসে
বসে কম্পিউটারে একটা বাংলা দরখাস্ত টাইপ করছিলাম। টাইপ শেষ করে প্রিন্ট দিলাম, প্রিন্ট বের হচ্ছে না। ব্যাপার কী ঠিক বুঝলাম না। যা-ই হোক, বের যখন হচ্ছে না, এটা নিয়ে মাথা ঘামালাম না আমি; অন্য একটা কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। এ সময় আমার পাড়াতো ছোট ভাই মুরাদ এল (সে মাঝেমধ্যে এসে আমার অফিসে টুকটাক কাজ করে নিয়ে যায়)। সে এসেই কী একটা ইংরেজি দরখাস্ত টাইপ করতে লেগে গেল। আমি আমার কাজে ব্যস্ত রইলাম। মুরাদ টাইপ শেষ করে প্রিন্ট দিল এবং সে দেখি আঁতকে উঠল, ‘একি, টাইপ করলাম ইংরেজিতে, বেরোচ্ছে বাংলায় দরখাস্ত!’ আমি তখন বুঝে গেছি দরখাস্তের ভাষা তো প্রায় একই। আমার বাংলা দরখাস্তটা তখন বের হয়নি কোনো কারণে, মেমোরিতে রয়ে গিয়েছিল, এখন সেটা বেরোচ্ছে। মুরাদ আমায় জিজ্ঞেস করল, আমি এমন কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করেছি কি না, যেটা ইংরেজিতে টাইপ করলে বাংলায় অনুবাদ হয়ে যায়। আমি এবার একটা ভাব নিলাম, ‘হ্যাঁ, নতুন একটা সফটওয়্যার বাজারে এসেছে, তুই জানিস না?’ মুরাদ বোকার মতো আমার দিকে তাকিয়ে রইল!
196:
ঃ ডাক্তার সাহেব, চশমা নেওয়ার পর কি আমি এ বি সি ডি পড়তে পারব?ঃ অবশ্যই পারবেন।
ঃ এবার দেখব, কোন শালায় কয় আমি ইংরেজি পারি না।
197:
এক ভদ্রলোকঃ স্যার, আমার বউ হারিয়ে গেছে।
ডাক্তারঃ এটা হাসপাতাল, এখানে বলে কোনো লাভ নেই। পুলিশ স্টেশনে গিয়ে কমপ্লেন করুন।
ভদ্রলোকঃ আসলে আনন্দের চোটে মাথাটা ঠিক কাজ করছে না।
198:
নসু মামা নতুন লেমিনেশনের ব্যবসায় নেমেছেন। তাই যা-ই পান, তাই লেমিনেশন করে ফেলেন। যেমন, ভাগ্নে-ভাগ্নিদের সার্টিফিকেট, বাসার ইলেকট্রিক বিল, টেলিফোন বিল-কোনো কিছু বাদ নেই লেমিনেশনের। আমরা তাঁকে নিয়ে আড়ালে হাসাহাসিও করতাম। যা-ই হোক, সেই নসু মামা প্রেমে পড়লেন এবং ঢাকঢোল পিটিয়ে তাঁর প্রেমিকাকে বাসায় এনে পরিচয়ও করিয়ে দিলেন। এর কয় দিন পর আমি দুই বছরের জন্য বিদেশ চলে যাই। ফিরে এসে শুনি, মামা ছ্যাঁক খেয়েছেন; লেমিনেশনের ব্যবসাও আর নেই। এর মধ্যে একদিন এক বন্ধুর বড় ভাইয়ের বিয়ে খেতে গেছি। গিয়ে দেখি নতুন বউ আর কেউ নয়, সেই নসু মামার প্রেমিকা! এর কয় দিন পর একদিন বন্ধুর বাসায় গিয়ে নতুন ভাবিকে (মানে ভূতপূর্ব নসু মামি) সুযোগমতো পেয়ে জানতে চাইলাম, আমাদের নসু মামাকে কেন তিনি ত্যাগ করেছিলেন? উত্তরে তিনি একটু অপ্রস্তুত হলেন। তারপর সামলে নিয়ে বলেন, ‘দেখো, সে আমাকে প্রেমপত্র দিত লেমিনেশন করে···’ বাকিটা আমি আর শুনতে চাইনি। কোনোমতে হাসি চেপে বাসায় ফিরেছি।
199:
দুই ব্যক্তির মধ্যে কথা হচ্ছে-
১ম ব্যক্তিঃ ভাই, আপনি বিয়ে করেছেন?
২য় ব্যক্তিঃ হ্যাঁ।
১ম ব্যক্তিঃ কাকে?
২য় ব্যক্তিঃ একটা মেয়েকে।
১ম ব্যক্তিঃ কেউ কি ছেলেকে বিয়ে করে?
২য় ব্যক্তিঃ হ্যাঁ, করে। গত বছর আমার বোন একটা ছেলেকে বিয়ে করেছিল।
200:
এক ভদ্রলোকঃ আমি আমার বউকে ডিভোর্স দিতে চাই।
আইনজীবীঃ কারণ কী?
ভদ্রলোকঃ আমার বউ আমার সঙ্গে গত ছয় মাস কোনো কথা বলেনি।
আইনজীবীঃ ব্যাপারটা ভালো করে ভেবে দেখুন। এ রকম নীরব স্ত্রী কিন্তু খুব একটা সহজে পাওয়া যায় না।
এক ভদ্রলোক তাঁর স্ত্রীকে জোরে একটা চড় মেরে বললেন, ‘যাকে মানুষ ভালোবাসে তাকেই মারে।’
তাঁর স্ত্রী তাঁর গালে দ্বিগুণ জোরে এক চড় মেরে বললেন, ‘তুমি কি ভাব, আমি তোমাকে ভালোবাসি না?’
192:
শাহেদঃ কিরে! ছুরিটা গরম জলে ফোটাচ্ছিস কেন?
পলাশঃ আমি আত্মহত্যা করব ওই ছুরি দিয়ে।
শাহেদঃ তার জন্য ওটাকে গরম করার কী দরকার?
পলাশঃ উফ! যাতে ইনফেকশন না হয়, তাই ওটাকে ফুটিয়ে নিচ্ছি।
193:
ভিখারি
বলল, বাবু, একটা টাকা দিন।
ভদ্রলোক বললেন, কাল এসো।
ভিখারি বলল, এই কালকের চক্করে, আমার প্রায় লাখখানেক টাকা আটকে আছে এই পাড়ায়।
194:
প্রতিদিন মেয়েকে ভোর সাতটায় স্কুলে দিয়ে তার কাজে চলে যায় আমার স্ত্রী (সে একটা স্কুলের টিচার)। আর ১০টায় আমি মেয়েকে স্কুল থেকে নিয়ে এসে বাসায় রেখে অফিসে যাই। এই হচ্ছে প্রতিদিনকার ডিউটি। একদিন সর্বনাশ হলো! আমার যেটা কখনোই হয় না। ঘুম ভাঙল সাড়ে ১০টায়! আমি প্রায় লাফিয়ে উঠলাম!! মেয়ের স্কুল ছুটি হয় ১০টায় আর আমি সাড়ে ১০টায় উঠলাম! কোনোরকমে শার্টটা পরে প্রায় ছুটে বেরোলাম। বাসা থেকে স্কুলে এমনিতে রিকশায় যাই, সেদিন স্কুটার নিলাম। গুলির মতো স্পিডে স্কুলে পৌঁছালাম, গিয়ে দেখি স্কুল বন্ধ! শুক্রবার! আমি হতভম্ভ হয়ে বাসায় ফিরে এসে দেখি, আমার মেয়ে আমার পাশেই তখনো ঘুমাচ্ছে। স্ত্রী বাথরুমে। আমি সমস্ত ব্যাপারটাই চেপে গেলাম।
195:
অফিসে
বসে কম্পিউটারে একটা বাংলা দরখাস্ত টাইপ করছিলাম। টাইপ শেষ করে প্রিন্ট দিলাম, প্রিন্ট বের হচ্ছে না। ব্যাপার কী ঠিক বুঝলাম না। যা-ই হোক, বের যখন হচ্ছে না, এটা নিয়ে মাথা ঘামালাম না আমি; অন্য একটা কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। এ সময় আমার পাড়াতো ছোট ভাই মুরাদ এল (সে মাঝেমধ্যে এসে আমার অফিসে টুকটাক কাজ করে নিয়ে যায়)। সে এসেই কী একটা ইংরেজি দরখাস্ত টাইপ করতে লেগে গেল। আমি আমার কাজে ব্যস্ত রইলাম। মুরাদ টাইপ শেষ করে প্রিন্ট দিল এবং সে দেখি আঁতকে উঠল, ‘একি, টাইপ করলাম ইংরেজিতে, বেরোচ্ছে বাংলায় দরখাস্ত!’ আমি তখন বুঝে গেছি দরখাস্তের ভাষা তো প্রায় একই। আমার বাংলা দরখাস্তটা তখন বের হয়নি কোনো কারণে, মেমোরিতে রয়ে গিয়েছিল, এখন সেটা বেরোচ্ছে। মুরাদ আমায় জিজ্ঞেস করল, আমি এমন কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করেছি কি না, যেটা ইংরেজিতে টাইপ করলে বাংলায় অনুবাদ হয়ে যায়। আমি এবার একটা ভাব নিলাম, ‘হ্যাঁ, নতুন একটা সফটওয়্যার বাজারে এসেছে, তুই জানিস না?’ মুরাদ বোকার মতো আমার দিকে তাকিয়ে রইল!
196:
ঃ ডাক্তার সাহেব, চশমা নেওয়ার পর কি আমি এ বি সি ডি পড়তে পারব?ঃ অবশ্যই পারবেন।
ঃ এবার দেখব, কোন শালায় কয় আমি ইংরেজি পারি না।
197:
এক ভদ্রলোকঃ স্যার, আমার বউ হারিয়ে গেছে।
ডাক্তারঃ এটা হাসপাতাল, এখানে বলে কোনো লাভ নেই। পুলিশ স্টেশনে গিয়ে কমপ্লেন করুন।
ভদ্রলোকঃ আসলে আনন্দের চোটে মাথাটা ঠিক কাজ করছে না।
198:
নসু মামা নতুন লেমিনেশনের ব্যবসায় নেমেছেন। তাই যা-ই পান, তাই লেমিনেশন করে ফেলেন। যেমন, ভাগ্নে-ভাগ্নিদের সার্টিফিকেট, বাসার ইলেকট্রিক বিল, টেলিফোন বিল-কোনো কিছু বাদ নেই লেমিনেশনের। আমরা তাঁকে নিয়ে আড়ালে হাসাহাসিও করতাম। যা-ই হোক, সেই নসু মামা প্রেমে পড়লেন এবং ঢাকঢোল পিটিয়ে তাঁর প্রেমিকাকে বাসায় এনে পরিচয়ও করিয়ে দিলেন। এর কয় দিন পর আমি দুই বছরের জন্য বিদেশ চলে যাই। ফিরে এসে শুনি, মামা ছ্যাঁক খেয়েছেন; লেমিনেশনের ব্যবসাও আর নেই। এর মধ্যে একদিন এক বন্ধুর বড় ভাইয়ের বিয়ে খেতে গেছি। গিয়ে দেখি নতুন বউ আর কেউ নয়, সেই নসু মামার প্রেমিকা! এর কয় দিন পর একদিন বন্ধুর বাসায় গিয়ে নতুন ভাবিকে (মানে ভূতপূর্ব নসু মামি) সুযোগমতো পেয়ে জানতে চাইলাম, আমাদের নসু মামাকে কেন তিনি ত্যাগ করেছিলেন? উত্তরে তিনি একটু অপ্রস্তুত হলেন। তারপর সামলে নিয়ে বলেন, ‘দেখো, সে আমাকে প্রেমপত্র দিত লেমিনেশন করে···’ বাকিটা আমি আর শুনতে চাইনি। কোনোমতে হাসি চেপে বাসায় ফিরেছি।
199:
দুই ব্যক্তির মধ্যে কথা হচ্ছে-
১ম ব্যক্তিঃ ভাই, আপনি বিয়ে করেছেন?
২য় ব্যক্তিঃ হ্যাঁ।
১ম ব্যক্তিঃ কাকে?
২য় ব্যক্তিঃ একটা মেয়েকে।
১ম ব্যক্তিঃ কেউ কি ছেলেকে বিয়ে করে?
২য় ব্যক্তিঃ হ্যাঁ, করে। গত বছর আমার বোন একটা ছেলেকে বিয়ে করেছিল।
200:
এক ভদ্রলোকঃ আমি আমার বউকে ডিভোর্স দিতে চাই।
আইনজীবীঃ কারণ কী?
ভদ্রলোকঃ আমার বউ আমার সঙ্গে গত ছয় মাস কোনো কথা বলেনি।
আইনজীবীঃ ব্যাপারটা ভালো করে ভেবে দেখুন। এ রকম নীরব স্ত্রী কিন্তু খুব একটা সহজে পাওয়া যায় না।
General Joke 181-190
181:
শিক্ষক
ও ছাত্রের মধ্যে কথা হচ্ছে-
শিক্ষকঃ ‘বৃষ্টি পড়ছে’-এর Translation করো।
ছাত্রঃ Rain is reading.
182:
একদিন
এক স্ত্রী তার স্বামীর জন্য খুব যত্ন নিয়ে চটপটি তৈরি করল। স্বামী এক চামচ মুখে দিয়েই ওয়াক করে ফেলে দিল আর বলল, ‘এটা কী রেঁধেছ? খেতে গরুর গোবরের মতো!’ স্ত্রী আঁচল দিয়ে মুখ চাপা দিয়ে বলল, ‘ও মা! কত কিছু টেস্ট করে রেখেছে!’
183:
ভদ্রমহিলাঃ
আজ একটা জরুরি কাজ আছে। সব রান্না একটার মধ্যে সেরে ফেলতে হবে।
বুয়াঃ বাড়িতে কোনো বড় পাতিল নেই তো! তাহলে রান্না একটার মধ্যে শেষ করব কীভাবে?
184:
তাঁর সামনে কখনো আমি মুখ খোলার সুযোগ পাই না, একমাত্র হাই তোলা ছাড়া।
বাবুলঃ আসলাম, তোর বাড়িতে দেখলাম তোর বউ তোর এক বন্ধুর হাত ধরে বসে আছে!
আসলাম রেগেমেগে অফিস থেকে বেরিয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর সে ফিরে এসে বাবুলকে জোরে এক থাপড় মেরে বলল, ‘ওটা আমার বন্ধু নয়, কেন আমাকে শুধু শুধু বাড়ি পাঠালি?’
185:
শাশুড়িঃ
ঈশ্বর দুটো চোখ দিয়েছে কী করতে? চাল থেকে দুটো কাঁকর বাছতে পার না? রোজ খেতে বসে এক জিনিস- দাঁতে কাঁকর।
বউমাঃ ঈশ্বর বত্রিশটা দাঁত দিয়েছে কী করতে? দুটো কাঁকর চিবোতে পারেন না?
186:
বাবুর বান্ধবীর হাতের নখ কামড়ানোর নোংরা একটা অভ্যেস ছিল। ওই বদ অভ্যেসটা কাটানোর জন্য বাবু বান্ধবীকে যোগব্যায়ামের ক্লাসে ভর্তি করে দেয়। কয়েক দিন পর বাবু প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গেল। দেখল, ওর হাতের নখগুলো বেশ বড় হয়ে গেছে। তখন বাবু বেশ হাসিমুখে বলল, ‘দেখলে তো, যোগব্যায়ামে ভর্তি করে তোমার নখ খাওয়া কেমন বন্ধ করলাম।’ বাবুর প্রেমিকা বলল, ‘না, সোনা, আমি নখ খাওয়া ছাড়িনি। যোগব্যায়াম করে আমি এখন পায়ের নখও মুখে আনতে পারি।’
187:
শিক্ষকঃ বলতে পার, ধূমপান কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ছাত্রঃ স্যার, ধূমপান ক্ষতিকারকে পকেটশূন্য বিভক্তি।
188:
ছেলেঃ দেখ, আমার মনে হয় এবার আমাদের বিয়ে করে নেওয়া উচিত।
মেয়েঃ সেটা মানছি, কিন্তু কারা এমন মানুষ আছে যে আমাদের বিয়ে করতে রাজি হবে?
189:
পম্পিঃ
বাবলু, তোর গরম লাগলে তুই কী করিস?
বাবলুঃ কী আবার করব? এসির পাশে গিয়ে বসি।
পম্পিঃ তাতেও যদি তোর গরম না কমে?
বাবলুঃ তখন এসি অন করি।
190:
টিটুঃ জানিস, আমি একদিন রাস্তায় খেলা করছিলাম, তখন একটা গাড়ি এসে আমাকে চাপা দিয়ে চলে যায়।
তিন্নিঃ এ বাবা! তারপর কী হলো? তুই কি বেঁচে গিয়েছিলি?
টিটুঃ ঠিক মনে নেই রে। তখন আমার মাত্র তিন বছর বয়স ছিল।
শিক্ষক
ও ছাত্রের মধ্যে কথা হচ্ছে-
শিক্ষকঃ ‘বৃষ্টি পড়ছে’-এর Translation করো।
ছাত্রঃ Rain is reading.
182:
একদিন
এক স্ত্রী তার স্বামীর জন্য খুব যত্ন নিয়ে চটপটি তৈরি করল। স্বামী এক চামচ মুখে দিয়েই ওয়াক করে ফেলে দিল আর বলল, ‘এটা কী রেঁধেছ? খেতে গরুর গোবরের মতো!’ স্ত্রী আঁচল দিয়ে মুখ চাপা দিয়ে বলল, ‘ও মা! কত কিছু টেস্ট করে রেখেছে!’
183:
ভদ্রমহিলাঃ
আজ একটা জরুরি কাজ আছে। সব রান্না একটার মধ্যে সেরে ফেলতে হবে।
বুয়াঃ বাড়িতে কোনো বড় পাতিল নেই তো! তাহলে রান্না একটার মধ্যে শেষ করব কীভাবে?
184:
তাঁর সামনে কখনো আমি মুখ খোলার সুযোগ পাই না, একমাত্র হাই তোলা ছাড়া।
বাবুলঃ আসলাম, তোর বাড়িতে দেখলাম তোর বউ তোর এক বন্ধুর হাত ধরে বসে আছে!
আসলাম রেগেমেগে অফিস থেকে বেরিয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর সে ফিরে এসে বাবুলকে জোরে এক থাপড় মেরে বলল, ‘ওটা আমার বন্ধু নয়, কেন আমাকে শুধু শুধু বাড়ি পাঠালি?’
185:
শাশুড়িঃ
ঈশ্বর দুটো চোখ দিয়েছে কী করতে? চাল থেকে দুটো কাঁকর বাছতে পার না? রোজ খেতে বসে এক জিনিস- দাঁতে কাঁকর।
বউমাঃ ঈশ্বর বত্রিশটা দাঁত দিয়েছে কী করতে? দুটো কাঁকর চিবোতে পারেন না?
186:
বাবুর বান্ধবীর হাতের নখ কামড়ানোর নোংরা একটা অভ্যেস ছিল। ওই বদ অভ্যেসটা কাটানোর জন্য বাবু বান্ধবীকে যোগব্যায়ামের ক্লাসে ভর্তি করে দেয়। কয়েক দিন পর বাবু প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গেল। দেখল, ওর হাতের নখগুলো বেশ বড় হয়ে গেছে। তখন বাবু বেশ হাসিমুখে বলল, ‘দেখলে তো, যোগব্যায়ামে ভর্তি করে তোমার নখ খাওয়া কেমন বন্ধ করলাম।’ বাবুর প্রেমিকা বলল, ‘না, সোনা, আমি নখ খাওয়া ছাড়িনি। যোগব্যায়াম করে আমি এখন পায়ের নখও মুখে আনতে পারি।’
187:
শিক্ষকঃ বলতে পার, ধূমপান কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ছাত্রঃ স্যার, ধূমপান ক্ষতিকারকে পকেটশূন্য বিভক্তি।
188:
ছেলেঃ দেখ, আমার মনে হয় এবার আমাদের বিয়ে করে নেওয়া উচিত।
মেয়েঃ সেটা মানছি, কিন্তু কারা এমন মানুষ আছে যে আমাদের বিয়ে করতে রাজি হবে?
189:
পম্পিঃ
বাবলু, তোর গরম লাগলে তুই কী করিস?
বাবলুঃ কী আবার করব? এসির পাশে গিয়ে বসি।
পম্পিঃ তাতেও যদি তোর গরম না কমে?
বাবলুঃ তখন এসি অন করি।
190:
টিটুঃ জানিস, আমি একদিন রাস্তায় খেলা করছিলাম, তখন একটা গাড়ি এসে আমাকে চাপা দিয়ে চলে যায়।
তিন্নিঃ এ বাবা! তারপর কী হলো? তুই কি বেঁচে গিয়েছিলি?
টিটুঃ ঠিক মনে নেই রে। তখন আমার মাত্র তিন বছর বয়স ছিল।
General Joke 171-180
171:
এক ইংরেজ ভদ্রলোক বাংলাদেশের কাঁঠালবাজারে কাঁঠাল দেখছেন-
কাঁঠাল ব্যাপারিঃ আহেন স্যার, ভালা কাঁডাল আছে।
ভদ্রলোকঃ আই সি।
কাঁঠাল ব্যাপারিঃ আইছেন যহন, বহেন (পিঁড়ি এগিয়ে দেয়)।
ভদ্রলোকঃ ওকে, ওকে।
কাঁঠাল ব্যাপারিঃ ও আমার ভাতিজা, স্যার। নেন, স্যার, কাঁডাল মিষ্টি বেশি।
ভদ্রলোকঃ মিটসুবিশি? ইজ ইট এ কার?
কাঁঠাল ব্যাপারিঃ বিশ্বাস করেন, স্যার, এগুলো আমার!
172:
কাস্টমারঃ আমাকে একটা পান দেন তো।
দোকানদারঃ আপনি কি খয়ার খান?
কাস্টমারঃ নাহ্! আমার নাম ইমরান খান।
173:
প্রথম বন্ধুঃ জানিস, আমি না একটা চীনা রেডিও কিনেছি।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ তুই কী বোকা, তুই তো চীনা ভাষাই জানিস না।
174;
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রথম বন্ধুঃ আচ্ছা, বল তো পৃথিবীতে সবচেয়ে বাচাল কে?
দ্বিতীয় বন্ধুঃ কে?
প্রথম বন্ধুঃ ঘড়ি! সব সময় টক টক···।
175:
ভিক্ষুকঃ মাগো! দুটো ভিক্ষা দিন, মা।
বাড়ির মালিকঃ বাড়িতে মানুষ নেই, যাও।
ভিক্ষুকঃ আপনি যদি এক মিনিটের জন্য মানুষ হন, তাহলে খুব ভালো হতো।
176:
স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা আরম্ভ হলো। পরীক্ষার হলে এক ছাত্রী জোরে জোরে কাঁদছে।
শিক্ষকঃ তুমি কাঁদছ কেন?
ছাত্রীঃ আমার রচনা কমন পড়েনি।
শিক্ষকঃ কেন? কী এসেছে?
ছাত্রীঃ এসেছে ‘ছাত্রজীবন’। স্যার, আমি তো ছাত্রী। ‘ছাত্রজীবন’ লিখব কীভাবে।
177:
ঃ সবাই বলে আমার বুদ্ধি নাকি নামতে নামতে অনেক নিচে নেমে এসেছে। এখন কী করি ?
ঃ কী আর করবি, মাথা ব্যথা হলে জুতার ভেতরে আøাসপিরিন ট্যাবলেট ভরে রাখিস।
178:
একজন ছাত্র পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখল, সে কোনো উত্তর পারে না। তখন ছাত্রটি খাতায় লিখল, ‘হরে কৃষ্ণ হরে রাম, নম্বর দেওয়া স্যারের কাম।’
পরীক্ষার কাগজ পেয়ে শিক্ষকও খাতায় লিখে দিলেন, ‘হরে হরে হরে, নম্বর কি গাছে ধরে?’
179:
প্রথম দিন
একটা ছেলে একটা মেয়েকে নিয়ে পার্কে গেল, দ্বিতীয় দিন ওই ছেলেটিই অন্য একটা মেয়েকে নিয়ে পার্কে গেল, তৃতীয় ও চতুর্থ দিনও ওই ছেলেটির সঙ্গে অন্য দুটি নতুন মেয়েকে দেখা গেল।
নীতিবাক্যঃ মেয়েরা পালটে যায়। ছেলেরা পাল্টায় না।
180:
আসাদঃ
আমি বিয়ে করলাম কেন, জানিস?
সাগরঃ কেন রে?
আসাদঃ আরে! রান্নাবান্না, জামাকাপড় কাচা, বাড়িঘর পরিষ্কার করা, বাজার করা···উফ! এত কাজ আর একলা করতে পারছিলাম না, তাই বিয়ে করে নিলাম।
সাগরঃ দারুণ! তুই কি জানিস এই একই কারণে আমার ডিভোর্স হয়েছে?
এক ইংরেজ ভদ্রলোক বাংলাদেশের কাঁঠালবাজারে কাঁঠাল দেখছেন-
কাঁঠাল ব্যাপারিঃ আহেন স্যার, ভালা কাঁডাল আছে।
ভদ্রলোকঃ আই সি।
কাঁঠাল ব্যাপারিঃ আইছেন যহন, বহেন (পিঁড়ি এগিয়ে দেয়)।
ভদ্রলোকঃ ওকে, ওকে।
কাঁঠাল ব্যাপারিঃ ও আমার ভাতিজা, স্যার। নেন, স্যার, কাঁডাল মিষ্টি বেশি।
ভদ্রলোকঃ মিটসুবিশি? ইজ ইট এ কার?
কাঁঠাল ব্যাপারিঃ বিশ্বাস করেন, স্যার, এগুলো আমার!
172:
কাস্টমারঃ আমাকে একটা পান দেন তো।
দোকানদারঃ আপনি কি খয়ার খান?
কাস্টমারঃ নাহ্! আমার নাম ইমরান খান।
173:
প্রথম বন্ধুঃ জানিস, আমি না একটা চীনা রেডিও কিনেছি।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ তুই কী বোকা, তুই তো চীনা ভাষাই জানিস না।
174;
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রথম বন্ধুঃ আচ্ছা, বল তো পৃথিবীতে সবচেয়ে বাচাল কে?
দ্বিতীয় বন্ধুঃ কে?
প্রথম বন্ধুঃ ঘড়ি! সব সময় টক টক···।
175:
ভিক্ষুকঃ মাগো! দুটো ভিক্ষা দিন, মা।
বাড়ির মালিকঃ বাড়িতে মানুষ নেই, যাও।
ভিক্ষুকঃ আপনি যদি এক মিনিটের জন্য মানুষ হন, তাহলে খুব ভালো হতো।
176:
স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা আরম্ভ হলো। পরীক্ষার হলে এক ছাত্রী জোরে জোরে কাঁদছে।
শিক্ষকঃ তুমি কাঁদছ কেন?
ছাত্রীঃ আমার রচনা কমন পড়েনি।
শিক্ষকঃ কেন? কী এসেছে?
ছাত্রীঃ এসেছে ‘ছাত্রজীবন’। স্যার, আমি তো ছাত্রী। ‘ছাত্রজীবন’ লিখব কীভাবে।
177:
ঃ সবাই বলে আমার বুদ্ধি নাকি নামতে নামতে অনেক নিচে নেমে এসেছে। এখন কী করি ?
ঃ কী আর করবি, মাথা ব্যথা হলে জুতার ভেতরে আøাসপিরিন ট্যাবলেট ভরে রাখিস।
178:
একজন ছাত্র পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখল, সে কোনো উত্তর পারে না। তখন ছাত্রটি খাতায় লিখল, ‘হরে কৃষ্ণ হরে রাম, নম্বর দেওয়া স্যারের কাম।’
পরীক্ষার কাগজ পেয়ে শিক্ষকও খাতায় লিখে দিলেন, ‘হরে হরে হরে, নম্বর কি গাছে ধরে?’
179:
প্রথম দিন
একটা ছেলে একটা মেয়েকে নিয়ে পার্কে গেল, দ্বিতীয় দিন ওই ছেলেটিই অন্য একটা মেয়েকে নিয়ে পার্কে গেল, তৃতীয় ও চতুর্থ দিনও ওই ছেলেটির সঙ্গে অন্য দুটি নতুন মেয়েকে দেখা গেল।
নীতিবাক্যঃ মেয়েরা পালটে যায়। ছেলেরা পাল্টায় না।
180:
আসাদঃ
আমি বিয়ে করলাম কেন, জানিস?
সাগরঃ কেন রে?
আসাদঃ আরে! রান্নাবান্না, জামাকাপড় কাচা, বাড়িঘর পরিষ্কার করা, বাজার করা···উফ! এত কাজ আর একলা করতে পারছিলাম না, তাই বিয়ে করে নিলাম।
সাগরঃ দারুণ! তুই কি জানিস এই একই কারণে আমার ডিভোর্স হয়েছে?
General Joke 161-170
161:
একটা লোককে কয়েকজন ধরে আচ্ছামতো মারছে। কিন্তু এত মার খেয়েও লোকটা হি হি করে হাসছে। মার শেষে লোকগুলো চলে গেলে এক পথচারী লোকটার হাসির কারণ জানতে এগিয়ে গেল, ‘এত মার খেয়ে আপনি হাসছেন কেন?’
লোকটা হাসতে হাসতে বলল, ‘হাসব না, লোকগুলো তো সব গাধা। ওরা ফজলু শেখ ভেবে আমাকে মারল। ফজলু শেখ তো আমার শত্রু, আমার নাম তো বজলু শেখ!’
162:
ফাঁসির আসামিকে আগের দিন জেলখানার একজন কর্মচারী কথায় কথায় বললেন, ‘কাল তোমাকে ফাঁসি দিতে সরকারের ৫০০ টাকা খরচ হবে।’
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী আসামি অবাক হয়ে বললেন, ‘এত টাকা কেন?’ কারা-কর্মচারী হিসাব দিলেন, জল্লাদ আর তার সহকারীরা পাবে ৩০০ টাকা, ফাঁসির পোশাক বাবদ ১০০ টাকা, দড়ি-ফাঁসির অন্যান্য সরঞ্জামের জন্য আরও ১০০ টাকা।
খরচের বর্ণনা শুনে আসামি ব্যবসায়ীটি খানিকক্ষণ কী যেন ভাবলেন। তারপর বললেন, ‘এত খরচের দরকার কী? কারা কর্তৃপক্ষ আমাকে ১০০ টাকা দিক, আর দুই টাকা দিয়ে একটা দড়ি কিনে দিক। আমি নিজেই গলায় দড়ি দিয়ে মরি। আমারও কিছু লাভ হবে, সরকারেরও সাশ্রয় হবে।’
163:
একদা সচ্ছল, এখন সর্বস্বান্ত এক মহাজনকে সন্ধ্যার অন্ধকারে দুজন ছিনতাইকারী পাকড়াও করল। মিনিট পনেরোর মতো মহাজন প্রাণপণে লড়ে গেলেন ছিনতাইকারী দুজনের সঙ্গে। অবশেষে কাবু হলেন। অনেক খুঁজে ছিনতাইকারী তাঁর শার্টের পকেট থেকে একটা আধুলি পেল মাত্র।
এক ছিনতাইকারী তখন অন্য ছিনতাইকারীকে বলল, ‘সর্বনাশ! এর কাছে যদি পুরো একটা টাকাও থাকত, তাহলে আমাদের আর প্রাণে বাঁচতে হতো না!’
164:
প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য দুই সৈনিক দুটি বোমা নিয়ে গাড়িতে করে যাচ্ছিল। একটি বোমা ছিল একজনের কোলে। সে চালক সৈনিককে বলল, ‘আস্তে চালাও, যেকোনো মুহূর্তে বিস্কোরণ ঘটতে পারে।’
চালক সৈনিক আশ্বস্ত করল, ‘চিন্তা কোরো না, গাড়ির পেছনে আরেকটা বোমা তো আছেই।’
165:
এক ছেলে মিষ্টি খেতে খেতে পেট ভরে একেবারে অজ্ঞান হয়ে গেছে। হাসপাতালে নেওয়ার পর-
ডাক্তারঃ একটু হাঁ করে এই ট্যাবলেটটা খাও তো, বাবা।
রোগী ছেলেঃ এই ট্যাবলেট খাওয়ার জায়গা থাকলে আমি আরেকটি মিষ্টি খেতাম।
166:
বাসা খালি। পাহারায় আছি আমি আর আমার এক সমবয়সী মামু। দারুণ আনন্দে কাটছে দিন, যা ইচ্ছা তা-ই করছি আমরা। স্বাধীন জীবন দুজনের। এর মধ্যে হঠাৎ গেস্ট এসে হাজির। হায় হায়, এখন কী করা? নিজেদের স্বাধীন জীবনে বাড়তি উৎপাত কিছুতেই সহ্য করা হবে না। কী করা যায়? দুজনে মিলে বুদ্ধি করলাম। গেস্ট সকালে বেরিয়ে যায়, সন্ধ্যায় আসে। আমরা ঠিক করলাম, সন্ধ্যায় আমরা গা ঢাকা দেব। সে সন্ধ্যায় বাসায় ঢুকতে পারবে না, পরে বাধ্য হয়ে কেটে পড়বে। যেই ভাবা, সেই কাজ। দুজনে সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মেরে শ্যামলী হলে সেকেন্ড শোতে সিনেমা দেখতে ঢুকে পড়লাম। সিনেমা শেষ হতে হতে রাত ১২টা। আমাদের গেস্ট কি আর আমাদের জন্য সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করবে? বিরতির সময় দুজন বাইরে এলাম সিগারেট টানতে। বাইরে এসে দেখি আমাদের গেস্ট! সেও সিগারেট টানছে!!
ঃ আ-আপনি?
ঃ বাসায় তালা দেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষায় থেকে বুদ্ধি করে সেকেন্ড শো সিনেমায় ঢুকে পড়লাম। যাক, ভালোই হলো, তোমরাও···।
তারপর আর কি···বাকি ছবি তিনজন একসঙ্গে দেখলাম।
167:
একদিন আজিমপুর থেকে বাসে এক খিটখিটে মহিলা উঠে কন্ডাক্টরকে বললেন, ‘আমি কল্যাণপুর নামব।’ পাছে কন্ডাক্টর ভুলে যান, এই ভয়ে প্রতি স্টপেজে তাঁকে প্রশ্ন করতে থাকেন, ‘এটা কল্যাণপুর?’ গাড়িটা যখন সিটি কলেজের কাছে এসেছে, মহিলা আগের মতোই ধৈর্য রাখতে না পেরে কন্ডাক্টরের পিঠে খোঁচা মেরে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এটা কল্যাণপুর?’ কন্ডাক্টর চমকে উঠে ঘুরে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘জি না, ওটা আমার পিঠ।’
168;
ঠাকুর মা বেপরোয়া রাস্তা পার হচ্ছে দেখে পুলিশ সিটি বাজাল। কিন্তু ঠাকুরমা থামল না। পুলিশ দৌড়ে এসে জিজ্ঞেস করল, ‘কী ঠাকুমা, এই গাড়িঘোড়ার মধ্যে তুমি রাস্তা পার হচ্ছ! আমি সিটি বাজালাম, তা-ও তুমি থামলে না কেন?’ ঠাকুরমা একগাল হেসে বলল, ‘বাবা, সিটি শুনে দাঁড়াবার বয়স কি আমার আছে?’
169:
চীনারা বাচ্চাদের নামকরণ কীভাবে করে জানেন? বাচ্চা হলে নাকি তারা ঘরের হাঁড়িকুড়ি, বাসনপত্র সব আকাশে ছুড়ে দেয়। তারপর ওগুলো একটা একটা করে পড়তে থাকে। কোনোটা ‘ট্যাং’ শব্দে পড়ে, কোনোটা ‘চ্যাং’ আর কোনোটা ‘প্যাং’ শব্দে···। ওই শব্দ থেকে তারা একটা নাম পছন্দ কের নেয়।
170:
মাঃ ডিনার খেতে অনেক গেস্ট আসবে এখন। যাও, তাড়াতাড়ি হাত-মুখ ধুয়ে ভালো কাপড়চোপড় পরে তৈরি হয়ে এসো।
ছেলেঃ গেস্টরা কি আমাকেই খাবে!
একটা লোককে কয়েকজন ধরে আচ্ছামতো মারছে। কিন্তু এত মার খেয়েও লোকটা হি হি করে হাসছে। মার শেষে লোকগুলো চলে গেলে এক পথচারী লোকটার হাসির কারণ জানতে এগিয়ে গেল, ‘এত মার খেয়ে আপনি হাসছেন কেন?’
লোকটা হাসতে হাসতে বলল, ‘হাসব না, লোকগুলো তো সব গাধা। ওরা ফজলু শেখ ভেবে আমাকে মারল। ফজলু শেখ তো আমার শত্রু, আমার নাম তো বজলু শেখ!’
162:
ফাঁসির আসামিকে আগের দিন জেলখানার একজন কর্মচারী কথায় কথায় বললেন, ‘কাল তোমাকে ফাঁসি দিতে সরকারের ৫০০ টাকা খরচ হবে।’
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী আসামি অবাক হয়ে বললেন, ‘এত টাকা কেন?’ কারা-কর্মচারী হিসাব দিলেন, জল্লাদ আর তার সহকারীরা পাবে ৩০০ টাকা, ফাঁসির পোশাক বাবদ ১০০ টাকা, দড়ি-ফাঁসির অন্যান্য সরঞ্জামের জন্য আরও ১০০ টাকা।
খরচের বর্ণনা শুনে আসামি ব্যবসায়ীটি খানিকক্ষণ কী যেন ভাবলেন। তারপর বললেন, ‘এত খরচের দরকার কী? কারা কর্তৃপক্ষ আমাকে ১০০ টাকা দিক, আর দুই টাকা দিয়ে একটা দড়ি কিনে দিক। আমি নিজেই গলায় দড়ি দিয়ে মরি। আমারও কিছু লাভ হবে, সরকারেরও সাশ্রয় হবে।’
163:
একদা সচ্ছল, এখন সর্বস্বান্ত এক মহাজনকে সন্ধ্যার অন্ধকারে দুজন ছিনতাইকারী পাকড়াও করল। মিনিট পনেরোর মতো মহাজন প্রাণপণে লড়ে গেলেন ছিনতাইকারী দুজনের সঙ্গে। অবশেষে কাবু হলেন। অনেক খুঁজে ছিনতাইকারী তাঁর শার্টের পকেট থেকে একটা আধুলি পেল মাত্র।
এক ছিনতাইকারী তখন অন্য ছিনতাইকারীকে বলল, ‘সর্বনাশ! এর কাছে যদি পুরো একটা টাকাও থাকত, তাহলে আমাদের আর প্রাণে বাঁচতে হতো না!’
164:
প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য দুই সৈনিক দুটি বোমা নিয়ে গাড়িতে করে যাচ্ছিল। একটি বোমা ছিল একজনের কোলে। সে চালক সৈনিককে বলল, ‘আস্তে চালাও, যেকোনো মুহূর্তে বিস্কোরণ ঘটতে পারে।’
চালক সৈনিক আশ্বস্ত করল, ‘চিন্তা কোরো না, গাড়ির পেছনে আরেকটা বোমা তো আছেই।’
165:
এক ছেলে মিষ্টি খেতে খেতে পেট ভরে একেবারে অজ্ঞান হয়ে গেছে। হাসপাতালে নেওয়ার পর-
ডাক্তারঃ একটু হাঁ করে এই ট্যাবলেটটা খাও তো, বাবা।
রোগী ছেলেঃ এই ট্যাবলেট খাওয়ার জায়গা থাকলে আমি আরেকটি মিষ্টি খেতাম।
166:
বাসা খালি। পাহারায় আছি আমি আর আমার এক সমবয়সী মামু। দারুণ আনন্দে কাটছে দিন, যা ইচ্ছা তা-ই করছি আমরা। স্বাধীন জীবন দুজনের। এর মধ্যে হঠাৎ গেস্ট এসে হাজির। হায় হায়, এখন কী করা? নিজেদের স্বাধীন জীবনে বাড়তি উৎপাত কিছুতেই সহ্য করা হবে না। কী করা যায়? দুজনে মিলে বুদ্ধি করলাম। গেস্ট সকালে বেরিয়ে যায়, সন্ধ্যায় আসে। আমরা ঠিক করলাম, সন্ধ্যায় আমরা গা ঢাকা দেব। সে সন্ধ্যায় বাসায় ঢুকতে পারবে না, পরে বাধ্য হয়ে কেটে পড়বে। যেই ভাবা, সেই কাজ। দুজনে সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মেরে শ্যামলী হলে সেকেন্ড শোতে সিনেমা দেখতে ঢুকে পড়লাম। সিনেমা শেষ হতে হতে রাত ১২টা। আমাদের গেস্ট কি আর আমাদের জন্য সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করবে? বিরতির সময় দুজন বাইরে এলাম সিগারেট টানতে। বাইরে এসে দেখি আমাদের গেস্ট! সেও সিগারেট টানছে!!
ঃ আ-আপনি?
ঃ বাসায় তালা দেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষায় থেকে বুদ্ধি করে সেকেন্ড শো সিনেমায় ঢুকে পড়লাম। যাক, ভালোই হলো, তোমরাও···।
তারপর আর কি···বাকি ছবি তিনজন একসঙ্গে দেখলাম।
167:
একদিন আজিমপুর থেকে বাসে এক খিটখিটে মহিলা উঠে কন্ডাক্টরকে বললেন, ‘আমি কল্যাণপুর নামব।’ পাছে কন্ডাক্টর ভুলে যান, এই ভয়ে প্রতি স্টপেজে তাঁকে প্রশ্ন করতে থাকেন, ‘এটা কল্যাণপুর?’ গাড়িটা যখন সিটি কলেজের কাছে এসেছে, মহিলা আগের মতোই ধৈর্য রাখতে না পেরে কন্ডাক্টরের পিঠে খোঁচা মেরে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এটা কল্যাণপুর?’ কন্ডাক্টর চমকে উঠে ঘুরে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘জি না, ওটা আমার পিঠ।’
168;
ঠাকুর মা বেপরোয়া রাস্তা পার হচ্ছে দেখে পুলিশ সিটি বাজাল। কিন্তু ঠাকুরমা থামল না। পুলিশ দৌড়ে এসে জিজ্ঞেস করল, ‘কী ঠাকুমা, এই গাড়িঘোড়ার মধ্যে তুমি রাস্তা পার হচ্ছ! আমি সিটি বাজালাম, তা-ও তুমি থামলে না কেন?’ ঠাকুরমা একগাল হেসে বলল, ‘বাবা, সিটি শুনে দাঁড়াবার বয়স কি আমার আছে?’
169:
চীনারা বাচ্চাদের নামকরণ কীভাবে করে জানেন? বাচ্চা হলে নাকি তারা ঘরের হাঁড়িকুড়ি, বাসনপত্র সব আকাশে ছুড়ে দেয়। তারপর ওগুলো একটা একটা করে পড়তে থাকে। কোনোটা ‘ট্যাং’ শব্দে পড়ে, কোনোটা ‘চ্যাং’ আর কোনোটা ‘প্যাং’ শব্দে···। ওই শব্দ থেকে তারা একটা নাম পছন্দ কের নেয়।
170:
মাঃ ডিনার খেতে অনেক গেস্ট আসবে এখন। যাও, তাড়াতাড়ি হাত-মুখ ধুয়ে ভালো কাপড়চোপড় পরে তৈরি হয়ে এসো।
ছেলেঃ গেস্টরা কি আমাকেই খাবে!
General Joke 151-160
151:
আমি বড়লোকের এক ত্যাঁদড় ছেলেকে পড়াই। মহা ফাজিল ছাত্র! একদিন তাকে ট্রান্সলেশন পড়াচ্ছি। সে উল্টো আমাকে ট্রান্সলেশন ধরে বসল, ‘স্যার, বলেন তো, আমি হই কিন্তু দুই, এর ইংরেজি কী হবে?’
ঃ এটা আবার কী হলো?
ঃ বলেন না, স্যার।
ঃ আই অ্যাম বাট টু···
আমার ফাজিল ছাত্র দেখি হি হি হাসিতে ভেঙে পড়ছে। তখনই আমার খেয়াল হলো, আরে, সে তো আমাকে বোকা বানানোর জন্য কাজটা করেছে! বলাই বাহুল্য, আমি একটু খাটোই!
152:
এক বুড়ো গাছ থেকে পড়ে হাত ভেঙে ডাক্তারের কাছে গেলেন-
ডাক্তারঃ গাছ থেকে পড়লেন কীভাবে?
রোগীঃ তোরা কে আছিস, আমাকে ধরে গাছে তুলে দে। আমি স্যারকে বুঝিয়ে দিই কী করে পড়লাম।
153:
বাইরে থেকে দরজা নক করছে।
ভেতর থেকেঃ কে?
বাইরে থেকেঃ আমি।
ভেতর থেকেঃ আমি কে?
বাইরে থেকেঃ আরে, আপনি কে আমি কী করে বলব?
154:
প্রথম বন্ধুঃ আমি কখনো পুলিশের মার খাইনি।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ আমি প্রায় রোজই খাই।
প্রথম বন্ধুঃ বলিস কিরে?
দ্বিতীয় বন্ধুঃ কেন, জানিস না, আমার আব্বু একজন পুলিশ অফিসার?
155:
বহুদিন পর আমার পুরোনো প্রেমিকার চিঠি পেলাম। চিঠির ভাষা ছিল এ রকম-
প্রিয় মজনু, তোমার সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙাটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল। আজ আমি বুঝতে পেরেছি, পৃথিবীতে তুমিই আমায় সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতে। আমরা কি পারি না পুরোনো সম্পর্কটা নতুন করে তৈরি করতে? তোমার উত্তরের প্রতীক্ষায় রইলাম।
ইতি-তোমার জুলি
পুনশ্চঃ লটারিতে এক কোটি টাকা পাওয়ার জন্য অভিনন্দন।
156:
একজন ক্রেতাঃ সর্দারজি, লসসিতে মাছি!
সর্দারজিঃ এত ছোট মন তোমার? একটা মাছির জন্য চেঁচাচ্ছ? ওই একটা ছোট্ট মাছি তোমার কতটা লসসিই বা খাবে।
157:
বাবলু একদিন টিভি কিনতে দোকানে গেল। দোকানদারকে জিজ্ঞেস করল, এখানে কালার টিভি পাওয়া যায়?
দোকানদারঃ হ্যাঁ, আপনি নেবেন?
সর্দারজিঃ নেব বলেই তো এসেছি। আমাকে একটা সবুজ রঙের টিভি দাও তো?
158:
দীপ্রঃ জানিস মিশু, আমার বাবা না ভীষণ ভীতু।
মিশুঃ তুই কী করে বুঝলি?
দীপ্রঃ যখনই রাস্তা পার হয়, তখনই আমার হাত শক্ত করে ধরে, আর বলে, হাত ছেড়ো না।
159:
একদিন তুমুল ঝগড়ার পর গিন্নি তাঁর কর্তাকে বললেন, আমি মনে হয় পাগল ছিলাম যে তোমাকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছিলাম।
কর্তা বললেনঃ আর আমিও তোমার প্রেমে তখন এত হাবুডুবু খেয়েছিলাম যে খেয়াল করিনি তুমি পাগল।
160:
ঃ শুনেছিস, সেই
লেখক ভদ্রলোক গাড়িচাপা পড়ে মারা গেছেন।
ঃ কোন লেখক?
ঃ ওই যে, যিনি ‘পায়ে হেঁটে নিরাপদে রাস্তায় চলার নিয়মাবলি’ বইটা লিখেছিলেন।
আমি বড়লোকের এক ত্যাঁদড় ছেলেকে পড়াই। মহা ফাজিল ছাত্র! একদিন তাকে ট্রান্সলেশন পড়াচ্ছি। সে উল্টো আমাকে ট্রান্সলেশন ধরে বসল, ‘স্যার, বলেন তো, আমি হই কিন্তু দুই, এর ইংরেজি কী হবে?’
ঃ এটা আবার কী হলো?
ঃ বলেন না, স্যার।
ঃ আই অ্যাম বাট টু···
আমার ফাজিল ছাত্র দেখি হি হি হাসিতে ভেঙে পড়ছে। তখনই আমার খেয়াল হলো, আরে, সে তো আমাকে বোকা বানানোর জন্য কাজটা করেছে! বলাই বাহুল্য, আমি একটু খাটোই!
152:
এক বুড়ো গাছ থেকে পড়ে হাত ভেঙে ডাক্তারের কাছে গেলেন-
ডাক্তারঃ গাছ থেকে পড়লেন কীভাবে?
রোগীঃ তোরা কে আছিস, আমাকে ধরে গাছে তুলে দে। আমি স্যারকে বুঝিয়ে দিই কী করে পড়লাম।
153:
বাইরে থেকে দরজা নক করছে।
ভেতর থেকেঃ কে?
বাইরে থেকেঃ আমি।
ভেতর থেকেঃ আমি কে?
বাইরে থেকেঃ আরে, আপনি কে আমি কী করে বলব?
154:
প্রথম বন্ধুঃ আমি কখনো পুলিশের মার খাইনি।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ আমি প্রায় রোজই খাই।
প্রথম বন্ধুঃ বলিস কিরে?
দ্বিতীয় বন্ধুঃ কেন, জানিস না, আমার আব্বু একজন পুলিশ অফিসার?
155:
বহুদিন পর আমার পুরোনো প্রেমিকার চিঠি পেলাম। চিঠির ভাষা ছিল এ রকম-
প্রিয় মজনু, তোমার সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙাটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল। আজ আমি বুঝতে পেরেছি, পৃথিবীতে তুমিই আমায় সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতে। আমরা কি পারি না পুরোনো সম্পর্কটা নতুন করে তৈরি করতে? তোমার উত্তরের প্রতীক্ষায় রইলাম।
ইতি-তোমার জুলি
পুনশ্চঃ লটারিতে এক কোটি টাকা পাওয়ার জন্য অভিনন্দন।
156:
একজন ক্রেতাঃ সর্দারজি, লসসিতে মাছি!
সর্দারজিঃ এত ছোট মন তোমার? একটা মাছির জন্য চেঁচাচ্ছ? ওই একটা ছোট্ট মাছি তোমার কতটা লসসিই বা খাবে।
157:
বাবলু একদিন টিভি কিনতে দোকানে গেল। দোকানদারকে জিজ্ঞেস করল, এখানে কালার টিভি পাওয়া যায়?
দোকানদারঃ হ্যাঁ, আপনি নেবেন?
সর্দারজিঃ নেব বলেই তো এসেছি। আমাকে একটা সবুজ রঙের টিভি দাও তো?
158:
দীপ্রঃ জানিস মিশু, আমার বাবা না ভীষণ ভীতু।
মিশুঃ তুই কী করে বুঝলি?
দীপ্রঃ যখনই রাস্তা পার হয়, তখনই আমার হাত শক্ত করে ধরে, আর বলে, হাত ছেড়ো না।
159:
একদিন তুমুল ঝগড়ার পর গিন্নি তাঁর কর্তাকে বললেন, আমি মনে হয় পাগল ছিলাম যে তোমাকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছিলাম।
কর্তা বললেনঃ আর আমিও তোমার প্রেমে তখন এত হাবুডুবু খেয়েছিলাম যে খেয়াল করিনি তুমি পাগল।
160:
ঃ শুনেছিস, সেই
লেখক ভদ্রলোক গাড়িচাপা পড়ে মারা গেছেন।
ঃ কোন লেখক?
ঃ ওই যে, যিনি ‘পায়ে হেঁটে নিরাপদে রাস্তায় চলার নিয়মাবলি’ বইটা লিখেছিলেন।
General Joke 141-150
141:আস্তে হাঁটা
এক তরুণী চাকরিজীবী, রোজ অফিসে বেশ দেরি করে আসেন। অফিসের বস, এই ঘটনা জেনে অনেক বার ওই তরুণীকে শাসিয়েছেন। অথচঃ আজও সে দু’ঘণ্টা দেরি করে অফিসে এসেছে!
বস : আচ্ছা, আজও দেরি হল কেন?
তরুণী : কি করব স্যার, রাস্তায় এক বখাটে ছেলে পিছু নিয়েছিল!
বস : বলে কী! তাহলে তো দ্রুত হেঁটে আরও এক ঘণ্টা আগে অফিসে পৌঁছানোর কথা, দেরি হল কেন?
তরুণী : আর বলবেন না, ছেলেটা এত আস্তে হাঁটে!
142:নেপোলিয়ান
মামাঃ এখন কোন ক্লাসে পড়িস ভাগনে?
ভাগনাঃ ক্লাস টুতে মামা।
মামাঃ তোর লজ্জা করা উচিত। তোর বয়সে নেপোলিয়ন ক্লাস ফাইভে পড়তেন।
ভাগনাঃ তাহলে মামা, আপনারও লজ্জা করা উচিত, আপনার বয়সে নেপোলিয়ান সম্রাট হয়েছিলেন!
143:গরম চা
১ম চাপাবাজঃ আমি এত গরম চা খাই যে, কেতলি থেকে সোজা মুখে ঢেলে দেই!
২য় চাপাবাজঃ কি বলিস! আমি তো চাপাতা, পানি, দুধ, চিনি মুখে দিয়ে চুলোয় বসে পড়ি!
144:ঘাড় ধরে বের করে দেব
জেল অফিসারঃ জেলখানার ভেতর যারা আছে তারা সবাই ভীষন দুর্দান্ত চরিত্রের মানুষ। তুমি কন্ট্রোল করতে পারবেতো ?
চাকরি প্রার্থীঃ পারবনা মানে, বেশি তেড়িবেড়ি করলে ঘাড় ধরে বের করে দেব।
145:কুমীর
টুরিস্টঃ নদীতে নামতে পারি? কুমীরের ভয় নেই তো?
স্হানীয় লোকঃ নিশ্চিন্তে নামুন। এখন আর একটি কুমীরও নেই। গত দু বছরে সবকটি কুমীর হাঙর খেয়ে ফেলেছে।
146:ড্রাইভিং লাইসেন্স
ট্রাফিকঃ আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখি।
চালকঃ কিন্তু স্যার, আমিতো খুব সাবধানে চালাচ্ছি,বেআইনি কোন কিছু করিনি।
ট্রফিকঃ সেজন্যইতো সন্দেহ হচ্ছে।
147:শত্রু নাই
প্রথম ভদ্রলোকঃ আমার বয়স পঁচাশি বছর হলো, পৃথিবীতে আমার কোন শত্রু নাই।
দ্বিতীয় ভদ্রলোকঃ আবাক কান্ড,এতো বছরেও পৃথিবীতে আপনার কোন শত্রু হয়নি!
প্রথম ভদ্রলোকঃ যারা হয়েছিল,তারা অনেক আগে মারা গেছে।
একটা বাচাল বাচ্চা বাসে উঠে ড্রাইভারের পাশে বসলো। বসেই এত্তো কথা বলা শুরু করলো যে ড্রাইভার বিরক্ত হয়ে গেল। বাচ্চার কথা গুলো এরকমের ‘
আমার আব্বা যদি মোরগ হোতো আর আমার আম্মা যদি মুরগী হোতো আমি একটা বাচ্চা ………….. মুরগী হোতাম‘
একটু পর ছেলেটি আবার বলতেছে
‘আমার আব্বা যদি একটা ছেলে হাতি হোতো আর আমার আম্মা যদি মেয়ে হাতি হোতো আমি একটা বাচ্চা হাতি হোতাম‘
আবার একটু পর
‘আমার আব্বা যদি একটা ষাঁড় হোতো আর আমার আম্মা যদি গরু হোতো আমি একটা বাচ্চা গরু হোতাম‘
এভাবে বলতে বলতে ড্রাইভারকে সহ্যের চূড়ান্ত সীমায় নিয়ে গেল।
ড্রাইভার শেষে থাকতে না পেরে ছেলেটিকে বললো
‘তোমার আব্বা যদি একটা মাতাল হতো আর তোমার আম্মা যদি পতিতা হতো তাহলে তুমি কি হুতে?’
ছেলেটি কিছুক্ষন চিন্তা করে বললো
‘তাহলে আমি হোতাম বাস ড্রাইভার‘।
148:ডিম
১ম পাগলঃ জানিস, আজ আমি বাজার থেকে একটা আণ্ডাওয়ালা মোরগ নিয়ে এলাম।
২য় পাগলঃ ধুর বোকা, মোরগ কী ঘোড়া যে ডিম পাড়বে
149:
রোগীঃ ডাক্তার, আমার না ভুলে যাওয়ার ব্যামোয় ধরেছে।
ডাক্তারঃ কবে থেকে এই রোগের শিকার হয়েছেন?
রোগীঃ অ্যাই ডাক্তার, কোন রোগের কথা বলছিস? আমি দিব্যি সুস্থ। খালি পয়সা বের করার ধান্দা, না।
150:
দুই বন্ধু গেছি পদ্মাপারের গ্রামের বাড়ি বেড়াতে। পূর্ণিমার রাত। দুজনে চলে গেলাম পদ্মাপাড়ে। পা ঝুলিয়ে বসলাম। বন্ধুর কাব্য রোগ আছে, সে আবেগে আপ্লুত হয়ে উঠল। না উঠেই বা উপায় কী? ওপরে ফিনিক ফোটা জ্যোৎস্মা···, নিচে জলের কল্লোল··· কবি বন্ধু বলে উঠল, ‘ইচ্ছে করে এই গহিন রহস্যময় প্রকৃতির মধ্যে হারিয়ে যাই···’ বলামাত্রই ‘ঝুপ’ করে একটা শব্দ! দেখি আমার পাশে কেউ নেই! নদীর পাড় ভেঙে সে আক্ষরিক অর্থেই নিচে হারিয়ে গেছে। পরে তাকে উদ্ধার করতে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল।
এক তরুণী চাকরিজীবী, রোজ অফিসে বেশ দেরি করে আসেন। অফিসের বস, এই ঘটনা জেনে অনেক বার ওই তরুণীকে শাসিয়েছেন। অথচঃ আজও সে দু’ঘণ্টা দেরি করে অফিসে এসেছে!
বস : আচ্ছা, আজও দেরি হল কেন?
তরুণী : কি করব স্যার, রাস্তায় এক বখাটে ছেলে পিছু নিয়েছিল!
বস : বলে কী! তাহলে তো দ্রুত হেঁটে আরও এক ঘণ্টা আগে অফিসে পৌঁছানোর কথা, দেরি হল কেন?
তরুণী : আর বলবেন না, ছেলেটা এত আস্তে হাঁটে!
142:নেপোলিয়ান
মামাঃ এখন কোন ক্লাসে পড়িস ভাগনে?
ভাগনাঃ ক্লাস টুতে মামা।
মামাঃ তোর লজ্জা করা উচিত। তোর বয়সে নেপোলিয়ন ক্লাস ফাইভে পড়তেন।
ভাগনাঃ তাহলে মামা, আপনারও লজ্জা করা উচিত, আপনার বয়সে নেপোলিয়ান সম্রাট হয়েছিলেন!
143:গরম চা
১ম চাপাবাজঃ আমি এত গরম চা খাই যে, কেতলি থেকে সোজা মুখে ঢেলে দেই!
২য় চাপাবাজঃ কি বলিস! আমি তো চাপাতা, পানি, দুধ, চিনি মুখে দিয়ে চুলোয় বসে পড়ি!
144:ঘাড় ধরে বের করে দেব
জেল অফিসারঃ জেলখানার ভেতর যারা আছে তারা সবাই ভীষন দুর্দান্ত চরিত্রের মানুষ। তুমি কন্ট্রোল করতে পারবেতো ?
চাকরি প্রার্থীঃ পারবনা মানে, বেশি তেড়িবেড়ি করলে ঘাড় ধরে বের করে দেব।
145:কুমীর
টুরিস্টঃ নদীতে নামতে পারি? কুমীরের ভয় নেই তো?
স্হানীয় লোকঃ নিশ্চিন্তে নামুন। এখন আর একটি কুমীরও নেই। গত দু বছরে সবকটি কুমীর হাঙর খেয়ে ফেলেছে।
146:ড্রাইভিং লাইসেন্স
ট্রাফিকঃ আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখি।
চালকঃ কিন্তু স্যার, আমিতো খুব সাবধানে চালাচ্ছি,বেআইনি কোন কিছু করিনি।
ট্রফিকঃ সেজন্যইতো সন্দেহ হচ্ছে।
147:শত্রু নাই
প্রথম ভদ্রলোকঃ আমার বয়স পঁচাশি বছর হলো, পৃথিবীতে আমার কোন শত্রু নাই।
দ্বিতীয় ভদ্রলোকঃ আবাক কান্ড,এতো বছরেও পৃথিবীতে আপনার কোন শত্রু হয়নি!
প্রথম ভদ্রলোকঃ যারা হয়েছিল,তারা অনেক আগে মারা গেছে।
একটা বাচাল বাচ্চা বাসে উঠে ড্রাইভারের পাশে বসলো। বসেই এত্তো কথা বলা শুরু করলো যে ড্রাইভার বিরক্ত হয়ে গেল। বাচ্চার কথা গুলো এরকমের ‘
আমার আব্বা যদি মোরগ হোতো আর আমার আম্মা যদি মুরগী হোতো আমি একটা বাচ্চা ………….. মুরগী হোতাম‘
একটু পর ছেলেটি আবার বলতেছে
‘আমার আব্বা যদি একটা ছেলে হাতি হোতো আর আমার আম্মা যদি মেয়ে হাতি হোতো আমি একটা বাচ্চা হাতি হোতাম‘
আবার একটু পর
‘আমার আব্বা যদি একটা ষাঁড় হোতো আর আমার আম্মা যদি গরু হোতো আমি একটা বাচ্চা গরু হোতাম‘
এভাবে বলতে বলতে ড্রাইভারকে সহ্যের চূড়ান্ত সীমায় নিয়ে গেল।
ড্রাইভার শেষে থাকতে না পেরে ছেলেটিকে বললো
‘তোমার আব্বা যদি একটা মাতাল হতো আর তোমার আম্মা যদি পতিতা হতো তাহলে তুমি কি হুতে?’
ছেলেটি কিছুক্ষন চিন্তা করে বললো
‘তাহলে আমি হোতাম বাস ড্রাইভার‘।
148:ডিম
১ম পাগলঃ জানিস, আজ আমি বাজার থেকে একটা আণ্ডাওয়ালা মোরগ নিয়ে এলাম।
২য় পাগলঃ ধুর বোকা, মোরগ কী ঘোড়া যে ডিম পাড়বে
149:
রোগীঃ ডাক্তার, আমার না ভুলে যাওয়ার ব্যামোয় ধরেছে।
ডাক্তারঃ কবে থেকে এই রোগের শিকার হয়েছেন?
রোগীঃ অ্যাই ডাক্তার, কোন রোগের কথা বলছিস? আমি দিব্যি সুস্থ। খালি পয়সা বের করার ধান্দা, না।
150:
দুই বন্ধু গেছি পদ্মাপারের গ্রামের বাড়ি বেড়াতে। পূর্ণিমার রাত। দুজনে চলে গেলাম পদ্মাপাড়ে। পা ঝুলিয়ে বসলাম। বন্ধুর কাব্য রোগ আছে, সে আবেগে আপ্লুত হয়ে উঠল। না উঠেই বা উপায় কী? ওপরে ফিনিক ফোটা জ্যোৎস্মা···, নিচে জলের কল্লোল··· কবি বন্ধু বলে উঠল, ‘ইচ্ছে করে এই গহিন রহস্যময় প্রকৃতির মধ্যে হারিয়ে যাই···’ বলামাত্রই ‘ঝুপ’ করে একটা শব্দ! দেখি আমার পাশে কেউ নেই! নদীর পাড় ভেঙে সে আক্ষরিক অর্থেই নিচে হারিয়ে গেছে। পরে তাকে উদ্ধার করতে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল।
General Joke 131-140
131:প্রতিশ্রুতি
চেয়ারম্যান: আমি যদি এবার চেয়ারম্যান হতে পারি তাহলে এই এলাকায় একটি ব্রিজ করে দিব
জনৈক ব্যাক্তি: এই গ্রামে তো কোনো খাল নেই, আপনি ব্রিজ করবেন কিভাবে?
চেয়ারম্যান: …প্রথমে খাল করব তারপর ব্রিজ করব!
132:গাধা!
প্রেমিক-প্রেমিকা নিজেরাই নিজেদের বিয়ে ঠিক করেছে। ছেলেটা বলল, আমাদের বিয়ের এই খবরটা বিয়ের আগের দিন পযর্ন্ত কাউকে আমরা জানাবো না । খবরটা শুধু বিয়ের আগের দিন আমরা সবাইকে জানাবো এবং এইটা একটা Surprise হবে।
মেয়েটা বলল, আমি শুধু একজনকে এই খবরটা জানাতে চাই।
ছেলে :- কেন?
মেয়ে :- পাশের বাড়ির কালু আমাকে একদিন বলেছিল, কোন গাধাই নাকি আমাকে বিয়ে করবেনা। তাই ওকে জানাতে হবে।
133:স্বর্ণর খাট
মেয়ের বাবাঃ বেয়াই সাহেব আপনি তো বলেছিলেন আপনার ছেলে স্বর্ণর খাটে ঘুমায় কিন্তু এটা তো দেখছি কাঠের?
ছেলের বাবাঃ ঠিকই দেখছেন। এটা আমার বড় মেয়ে স্বর্ণর খাট। মেয়েটার বিয়ে হয়ে যাওয়ায় এই খাটে আমার ছেলেই ঘুমায়।
134:বাবার ‘পা’
১ম বন্ধু : জানিস, বাড়ি থেকে পালিয়ে যেদিন নিশিকে বিয়ে করলাম, ঠিক সেদিনই জুতোর বাড়ি খেতে হল!
২য় বন্ধু : আমার ধারণা, এর পেছনে নিশ্চয়ই নিশির বাবার হাত ছিল!
১ম বন্ধু : না না, হাত নয়! ওটার মধ্যে নিশির বাবার ‘পা’ ছিল!
135:ধার
প্রশ্নঃ কাউকে এড়িয়ে চলার সহজ উপায় কি?
উত্তরঃ টাকা ধার দেয়া।
136:ইচ্ছে
ভদ্রমহিলাঃ তোমার নাম কি।
খুকিঃ অনিতা।
ভদ্রমহিলাঃ কি সুন্দর দেখতে তুমি। তোমার মতো মেয়ের মা হতে আমার খুব ইচ্ছে।
খুকিঃ কিন্তু আমার বাবা যে মারা গিয়েছেন।
137:কান্না
- জমিদার হাতিটা মরে যাওয়ায় কাঁদবে তো মাহুত আর জমিদারের লোকজন তুমি কাঁদছ কেন?
- আমি কাঁদছি শোকে না ভাই। ওটাকে যে কবর দেয়ার ভার পরেছে আমার উপর।
138:ইঁন্দুর
বুয়াঃ খালাম্মা, দুধের পাতিলে একটা ইঁন্দুর পড়ছে।
গৃহিণীঃ কী! তাড়াতাড়ি ইঁদুরটা সরা।
বুয়াঃ (হেসে) ইঁন্দুর সরানোর ব্যবস্থা কইরাই আফনেরে বলছি। পাতিলের ভিতরে একখান বিলাই রাইখা আসছি!
139:চার মাস পর
বাড়ীর কর্তা(নতুন কাজের লোক কে): ঠিক আছে তুমি আজ থেকে কাজে লেগে যাও। প্রতিদিন ২০ টাকা করে পাবে । চার মাস পর থেকে ৪০ টাকা করে পাবে।
কাজের লোক: আমি তাহলে চার মাস পরেই আসবো।
140:আস্তে হাঁটা
এক তরুণী চাকরিজীবী, রোজ অফিসে বেশ দেরি করে আসেন। অফিসের বস, এই ঘটনা জেনে অনেক বার ওই তরুণীকে শাসিয়েছেন। অথচঃ আজও সে দু’ঘণ্টা দেরি করে অফিসে এসেছে!
বস : আচ্ছা, আজও দেরি হল কেন?
তরুণী : কি করব স্যার, রাস্তায় এক বখাটে ছেলে পিছু নিয়েছিল!
বস : বলে কী! তাহলে তো দ্রুত হেঁটে আরও এক ঘণ্টা আগে অফিসে পৌঁছানোর কথা, দেরি হল কেন?
তরুণী : আর বলবেন না, ছেলেটা এত আস্তে হাঁটে!
চেয়ারম্যান: আমি যদি এবার চেয়ারম্যান হতে পারি তাহলে এই এলাকায় একটি ব্রিজ করে দিব
জনৈক ব্যাক্তি: এই গ্রামে তো কোনো খাল নেই, আপনি ব্রিজ করবেন কিভাবে?
চেয়ারম্যান: …প্রথমে খাল করব তারপর ব্রিজ করব!
132:গাধা!
প্রেমিক-প্রেমিকা নিজেরাই নিজেদের বিয়ে ঠিক করেছে। ছেলেটা বলল, আমাদের বিয়ের এই খবরটা বিয়ের আগের দিন পযর্ন্ত কাউকে আমরা জানাবো না । খবরটা শুধু বিয়ের আগের দিন আমরা সবাইকে জানাবো এবং এইটা একটা Surprise হবে।
মেয়েটা বলল, আমি শুধু একজনকে এই খবরটা জানাতে চাই।
ছেলে :- কেন?
মেয়ে :- পাশের বাড়ির কালু আমাকে একদিন বলেছিল, কোন গাধাই নাকি আমাকে বিয়ে করবেনা। তাই ওকে জানাতে হবে।
133:স্বর্ণর খাট
মেয়ের বাবাঃ বেয়াই সাহেব আপনি তো বলেছিলেন আপনার ছেলে স্বর্ণর খাটে ঘুমায় কিন্তু এটা তো দেখছি কাঠের?
ছেলের বাবাঃ ঠিকই দেখছেন। এটা আমার বড় মেয়ে স্বর্ণর খাট। মেয়েটার বিয়ে হয়ে যাওয়ায় এই খাটে আমার ছেলেই ঘুমায়।
134:বাবার ‘পা’
১ম বন্ধু : জানিস, বাড়ি থেকে পালিয়ে যেদিন নিশিকে বিয়ে করলাম, ঠিক সেদিনই জুতোর বাড়ি খেতে হল!
২য় বন্ধু : আমার ধারণা, এর পেছনে নিশ্চয়ই নিশির বাবার হাত ছিল!
১ম বন্ধু : না না, হাত নয়! ওটার মধ্যে নিশির বাবার ‘পা’ ছিল!
135:ধার
প্রশ্নঃ কাউকে এড়িয়ে চলার সহজ উপায় কি?
উত্তরঃ টাকা ধার দেয়া।
136:ইচ্ছে
ভদ্রমহিলাঃ তোমার নাম কি।
খুকিঃ অনিতা।
ভদ্রমহিলাঃ কি সুন্দর দেখতে তুমি। তোমার মতো মেয়ের মা হতে আমার খুব ইচ্ছে।
খুকিঃ কিন্তু আমার বাবা যে মারা গিয়েছেন।
137:কান্না
- জমিদার হাতিটা মরে যাওয়ায় কাঁদবে তো মাহুত আর জমিদারের লোকজন তুমি কাঁদছ কেন?
- আমি কাঁদছি শোকে না ভাই। ওটাকে যে কবর দেয়ার ভার পরেছে আমার উপর।
138:ইঁন্দুর
বুয়াঃ খালাম্মা, দুধের পাতিলে একটা ইঁন্দুর পড়ছে।
গৃহিণীঃ কী! তাড়াতাড়ি ইঁদুরটা সরা।
বুয়াঃ (হেসে) ইঁন্দুর সরানোর ব্যবস্থা কইরাই আফনেরে বলছি। পাতিলের ভিতরে একখান বিলাই রাইখা আসছি!
139:চার মাস পর
বাড়ীর কর্তা(নতুন কাজের লোক কে): ঠিক আছে তুমি আজ থেকে কাজে লেগে যাও। প্রতিদিন ২০ টাকা করে পাবে । চার মাস পর থেকে ৪০ টাকা করে পাবে।
কাজের লোক: আমি তাহলে চার মাস পরেই আসবো।
140:আস্তে হাঁটা
এক তরুণী চাকরিজীবী, রোজ অফিসে বেশ দেরি করে আসেন। অফিসের বস, এই ঘটনা জেনে অনেক বার ওই তরুণীকে শাসিয়েছেন। অথচঃ আজও সে দু’ঘণ্টা দেরি করে অফিসে এসেছে!
বস : আচ্ছা, আজও দেরি হল কেন?
তরুণী : কি করব স্যার, রাস্তায় এক বখাটে ছেলে পিছু নিয়েছিল!
বস : বলে কী! তাহলে তো দ্রুত হেঁটে আরও এক ঘণ্টা আগে অফিসে পৌঁছানোর কথা, দেরি হল কেন?
তরুণী : আর বলবেন না, ছেলেটা এত আস্তে হাঁটে!
General Joke 121-130
121:গান
মেয়ের বাবাঃ এই মাত্র মেয়েটার যে গান শুনলেন এর জন্য আমার বহু টাকা ব্যয় করতে হয়েছে।
ছেলের বাবাঃ হ্যাঁ, তা তো হবেই। নির্ঘাত প্রতিবেশীদের সঙ্গে মামলা লড়তে হয়েছে।
122:স্বর্ণর খাট
মেয়ের বাবাঃ বেয়াই সাহেব আপনি তো বলেছিলেন আপনার ছেলে স্বর্ণর খাটে ঘুমায় কিন্তু এটা তো দেখছি কাঠের?
ছেলের বাবাঃ ঠিকই দেখছেন। এটা আমার বড় মেয়ে স্বর্ণর খাট। মেয়েটার বিয়ে হয়ে যাওয়ায় এই খাটে আমার ছেলেই ঘুমায়।
123:পরিবর্তন
পথচারীঃ এই মিথ্যুক! তুমি তো অন্ধ নও। তুমি অন্ধ সেজে ভিক্ষা করছ কেন?
ভিক্ষুকঃ ঠিকই ধরেছেন স্যার। যে অন্ধ সে আজ ছুটিতে গেছে। তার জায়গায় আমার ডিউটি পড়েছে। আসলে আমি বোবা।
124:যৌতুক
১ম ভিক্ষুকঃ এই মিয়া তুমিনা আগে রেল স্টেশনে ভিক্ষ করতা। এইখানে আইছ কেন?
২য় ভিক্ষুকঃ ওই জায়গাডা মেয়ের জামাইরে যৌতুক দিছি।
125:দান
সাহায্য দাতাঃ দশ টাকা দিচ্ছি দোকান থেকে কিছু কিনে খেও। ঠিক আছে, কিন্তু তোমার এ দশার কারণ কি?
সাহায্য প্রার্থীঃ আমিও আপনার মত ছিলাম কিনা। যে চাইত তাকেই দিয়ে দিতাম।
126:ভিক্ষুক
ভিক্ষুকঃ স্যার, দয়া করে আমাকে একটা টাকা দেন।
পথচারীঃ নেই।
ভিক্ষুকঃ তাইলে আট আনা পয়সা দিন।
পথচারীঃ বললাম তো নেই।
ভিক্ষুকঃ তাইলে স্যার আমার সাথে নাইমা পড়েন
127:পাগল প্রেসিডেন্ট
পাগলদের স্বভাব তো আপনারা সবাই কম বেশি জাননে। কোন পাগল বলে আমি বাংলাদেশের president ছিলাম, আবার কোন পাগল বলে আমি আমেরিকার president ইত্যাদি……
যাইহোক- একবার-president জিয়াউর রহমান পাবনার পাগলা গারদ পরিদর্শনে গিয়েছিল । ঐখানে পাগলদের মাঝখানে দাড়িয়ে president জিয়াউর রহমান পাগলদের উদ্দেশ্যে বলছেন- এই যে তোমরা আমাকে চেন ? আমি বাংলাদেশের president জিয়াউর রহমান !!
পাগলদের এক জন জবাব দিল- হি:! হি:! চিনি–চিনি, প্রথম – প্রথম সবাই এইরকম president থাকে- পরে সব ঠিক হয়ে যায় !
128:প্রশংসা
চিত্র প্রদর্শনীতে আপনার আকাঁ ছবি দেখলাম শুধু আপনার ছবিগুলোরই প্রশংসা করতে পারি
শিল্পীঃ কেন অন্যদের আকা ছবিগুলো কি একেবারেই ভালো হয়নি।
দর্শকঃ না ঠিক তা নয়। আসলে অন্যদের আঁকা ছবিগুলোর সামনে এত ভিড় ছিল যে ওগুলো আমি দেখতে পাইনি।
129:ঘাড় ধরে বের করে দেব
জেল অফিসারঃ জেলখানার ভেতর যারা আছে তারা সবাই ভীষন দুর্দান্ত চরিত্রের মানুষ। তুমি কন্ট্রোল করতে পারবেতো ?
চাকরি প্রার্থীঃ পারবনা মানে, বেশি তেড়িবেড়ি করলে ঘাড় ধরে বের করে দেব।
130:বয়স
সাংবাদিকঃ সেকি! আপনার মা যে বললেন আপনার বয়স ত্রিশ।
নায়িকাঃ মা মিথ্যে বলেননি। তবে আমি গুনতে শিখেছিলাম ছয় বছর বয়সে।
মেয়ের বাবাঃ এই মাত্র মেয়েটার যে গান শুনলেন এর জন্য আমার বহু টাকা ব্যয় করতে হয়েছে।
ছেলের বাবাঃ হ্যাঁ, তা তো হবেই। নির্ঘাত প্রতিবেশীদের সঙ্গে মামলা লড়তে হয়েছে।
122:স্বর্ণর খাট
মেয়ের বাবাঃ বেয়াই সাহেব আপনি তো বলেছিলেন আপনার ছেলে স্বর্ণর খাটে ঘুমায় কিন্তু এটা তো দেখছি কাঠের?
ছেলের বাবাঃ ঠিকই দেখছেন। এটা আমার বড় মেয়ে স্বর্ণর খাট। মেয়েটার বিয়ে হয়ে যাওয়ায় এই খাটে আমার ছেলেই ঘুমায়।
123:পরিবর্তন
পথচারীঃ এই মিথ্যুক! তুমি তো অন্ধ নও। তুমি অন্ধ সেজে ভিক্ষা করছ কেন?
ভিক্ষুকঃ ঠিকই ধরেছেন স্যার। যে অন্ধ সে আজ ছুটিতে গেছে। তার জায়গায় আমার ডিউটি পড়েছে। আসলে আমি বোবা।
124:যৌতুক
১ম ভিক্ষুকঃ এই মিয়া তুমিনা আগে রেল স্টেশনে ভিক্ষ করতা। এইখানে আইছ কেন?
২য় ভিক্ষুকঃ ওই জায়গাডা মেয়ের জামাইরে যৌতুক দিছি।
125:দান
সাহায্য দাতাঃ দশ টাকা দিচ্ছি দোকান থেকে কিছু কিনে খেও। ঠিক আছে, কিন্তু তোমার এ দশার কারণ কি?
সাহায্য প্রার্থীঃ আমিও আপনার মত ছিলাম কিনা। যে চাইত তাকেই দিয়ে দিতাম।
126:ভিক্ষুক
ভিক্ষুকঃ স্যার, দয়া করে আমাকে একটা টাকা দেন।
পথচারীঃ নেই।
ভিক্ষুকঃ তাইলে আট আনা পয়সা দিন।
পথচারীঃ বললাম তো নেই।
ভিক্ষুকঃ তাইলে স্যার আমার সাথে নাইমা পড়েন
127:পাগল প্রেসিডেন্ট
পাগলদের স্বভাব তো আপনারা সবাই কম বেশি জাননে। কোন পাগল বলে আমি বাংলাদেশের president ছিলাম, আবার কোন পাগল বলে আমি আমেরিকার president ইত্যাদি……
যাইহোক- একবার-president জিয়াউর রহমান পাবনার পাগলা গারদ পরিদর্শনে গিয়েছিল । ঐখানে পাগলদের মাঝখানে দাড়িয়ে president জিয়াউর রহমান পাগলদের উদ্দেশ্যে বলছেন- এই যে তোমরা আমাকে চেন ? আমি বাংলাদেশের president জিয়াউর রহমান !!
পাগলদের এক জন জবাব দিল- হি:! হি:! চিনি–চিনি, প্রথম – প্রথম সবাই এইরকম president থাকে- পরে সব ঠিক হয়ে যায় !
128:প্রশংসা
চিত্র প্রদর্শনীতে আপনার আকাঁ ছবি দেখলাম শুধু আপনার ছবিগুলোরই প্রশংসা করতে পারি
শিল্পীঃ কেন অন্যদের আকা ছবিগুলো কি একেবারেই ভালো হয়নি।
দর্শকঃ না ঠিক তা নয়। আসলে অন্যদের আঁকা ছবিগুলোর সামনে এত ভিড় ছিল যে ওগুলো আমি দেখতে পাইনি।
129:ঘাড় ধরে বের করে দেব
জেল অফিসারঃ জেলখানার ভেতর যারা আছে তারা সবাই ভীষন দুর্দান্ত চরিত্রের মানুষ। তুমি কন্ট্রোল করতে পারবেতো ?
চাকরি প্রার্থীঃ পারবনা মানে, বেশি তেড়িবেড়ি করলে ঘাড় ধরে বের করে দেব।
130:বয়স
সাংবাদিকঃ সেকি! আপনার মা যে বললেন আপনার বয়স ত্রিশ।
নায়িকাঃ মা মিথ্যে বলেননি। তবে আমি গুনতে শিখেছিলাম ছয় বছর বয়সে।
General Joke 111-120
111:ক্ষতি
এক গরু বিক্রেতা কোরবাণীর পশুর হাট থেকে গরু নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে ডাকাতে ধরেলো-
ডাকাতঃ-এই শালা, কী কী আছে দে!
গরু বিক্রেতাঃ ভাই, আমার কাছে কিছু নাই !
ডাকাতঃ কিছু নাই কেন ?
গরু বিক্রেতাঃ ভাই,গরুটা বিক্রি করতে পারিনাই ।
ডাকাতঃ গরুটা বিক্রি করতে পার নাই কেন ?
গরু বিক্রেতাঃ ভাই,গরুটার দাম কম বলেছে, তাই বিক্রি করিনাই ।
ডাকাতঃ এই শালা,গরুটার দাম কম হলে আমরা টাকা কম পেতাম, তুই গরুটা বিক্রি করলিনা কেন?
112:দৌড়
খুব দুই বন্ধু সুন্দর বনে বেড়াতে গেল। হঠাৎ একটা বাঘ তাদের সামনে এসে হাজির!
১ম বন্ধু বাঘের চোখে একটা ঢিল মেরে দিল একটা দৌড় এবং ২য় বন্ধুকে বলল, দোস্ত, দৌড়ে পালা ….
২য় বন্ধুঃ আমি পালাবো কেন ? আমি কি বাঘের চোখে ঢিল মেরেছি নাকি? তুই বাঘের চোখে ঢিল মেরেছিস্ , তুই- ই দৌড়ে পালা !!
113:ইনকামট্যাক্স
তেলের দোকানে ইনকামটেক্সর লোক রেইড দিতে পারে এমন আশংকায় এক তেল ব্যবসায়ী তার কর্মচারীকে ডেকে বলল– ৩০ টিন তেল মাটির নীচে লুকিয়ে রাখতে ।
২ ঘন্টা পরে কর্মচারী এসে তেল ব্যবসায়ীকে বলল, স্যার ! ৩০ টিন তেল তো মাটির নীচে লুকিয়ে ফলেছি, এখন তেলের খালি টিনগুলো কোথায় রাখবো!!!!!
114:মশা ও জোনাকী
এক লোক মশার যন্ত্রনায় অস্থির, মশারী খাটিয়ে ও নিজেকে বাচাতে পারছেনা, কারন, যে কোনভাবে মশারীর ভিতর মশা ঢুকে যায়। তারপর, একদিন লোকটা একটা লেপ দিয়ে পুরো শরীরটা ঢেকে শুয়ে আছে যাতে করে আর তাকে মশা কামরাতে না পারে । লেপের ভিতর হঠাত্ করে একটা জোনাকি পোকাকে দেখে লোকটা চিত্কার করে বলে উঠলো— বাবারে! বাবা, মশা তো আমাকে টচ্ লাইট দিয়া খুজতাছে!!!!!!
115:দুধ থেকে দই
শিক্ষকঃ আচ্ছা দুধ থেকে দই তৈরির একটি সহজ উপায় বল।
ছাত্রঃ ভীষন সহজ স্যার। গাভীকে তেঁতুল খাওয়ালেই হবে।
116:চেহারা দর্শণ
হালিমঃ কিরে মালাই, আয়নার সামনে চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে আছিস কেন?
মালাইঃ ঘুমিয়ে থাকলে চেহারাটা কেমন দেখায় একটু দেখছি, এই যা!
কথা সত্যি।
117:ইঁন্দুর
বুয়াঃ খালাম্মা, দুধের পাতিলে একটা ইঁন্দুর পড়ছে।
গৃহিণীঃ কী! তাড়াতাড়ি ইঁদুরটা সরা।
বুয়াঃ (হেসে) ইঁন্দুর সরানোর ব্যবস্থা কইরাই আফনেরে বলছি। পাতিলের ভিতরে একখান বিলাই রাইখা আসছি!
118:উপন্যাস
চাকর: স্যার, আপনি রাত জেগে কি করেন?
সাহিত্যিক: গল্প-উপন্যাস লিখি।
চাকর: এত কষ্ট করে রাতজেগে লেখার দরকার কি? কয়টা টাকা খরচ করলেইতো বাজার থেকে ওগুলো কিনতে পাওয়া যায়।
119:তিরিশ দিন
জজঃ কী ব্যাপার, বারবার কোর্টে আসতে তোমার লজ্জা করে না?
আসামিঃ আমি তো হুজুর বছরে এক-দুইবার আসিঃ আপনি তো মাশআল্লাহ মাসের তিরিশ দিনই।
120:তালা এক্সপার্ট
বিচারকঃ আপনার পেশা কী?
আসামিঃ জি, আমি তালা এক্সপার্ট।
বিচারকঃ তালা এক্সপার্ট! আপনার কাজ তো দিনে থাকার কথা। কিন্তু রাত দুটোয় আপনি সোনার দোকানে কী করছিলেন?
আসামিঃ ওদের গেটের তালাটা ঠিক আছে কিনা পরখ করে দেখছিলাম!
এক গরু বিক্রেতা কোরবাণীর পশুর হাট থেকে গরু নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে ডাকাতে ধরেলো-
ডাকাতঃ-এই শালা, কী কী আছে দে!
গরু বিক্রেতাঃ ভাই, আমার কাছে কিছু নাই !
ডাকাতঃ কিছু নাই কেন ?
গরু বিক্রেতাঃ ভাই,গরুটা বিক্রি করতে পারিনাই ।
ডাকাতঃ গরুটা বিক্রি করতে পার নাই কেন ?
গরু বিক্রেতাঃ ভাই,গরুটার দাম কম বলেছে, তাই বিক্রি করিনাই ।
ডাকাতঃ এই শালা,গরুটার দাম কম হলে আমরা টাকা কম পেতাম, তুই গরুটা বিক্রি করলিনা কেন?
112:দৌড়
খুব দুই বন্ধু সুন্দর বনে বেড়াতে গেল। হঠাৎ একটা বাঘ তাদের সামনে এসে হাজির!
১ম বন্ধু বাঘের চোখে একটা ঢিল মেরে দিল একটা দৌড় এবং ২য় বন্ধুকে বলল, দোস্ত, দৌড়ে পালা ….
২য় বন্ধুঃ আমি পালাবো কেন ? আমি কি বাঘের চোখে ঢিল মেরেছি নাকি? তুই বাঘের চোখে ঢিল মেরেছিস্ , তুই- ই দৌড়ে পালা !!
113:ইনকামট্যাক্স
তেলের দোকানে ইনকামটেক্সর লোক রেইড দিতে পারে এমন আশংকায় এক তেল ব্যবসায়ী তার কর্মচারীকে ডেকে বলল– ৩০ টিন তেল মাটির নীচে লুকিয়ে রাখতে ।
২ ঘন্টা পরে কর্মচারী এসে তেল ব্যবসায়ীকে বলল, স্যার ! ৩০ টিন তেল তো মাটির নীচে লুকিয়ে ফলেছি, এখন তেলের খালি টিনগুলো কোথায় রাখবো!!!!!
114:মশা ও জোনাকী
এক লোক মশার যন্ত্রনায় অস্থির, মশারী খাটিয়ে ও নিজেকে বাচাতে পারছেনা, কারন, যে কোনভাবে মশারীর ভিতর মশা ঢুকে যায়। তারপর, একদিন লোকটা একটা লেপ দিয়ে পুরো শরীরটা ঢেকে শুয়ে আছে যাতে করে আর তাকে মশা কামরাতে না পারে । লেপের ভিতর হঠাত্ করে একটা জোনাকি পোকাকে দেখে লোকটা চিত্কার করে বলে উঠলো— বাবারে! বাবা, মশা তো আমাকে টচ্ লাইট দিয়া খুজতাছে!!!!!!
115:দুধ থেকে দই
শিক্ষকঃ আচ্ছা দুধ থেকে দই তৈরির একটি সহজ উপায় বল।
ছাত্রঃ ভীষন সহজ স্যার। গাভীকে তেঁতুল খাওয়ালেই হবে।
116:চেহারা দর্শণ
হালিমঃ কিরে মালাই, আয়নার সামনে চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে আছিস কেন?
মালাইঃ ঘুমিয়ে থাকলে চেহারাটা কেমন দেখায় একটু দেখছি, এই যা!
কথা সত্যি।
117:ইঁন্দুর
বুয়াঃ খালাম্মা, দুধের পাতিলে একটা ইঁন্দুর পড়ছে।
গৃহিণীঃ কী! তাড়াতাড়ি ইঁদুরটা সরা।
বুয়াঃ (হেসে) ইঁন্দুর সরানোর ব্যবস্থা কইরাই আফনেরে বলছি। পাতিলের ভিতরে একখান বিলাই রাইখা আসছি!
118:উপন্যাস
চাকর: স্যার, আপনি রাত জেগে কি করেন?
সাহিত্যিক: গল্প-উপন্যাস লিখি।
চাকর: এত কষ্ট করে রাতজেগে লেখার দরকার কি? কয়টা টাকা খরচ করলেইতো বাজার থেকে ওগুলো কিনতে পাওয়া যায়।
119:তিরিশ দিন
জজঃ কী ব্যাপার, বারবার কোর্টে আসতে তোমার লজ্জা করে না?
আসামিঃ আমি তো হুজুর বছরে এক-দুইবার আসিঃ আপনি তো মাশআল্লাহ মাসের তিরিশ দিনই।
120:তালা এক্সপার্ট
বিচারকঃ আপনার পেশা কী?
আসামিঃ জি, আমি তালা এক্সপার্ট।
বিচারকঃ তালা এক্সপার্ট! আপনার কাজ তো দিনে থাকার কথা। কিন্তু রাত দুটোয় আপনি সোনার দোকানে কী করছিলেন?
আসামিঃ ওদের গেটের তালাটা ঠিক আছে কিনা পরখ করে দেখছিলাম!
শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০১০
General Joke 101-110
101:পোড়া আলু
ছেলেঃ বাবা, পোড়া আলু খেতে তোমার কেমন লাগে?
বাবাঃ কেন, ভালই তো!
ছেলেঃ একটু আগে ম্যানেজার ফোন করেছিল তোমার আলুর গুদামে আগুন লেগে সব আলু পুড়ে গেছে!
102:স্কুলের টিচাররা কিছুই জানে না
ছেলে : আমি আর স্কুলে যাব না বাবা।
বাবা : কেনরে খোকা, লেখাপড়া করতে ভালো লাগে না?
ছেলে : তা নয়, স্কুলের টিচাররা কিছুই জানে না। সবসময় আমাকেই পড়া জিজ্ঞেস করে।
103:ট্রেন ধরিয়ে দিয়েছি
পুত্র : বাবা, আজ একটা ভালো কাজ করেছি।
বাবা : কী কাজ?
পুত্র : পাশের বাড়ির মোটকা ভদ্রলোক আছেন না, রোজ অফিসে যেতে ট্রেন ফেল করেন, তাকে আজ ট্রেন ধরিয়ে দিয়েছি।
বাবা : তাই নাকি! কী করে?
পুত্র : প্রতিদিনের মতো তিনি হেলেদুলে হেঁটে চলছিলেন, লালুকে (বাঘা কুকুর) লেলিয়ে দিলাম তার পেছনে। ব্যস এমন ছোটা ছুটলেন।
104:শুধু একটা ভুল
বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি?
ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে।
বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে?
ছেলে: না, বাকি গুলোতে লিখতেই পারিনি।
105:অংকের ভুল
বাবা : কিরে, আমি যে তোর অংকের হোমওয়ার্কগুলো করে দিয়েছিলাম, সেটা স্যারকে দেখানোর পর তিনি কী বললেন?
ছেলে : স্যার বললেন, ‘তোর বাবার অংকের ভুলের জন্য তো আর তোকে শাস্তি দিতে পারি না!’
106;গাধা!
প্রেমিক-প্রেমিকা নিজেরাই নিজেদের বিয়ে ঠিক করেছে। ছেলেটা বলল, আমাদের বিয়ের এই খবরটা বিয়ের আগের দিন পযর্ন্ত কাউকে আমরা জানাবো না । খবরটা শুধু বিয়ের আগের দিন আমরা সবাইকে জানাবো এবং এইটা একটা Surprise হবে।
মেয়েটা বলল, আমি শুধু একজনকে এই খবরটা জানাতে চাই।
ছেলে :- কেন?
মেয়ে :- পাশের বাড়ির কালু আমাকে একদিন বলেছিল, কোন গাধাই নাকি আমাকে বিয়ে করবেনা। তাই ওকে জানাতে হবে।
107:ওজোন স্তর
প্রেমিকাঃ তুমি আমাকে কতটা ভালোবাসো ?
প্রেমিকঃ ওই বিশাল নিঃচ্ছিদ্র নিঃসীম আকাশের মতো।
প্রেমিকাঃ কিন্তু আকাশের ওজোন স্তরের ফুটোর ব্যাপারটা জানো তো?
108:ট্যাক্সি ডাকতে গেছেন
বাড়ি থেকে পালাচ্ছে এক তরুণী। গেটের কাছে অপেক্ষা করছে তার প্রেমিক। উভয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রেমিক : তোমার বাবা টের পাননি তো?
প্রেমিকা : উনি বাসায় নেই।
প্রেমিক : বল কী? এত রাতে বাসার বাইরে?
প্রেমিকা : আমাদের জন্য ট্যাক্সি ডাকতে গেছেন।
109:পরী
- মা পরীরা কি উড়তে পারে ?
- পারে।
- কাল সন্ধ্যায় বাবা খালামনিকে বলছিল- তুমি একটা পরী। খালামনি তা হলে ওড়ে না কেন?
- উড়বে, আজই, এখনি!
110:বিশ্বসুন্দরী
ছোট বোন : আচ্ছা আপু আমি কি খুব সুন্দরী?
বড় বোন : কেন?
ছোট বোন : সাজলে নাকি আমাকে খুব সুইট লাগে।
বড় বোন : এই মিথ্যা কথা তোকে কে বলেছে?
ছোট বোন : দুলাভাই তো বলল আমি নাকি তার চোখে বিশ্বসুন্দরী।
ছেলেঃ বাবা, পোড়া আলু খেতে তোমার কেমন লাগে?
বাবাঃ কেন, ভালই তো!
ছেলেঃ একটু আগে ম্যানেজার ফোন করেছিল তোমার আলুর গুদামে আগুন লেগে সব আলু পুড়ে গেছে!
102:স্কুলের টিচাররা কিছুই জানে না
ছেলে : আমি আর স্কুলে যাব না বাবা।
বাবা : কেনরে খোকা, লেখাপড়া করতে ভালো লাগে না?
ছেলে : তা নয়, স্কুলের টিচাররা কিছুই জানে না। সবসময় আমাকেই পড়া জিজ্ঞেস করে।
103:ট্রেন ধরিয়ে দিয়েছি
পুত্র : বাবা, আজ একটা ভালো কাজ করেছি।
বাবা : কী কাজ?
পুত্র : পাশের বাড়ির মোটকা ভদ্রলোক আছেন না, রোজ অফিসে যেতে ট্রেন ফেল করেন, তাকে আজ ট্রেন ধরিয়ে দিয়েছি।
বাবা : তাই নাকি! কী করে?
পুত্র : প্রতিদিনের মতো তিনি হেলেদুলে হেঁটে চলছিলেন, লালুকে (বাঘা কুকুর) লেলিয়ে দিলাম তার পেছনে। ব্যস এমন ছোটা ছুটলেন।
104:শুধু একটা ভুল
বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি?
ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে।
বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে?
ছেলে: না, বাকি গুলোতে লিখতেই পারিনি।
105:অংকের ভুল
বাবা : কিরে, আমি যে তোর অংকের হোমওয়ার্কগুলো করে দিয়েছিলাম, সেটা স্যারকে দেখানোর পর তিনি কী বললেন?
ছেলে : স্যার বললেন, ‘তোর বাবার অংকের ভুলের জন্য তো আর তোকে শাস্তি দিতে পারি না!’
106;গাধা!
প্রেমিক-প্রেমিকা নিজেরাই নিজেদের বিয়ে ঠিক করেছে। ছেলেটা বলল, আমাদের বিয়ের এই খবরটা বিয়ের আগের দিন পযর্ন্ত কাউকে আমরা জানাবো না । খবরটা শুধু বিয়ের আগের দিন আমরা সবাইকে জানাবো এবং এইটা একটা Surprise হবে।
মেয়েটা বলল, আমি শুধু একজনকে এই খবরটা জানাতে চাই।
ছেলে :- কেন?
মেয়ে :- পাশের বাড়ির কালু আমাকে একদিন বলেছিল, কোন গাধাই নাকি আমাকে বিয়ে করবেনা। তাই ওকে জানাতে হবে।
107:ওজোন স্তর
প্রেমিকাঃ তুমি আমাকে কতটা ভালোবাসো ?
প্রেমিকঃ ওই বিশাল নিঃচ্ছিদ্র নিঃসীম আকাশের মতো।
প্রেমিকাঃ কিন্তু আকাশের ওজোন স্তরের ফুটোর ব্যাপারটা জানো তো?
108:ট্যাক্সি ডাকতে গেছেন
বাড়ি থেকে পালাচ্ছে এক তরুণী। গেটের কাছে অপেক্ষা করছে তার প্রেমিক। উভয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রেমিক : তোমার বাবা টের পাননি তো?
প্রেমিকা : উনি বাসায় নেই।
প্রেমিক : বল কী? এত রাতে বাসার বাইরে?
প্রেমিকা : আমাদের জন্য ট্যাক্সি ডাকতে গেছেন।
109:পরী
- মা পরীরা কি উড়তে পারে ?
- পারে।
- কাল সন্ধ্যায় বাবা খালামনিকে বলছিল- তুমি একটা পরী। খালামনি তা হলে ওড়ে না কেন?
- উড়বে, আজই, এখনি!
110:বিশ্বসুন্দরী
ছোট বোন : আচ্ছা আপু আমি কি খুব সুন্দরী?
বড় বোন : কেন?
ছোট বোন : সাজলে নাকি আমাকে খুব সুইট লাগে।
বড় বোন : এই মিথ্যা কথা তোকে কে বলেছে?
ছোট বোন : দুলাভাই তো বলল আমি নাকি তার চোখে বিশ্বসুন্দরী।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)

