91:আইফেল টাওয়ার
দুই চাপাবাজের মধ্যে আলাপ হচ্ছে-
প্রথম চাপাবাজ: জানিস মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারটা কিনে ফেলি।
দ্বিতীয়চাপাবাজ: অত সহজ না বন্ধু! ওটা আমি বেচলেতো।
92:আবার দেখা হবে!
১ম বন্ধু : কিরে! এই সামান্য আঘাতেই একদম কাহিল! গত দুই সপ্তাহ ধরে একবারও ঘরের বাইরে যাচ্ছিস না যে!
২য় বন্ধু : ব্যথা সেরে গেছে ঠিকই, কিন‘ ঘরের বাইরে না যাওয়ার কারণ অন্য।
১ম বন্ধু : কারণটা কী?
২য় বন্ধু : না, মানে, যে ট্রাকটা আমাকে ধাক্কা দিয়েছিল সেটার গায়ে লেখা ছিল ‘আবার দেখা হবে’!
93:স্মরণ শক্তি
স্কুলের পুরস্কার বিতরণী অনুস্ঠান থেকে ফিরে ছেলে মা কে বলছে- মা, এবার আমি স্কুলে দুইটা পুরস্কার পেয়েছি-
মাঃ কি কি বাবা?
ছেলেঃ একটা পেয়েছি- স্বরণ শক্তির জন্য, আরেকটা….(মাথা চুলকাতে – চুলকাতে) …এখন মনে পরছে না ..
94:চোরের মার বড় গলা
ছেলেঃ আব্বু দেখ ওই যে চোরের মা।
বাবাঃ দূর বোকা! চোরের মা কোথায়? ওটা তো একটা জিরাফ।
ছেলেঃ কেন, কালই তো তুমি পড়ালে চোরের মার বড় গলা।
95:পদাঙ্ক অনুসরন
মাঃ তোমাকে তোমার বাবার পদাঙ্ক অনুসরন করা উচিত।
ছেলেঃ বাবা, এমন কী উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন?
মাঃ কেন, ভদ্র ব্যাবহার করার জন্য জেল কতৃপক্ষ গত বছর তার শাস্তি ছয় মাস কমিয়ে দিয়েছিল।
96:সাইকেল চড়া
বাবাঃ পাশ করলে বলেছিলাম একটা সাইকেল কিনে দেব, তবুও তুমি পাশ করতে পারলে না। এতদিনে কি করলে তাহলে?
ছেলেঃকেন বাবা তুমি যদি সাইকেল কিনে দাও তাহলে তো আমি চালাতে পারবনা। তাই সাইকেল চড়া শিখছিলাম।
97:সম্মান
বাবাঃ রোজ এক জায়গায় গেলে সম্মান কমে যায়।
ছেলেঃ তাইতো বাবা আমি রোজ স্কুলে যাইনা।
98:প্রুফ দেখা
শিক্ষকঃ রফিক এবারো কিন্তু কাসে ফার্স্ট হওয়া চাই।
রফিকঃ দোয়া করবেন স্যার, আরেকটা কথা, প্রশ্নপত্র বাবার প্রেসেই দিচ্ছেন তো স্যার এবারো?
শিক্ষকঃ সে কি! তোমার বাবা তোমাকে প্রশ্ন পত্র দেখান নাকি?
রফিকঃ না না স্যার, তবে বাবার চোখের সমস্যার কারনে প্রুফটা দেখে দেই কিনা!
99:অংকের টিউটর
বাবাঃ আজ স্কুলের টিচার কী বললেন?
ছেলেঃ বলেন তোমার জন্য একজন ভালো অংকের টিউটর রাখতে।
বাবাঃ মানে?
ছেলেঃ মানে তুমি হোমওয়ার্কের যে অংকগুলো করে দিয়েছিলে সব ভুল ছিল।
100:নার্সারি
বাবাঃ বাবু, পড় তো জিরো, ওয়ান, টু, থ্রি
ছেলেঃ বাবা, ওয়ান, টু, থ্রির আগে তো ‘নার্সারি’। কিন্তু জিরো, জিরো করছ কেন?
শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০১০
General Joke 81-90
81:পুরানো কথা
১ম বন্ধু :- জানিস্, একবার আমি আমাদের টিনের চালে উঠে আম পাড়তে গিয়ে টিনের চাল থেকে পড়ে গিয়েছিলাম,
২য় বন্ধু :- টিনের চাল থেকে পড়ে গিয়ে মরে যাস্ নি ?
১ম বন্ধু :- অনেক আগের কথা, আমার এখন মনে নাই দোস্ত!!
82:দৌড়
খুব দুই বন্ধু সুন্দর বনে বেড়াতে গেল। হঠাৎ একটা বাঘ তাদের সামনে এসে হাজির!
১ম বন্ধু বাঘের চোখে একটা ঢিল মেরে দিল একটা দৌড় এবং ২য় বন্ধুকে বলল, দোস্ত, দৌড়ে পালা ….
২য় বন্ধুঃ আমি পালাবো কেন ? আমি কি বাঘের চোখে ঢিল মেরেছি নাকি? তুই বাঘের চোখে ঢিল মেরেছিস্ , তুই- ই দৌড়ে পালা !!
83:বাঘ শিকার!
খুব সাহসী দুই বন্ধু সুন্দর বনে গেল বাঘ শিকার করতে। অনেক খোজ-খুজি করে তারা বনের ভিতর বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পেল ।
এক বন্ধু অন্য বন্ধুকে বলল, তুই এই পায়ের ছাপ ধরে সামনের দিকে গিয়ে দেখ- বাঘটা কোথয় গেল, আর আমি উল্টো দিকে গিয়ে দেখি বাঘটা কোথা থেকে এল !!
84:সাহসী
১ম বন্ধু:- জানিস ! আমাদের ৩ ভাইয়রে মধ্যে ১ ভাই খুব সাহসী, একবার ঐ ভাই একাই একটা বাঘের সংগে লড়াই করছেলি।
২য় বন্ধু:- তারপর কি হলো?
১ম বন্ধু:-তারপর থেকে আমরা ২ ভাই !!
ট্রেন মিস
প্রথম বন্ধুঃ ট্রেন মিস করা আমার অভ্যাসে দাড়িয়েছে। বলতে পারিস কীভাবে ট্রেন মিস না করে ধরতে পারা যায়।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ আরে খুবই সহজ। সব সময় আগের ট্রেনটা মিস করবি। তাহলে কখনো পরেরটা মিস হবে না।
85:বক্সিং রিং
১ম বন্ধুঃ বলতো রনি বক্সিং রিং এর চারপাশে দড়ি দিয়ে ঘেরা থাকে কেন?
২য় বন্ধুঃ একজন আরেকজনকে ঘুষি মেরে প্রতিশোধ নেয়ার আগে যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য।
86:অভাব
১ম বন্ধুঃ আচ্ছা তোকে যদি জ্ঞান আর টাকা এ দুটোর মধ্যে একটা নিতে বলি তাহলে তুই কোনটা নিবি?
২য় বন্ধুঃ আমি টাকাটাই নেব।
১ম বন্ধুঃ আমি হলে কি জ্ঞানই নিতাম।
২য় বন্ধুঃ যার যেটা অভাব সে তো সেটাই নেবে।
87:সারপ্রাইজ
এক বন্ধু, তার বান্ধবীর জন্মদিনের উপহার হিসেবে দশ হাজার টাকার একটি চেক দেবে। অন্য বন্ধু দেখল, চেকের নিচে বন্ধুর কোন স্বাক্ষর নেই!
আবুলঃ কী ব্যাপার, দশ হাজার টাকার চেক দিচ্ছিস্, অথচ চেকের নিচে কোন স্বাক্ষর নেই কেন?
কাবুলঃ আরে, বুঝলি নাঃ ওকে সারপ্রাইজ দেব বলে স্বাক্ষর করিনি! স্বাক্ষর করলে তো আমাকে চিনেই ফেলবে! আমি এতই বোকা?
88:খুব খারাপ
এক বন্ধুর মন খুব খারাপ। অন্য বন্ধু তাই দেখে কথা বলছেঃ
১ম বন্ধুঃ কিরে দোস্ত, মন খারাপ কেন? ওঃ তোর বউ সেই যে বাপের বাড়ি গেল, এখনও আসেনি, তাই?
২য় বন্ধুঃ নারে দোস্ত, আজকে তার ফিরে আসার কথা!
89:বারন
স্ত্রীঃ তোমার বন্ধু যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে সে মেয়েটা কঠিন দজ্জাল। তাকে বারন করো।
স্বামীঃ কেন বারন করবো? সে কি আমার সময় বারন করেছিল?
90:স্বপ্ন
তিন বন্ধু ঘুম থেকে উঠে একজন আরেকজনকে স্বপ্নের কথা বর্ননা করছে।
প্রথম বন্ধুঃ জানিস আমি স্বপ্নে দেখলাম মরুভুমির সব বালি সোনা হয়ে গেছে আর আমি সেগুলোর মালিক হয়ে গেছি।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ আমি স্বপ্নে দেখলাম আকাশের সব তারা স্বর্নমুদ্রা হয়ে গেছে আর আমি তার মালিক হয়ে গেছি।
তৃতীয় বন্ধুঃ আমি স্বপ্নে দেখলাম এতো কিছু পেয়ে তোরা খুশিতে হার্টফেল করেছিস আর মরবার আগে আমাকে তোদের সব সম্পদ উইল করে দিয়ে গেছিস।
১ম বন্ধু :- জানিস্, একবার আমি আমাদের টিনের চালে উঠে আম পাড়তে গিয়ে টিনের চাল থেকে পড়ে গিয়েছিলাম,
২য় বন্ধু :- টিনের চাল থেকে পড়ে গিয়ে মরে যাস্ নি ?
১ম বন্ধু :- অনেক আগের কথা, আমার এখন মনে নাই দোস্ত!!
82:দৌড়
খুব দুই বন্ধু সুন্দর বনে বেড়াতে গেল। হঠাৎ একটা বাঘ তাদের সামনে এসে হাজির!
১ম বন্ধু বাঘের চোখে একটা ঢিল মেরে দিল একটা দৌড় এবং ২য় বন্ধুকে বলল, দোস্ত, দৌড়ে পালা ….
২য় বন্ধুঃ আমি পালাবো কেন ? আমি কি বাঘের চোখে ঢিল মেরেছি নাকি? তুই বাঘের চোখে ঢিল মেরেছিস্ , তুই- ই দৌড়ে পালা !!
83:বাঘ শিকার!
খুব সাহসী দুই বন্ধু সুন্দর বনে গেল বাঘ শিকার করতে। অনেক খোজ-খুজি করে তারা বনের ভিতর বাঘের পায়ের ছাপ দেখতে পেল ।
এক বন্ধু অন্য বন্ধুকে বলল, তুই এই পায়ের ছাপ ধরে সামনের দিকে গিয়ে দেখ- বাঘটা কোথয় গেল, আর আমি উল্টো দিকে গিয়ে দেখি বাঘটা কোথা থেকে এল !!
84:সাহসী
১ম বন্ধু:- জানিস ! আমাদের ৩ ভাইয়রে মধ্যে ১ ভাই খুব সাহসী, একবার ঐ ভাই একাই একটা বাঘের সংগে লড়াই করছেলি।
২য় বন্ধু:- তারপর কি হলো?
১ম বন্ধু:-তারপর থেকে আমরা ২ ভাই !!
ট্রেন মিস
প্রথম বন্ধুঃ ট্রেন মিস করা আমার অভ্যাসে দাড়িয়েছে। বলতে পারিস কীভাবে ট্রেন মিস না করে ধরতে পারা যায়।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ আরে খুবই সহজ। সব সময় আগের ট্রেনটা মিস করবি। তাহলে কখনো পরেরটা মিস হবে না।
85:বক্সিং রিং
১ম বন্ধুঃ বলতো রনি বক্সিং রিং এর চারপাশে দড়ি দিয়ে ঘেরা থাকে কেন?
২য় বন্ধুঃ একজন আরেকজনকে ঘুষি মেরে প্রতিশোধ নেয়ার আগে যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য।
86:অভাব
১ম বন্ধুঃ আচ্ছা তোকে যদি জ্ঞান আর টাকা এ দুটোর মধ্যে একটা নিতে বলি তাহলে তুই কোনটা নিবি?
২য় বন্ধুঃ আমি টাকাটাই নেব।
১ম বন্ধুঃ আমি হলে কি জ্ঞানই নিতাম।
২য় বন্ধুঃ যার যেটা অভাব সে তো সেটাই নেবে।
87:সারপ্রাইজ
এক বন্ধু, তার বান্ধবীর জন্মদিনের উপহার হিসেবে দশ হাজার টাকার একটি চেক দেবে। অন্য বন্ধু দেখল, চেকের নিচে বন্ধুর কোন স্বাক্ষর নেই!
আবুলঃ কী ব্যাপার, দশ হাজার টাকার চেক দিচ্ছিস্, অথচ চেকের নিচে কোন স্বাক্ষর নেই কেন?
কাবুলঃ আরে, বুঝলি নাঃ ওকে সারপ্রাইজ দেব বলে স্বাক্ষর করিনি! স্বাক্ষর করলে তো আমাকে চিনেই ফেলবে! আমি এতই বোকা?
88:খুব খারাপ
এক বন্ধুর মন খুব খারাপ। অন্য বন্ধু তাই দেখে কথা বলছেঃ
১ম বন্ধুঃ কিরে দোস্ত, মন খারাপ কেন? ওঃ তোর বউ সেই যে বাপের বাড়ি গেল, এখনও আসেনি, তাই?
২য় বন্ধুঃ নারে দোস্ত, আজকে তার ফিরে আসার কথা!
89:বারন
স্ত্রীঃ তোমার বন্ধু যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে সে মেয়েটা কঠিন দজ্জাল। তাকে বারন করো।
স্বামীঃ কেন বারন করবো? সে কি আমার সময় বারন করেছিল?
90:স্বপ্ন
তিন বন্ধু ঘুম থেকে উঠে একজন আরেকজনকে স্বপ্নের কথা বর্ননা করছে।
প্রথম বন্ধুঃ জানিস আমি স্বপ্নে দেখলাম মরুভুমির সব বালি সোনা হয়ে গেছে আর আমি সেগুলোর মালিক হয়ে গেছি।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ আমি স্বপ্নে দেখলাম আকাশের সব তারা স্বর্নমুদ্রা হয়ে গেছে আর আমি তার মালিক হয়ে গেছি।
তৃতীয় বন্ধুঃ আমি স্বপ্নে দেখলাম এতো কিছু পেয়ে তোরা খুশিতে হার্টফেল করেছিস আর মরবার আগে আমাকে তোদের সব সম্পদ উইল করে দিয়ে গেছিস।
General Joke 71-80
71:হাতঘড়ি
অপারেশরেন রুগীকে কয়েকদিন পরে দেখে -
ডাক্তারঃ আরে আপনি! কি খবর? এখন কেমন আছেন? কোন সমস্যা হচ্ছে না তো?
রোগীঃ না, কোন সমস্যা হচ্ছে না। তবে হয়েছি কি এখন দম নেয়ার সময় আর ছাড়ার সময় বুকের ভেতরটায় টিকটিক শব্দ করে।
ডাক্তারঃ (বেশ আনন্দের সঙ্গে) তাইতো বলি, আমার এত দামি ব্রান্ডের হাত ঘড়িটা কই গেল?
72:হতভাগা ডাক্তার
১ম জন : আপনার ভাগ্য ভালো যে, অ্যাকসিডেন্টটা একজন ডাক্তারের চেম্বারের সামনেই হয়েছে। চিকিৎসা তাড়াতাড়িই পাবেন, কিন্তু ডাক্তার সাহেবকে দেখছি না যে?
২য় জন : কী করে দেখবেন। এই চেম্বারের হতভাগা ডাক্তার তো আমিই।
73:সহজ অপারেশন
এক রোগী অপারেশন থিয়েটার থেকে ছুটে পালাচ্ছেন । তাকে এভাবে ছুটতে দেখে এক ডাক্তার তার পথ আগলে দাঁড়ালেন।
ডাক্তার : ব্যপার কী, আপনি এভাবে পালাচ্ছেন কেন?
রোগী : সাধে কী আর পালাচ্ছি?
ডাক্তার : ঘটনাটা খুলেই বলুন না।
রোগী : নার্স বলছেন, খুব সহজ অপারেশন, ভয়ের কোনো কারণ নেই।
ডাক্তার : নার্স তো ঠিকই বলেছেন।
রোগী : তিনি কথাটি আমাকে বলেননি, বলেছেন যিনি অপারেশন করবেন, সেই ডাক্তারকে।
74:জ্ঞানী ছাগল
এক লোক কোরবানীর জন্য ছাগল কিনতে গেল এবং ইংরেজীতে কথা বলতে পারে এমন খুঁজিতেছে। অনেক খোজাখুজি করেও পেলোনা। অবশেষে এক চালাক ছাগল বিক্রেতা ছাগল ক্রেতাকে বলল,ভাই-আমার কাছে ইংরেজীতে কথা বলতে পারে এমন একটা ছাগল আছে।
ক্রেতাঃ ঠিক আছে, আমাকে আগে ইংরেজীতে কথা বলিয়ে দেখান।
ছাগল বিক্রেতাঃ ছাগলের পিঠে একটা থাপ্পর দিয়ে ছাগলকে জিজ্ঞাসা করলো – “এই ছাগল,বল দেখি–ইংরেজী এপ্রিল মাসের পরে কী মাস?”
ছাগলঃ মে……
ছাগল বিক্রেতা আবার ছাগলের ফিঠে একটা থাপ্পর দিয়ে ছাগলকে জিজ্ঞাসা করলো- “এই ছাগল,বল দেখি–ইংরেজী জুন মাসের আগে কী মাস?”
ছাগল:-মে……!!!!
75:Thank you!
এক অশিক্ষিত ভদ্রলোক এক শিক্ষিত ভদ্রলোকের্একটা উপকার করে দিল।
শিক্ষিত ভদ্রলোক বলল- Thank you !
অশিক্ষিত ভদ্রলোকটা এই Thank you শব্দের অর্থ বুঝেনি।
শিক্ষিত ভদ্রলোকটা Thank you দিয়ে চলে যাওয়ার কিছুক্ষন পর- ঐ অশিক্ষিত ভদ্রলোকটা শিক্ষিত ভদ্রলোকটাকে পিছন থেকে বলতে লাগলো- “ব্যাটা, তুমি আমাকে যে Thank you বলছো- ভাল বললে তো বলছো- আর যদি ভাল না বলো- তোমার চৌদ্দ গোষ্টীরে Thank you!”
76:ব্রীজ
গ্রাম থেকে আসা এক লোক ঢাকার মহাখালী ফ্লাই ওভার দেখে তার এক বন্ধুকে বলল, আচ্ছা, সরকারের কী মাথা খারাপ হয়ে গেল ?
বন্ধুঃ কেন সরকারের মাথা খারাপ হতে যাবে ?
ভদ্রলোকঃ আমাদের কুড়ি গ্রামে অনেক খাল / নদী আছে এবং আমরা অনেক কস্ট করে ঐ সব খাল / নদী পারাপার হই, অথচ, সরকার ঐখানে ব্রীজ না করে এখানে শু্কনো রাস্তার উপর ব্রীজ দিয়ে রাখলো!
77:ইনকামট্যাক্স
তেলের দোকানে ইনকামটেক্সর লোক রেইড দিতে পারে এমন আশংকায় এক তেল ব্যবসায়ী তার কর্মচারীকে ডেকে বলল– ৩০ টিন তেল মাটির নীচে লুকিয়ে রাখতে ।
২ ঘন্টা পরে কর্মচারী এসে তেল ব্যবসায়ীকে বলল, স্যার ! ৩০ টিন তেল তো মাটির নীচে লুকিয়ে ফলেছি, এখন তেলের খালি টিনগুলো কোথায় রাখবো!!!!!
78:লজ্জা
রাজাঃ ধরো, আমি যদি স্থান পরিবর্তন করি। তুমি বসবে আমার ওই সিংহাসনে আর আমি বসব তোমার জায়গায়।
মন্ত্রীঃ না মহারাজ, সেটা সম্ভব নয়।
রাজাঃ কেন? তোমার কি রাজা সাজতে লজ্জা হয়?
মন্ত্রীঃ না, রাজা হতে লজ্জা হবে না, কিন্তু লজ্জা পাব আপনার মতো একটা নির্বোধকে আমার মন্ত্রী হতে দেখে!
79:বুঝবে কি করে?
- বোকার মতো কথা বলো না।
- সেকি! তা না হলে তুমি বুঝবে কি করে?
80:নকল
স্কুল পড়ুয়া দুই বন্ধুর পরীক্ষার শেষে স্কুল মাঠে দেখা-
১ম বন্ধুঃ কী রে দোস্ত, পরীক্ষা কেমন হলো ?
২য় বন্ধুঃ পরীক্ষা ভাল হয়নি রে দোস্ত ! তবে ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো ।
১ম বন্ধুঃ কীভাবে ?
২য় বন্ধুঃ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য ছিল ৫ নম্বর ! তাই আমি পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনি ! তাই ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো ।
১ম বন্ধু :- হায়! সর্বনাশ হয়েছে- আমি ও তো তোর মতো পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনি !
আমাদের দুই জনের খাতাই একই রকম দেখলে- টিচার মনে করবে না যে আমরা দুজনে নকল করেছি!
অপারেশরেন রুগীকে কয়েকদিন পরে দেখে -
ডাক্তারঃ আরে আপনি! কি খবর? এখন কেমন আছেন? কোন সমস্যা হচ্ছে না তো?
রোগীঃ না, কোন সমস্যা হচ্ছে না। তবে হয়েছি কি এখন দম নেয়ার সময় আর ছাড়ার সময় বুকের ভেতরটায় টিকটিক শব্দ করে।
ডাক্তারঃ (বেশ আনন্দের সঙ্গে) তাইতো বলি, আমার এত দামি ব্রান্ডের হাত ঘড়িটা কই গেল?
72:হতভাগা ডাক্তার
১ম জন : আপনার ভাগ্য ভালো যে, অ্যাকসিডেন্টটা একজন ডাক্তারের চেম্বারের সামনেই হয়েছে। চিকিৎসা তাড়াতাড়িই পাবেন, কিন্তু ডাক্তার সাহেবকে দেখছি না যে?
২য় জন : কী করে দেখবেন। এই চেম্বারের হতভাগা ডাক্তার তো আমিই।
73:সহজ অপারেশন
এক রোগী অপারেশন থিয়েটার থেকে ছুটে পালাচ্ছেন । তাকে এভাবে ছুটতে দেখে এক ডাক্তার তার পথ আগলে দাঁড়ালেন।
ডাক্তার : ব্যপার কী, আপনি এভাবে পালাচ্ছেন কেন?
রোগী : সাধে কী আর পালাচ্ছি?
ডাক্তার : ঘটনাটা খুলেই বলুন না।
রোগী : নার্স বলছেন, খুব সহজ অপারেশন, ভয়ের কোনো কারণ নেই।
ডাক্তার : নার্স তো ঠিকই বলেছেন।
রোগী : তিনি কথাটি আমাকে বলেননি, বলেছেন যিনি অপারেশন করবেন, সেই ডাক্তারকে।
74:জ্ঞানী ছাগল
এক লোক কোরবানীর জন্য ছাগল কিনতে গেল এবং ইংরেজীতে কথা বলতে পারে এমন খুঁজিতেছে। অনেক খোজাখুজি করেও পেলোনা। অবশেষে এক চালাক ছাগল বিক্রেতা ছাগল ক্রেতাকে বলল,ভাই-আমার কাছে ইংরেজীতে কথা বলতে পারে এমন একটা ছাগল আছে।
ক্রেতাঃ ঠিক আছে, আমাকে আগে ইংরেজীতে কথা বলিয়ে দেখান।
ছাগল বিক্রেতাঃ ছাগলের পিঠে একটা থাপ্পর দিয়ে ছাগলকে জিজ্ঞাসা করলো – “এই ছাগল,বল দেখি–ইংরেজী এপ্রিল মাসের পরে কী মাস?”
ছাগলঃ মে……
ছাগল বিক্রেতা আবার ছাগলের ফিঠে একটা থাপ্পর দিয়ে ছাগলকে জিজ্ঞাসা করলো- “এই ছাগল,বল দেখি–ইংরেজী জুন মাসের আগে কী মাস?”
ছাগল:-মে……!!!!
75:Thank you!
এক অশিক্ষিত ভদ্রলোক এক শিক্ষিত ভদ্রলোকের্একটা উপকার করে দিল।
শিক্ষিত ভদ্রলোক বলল- Thank you !
অশিক্ষিত ভদ্রলোকটা এই Thank you শব্দের অর্থ বুঝেনি।
শিক্ষিত ভদ্রলোকটা Thank you দিয়ে চলে যাওয়ার কিছুক্ষন পর- ঐ অশিক্ষিত ভদ্রলোকটা শিক্ষিত ভদ্রলোকটাকে পিছন থেকে বলতে লাগলো- “ব্যাটা, তুমি আমাকে যে Thank you বলছো- ভাল বললে তো বলছো- আর যদি ভাল না বলো- তোমার চৌদ্দ গোষ্টীরে Thank you!”
76:ব্রীজ
গ্রাম থেকে আসা এক লোক ঢাকার মহাখালী ফ্লাই ওভার দেখে তার এক বন্ধুকে বলল, আচ্ছা, সরকারের কী মাথা খারাপ হয়ে গেল ?
বন্ধুঃ কেন সরকারের মাথা খারাপ হতে যাবে ?
ভদ্রলোকঃ আমাদের কুড়ি গ্রামে অনেক খাল / নদী আছে এবং আমরা অনেক কস্ট করে ঐ সব খাল / নদী পারাপার হই, অথচ, সরকার ঐখানে ব্রীজ না করে এখানে শু্কনো রাস্তার উপর ব্রীজ দিয়ে রাখলো!
77:ইনকামট্যাক্স
তেলের দোকানে ইনকামটেক্সর লোক রেইড দিতে পারে এমন আশংকায় এক তেল ব্যবসায়ী তার কর্মচারীকে ডেকে বলল– ৩০ টিন তেল মাটির নীচে লুকিয়ে রাখতে ।
২ ঘন্টা পরে কর্মচারী এসে তেল ব্যবসায়ীকে বলল, স্যার ! ৩০ টিন তেল তো মাটির নীচে লুকিয়ে ফলেছি, এখন তেলের খালি টিনগুলো কোথায় রাখবো!!!!!
78:লজ্জা
রাজাঃ ধরো, আমি যদি স্থান পরিবর্তন করি। তুমি বসবে আমার ওই সিংহাসনে আর আমি বসব তোমার জায়গায়।
মন্ত্রীঃ না মহারাজ, সেটা সম্ভব নয়।
রাজাঃ কেন? তোমার কি রাজা সাজতে লজ্জা হয়?
মন্ত্রীঃ না, রাজা হতে লজ্জা হবে না, কিন্তু লজ্জা পাব আপনার মতো একটা নির্বোধকে আমার মন্ত্রী হতে দেখে!
79:বুঝবে কি করে?
- বোকার মতো কথা বলো না।
- সেকি! তা না হলে তুমি বুঝবে কি করে?
80:নকল
স্কুল পড়ুয়া দুই বন্ধুর পরীক্ষার শেষে স্কুল মাঠে দেখা-
১ম বন্ধুঃ কী রে দোস্ত, পরীক্ষা কেমন হলো ?
২য় বন্ধুঃ পরীক্ষা ভাল হয়নি রে দোস্ত ! তবে ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো ।
১ম বন্ধুঃ কীভাবে ?
২য় বন্ধুঃ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য ছিল ৫ নম্বর ! তাই আমি পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনি ! তাই ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো ।
১ম বন্ধু :- হায়! সর্বনাশ হয়েছে- আমি ও তো তোর মতো পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনি !
আমাদের দুই জনের খাতাই একই রকম দেখলে- টিচার মনে করবে না যে আমরা দুজনে নকল করেছি!
General Joke 61-70
61:গরম রুটি
শীতের মাঝ রাতে হোটেলে রুটি আর মাংস খেতে খেতে..
ভদ্রলোক: বাহ, এই মাঝ রাতেও তোমাদের রুটি দেখি বেশ গরম।
ওয়েটার: হবে না স্যার, বিড়ালটাতো রুটিটার উপরেই বসা ছিল।
62:চা
খদ্দের : (রেগে গিয়ে) বেয়ারা, আমার চায়ে মাছি কেন?
বেয়ারা : তাহলে এবার বুঝুন স্যার, মাছিটা পর্যন্ত টের পেয়ে গেছে আমার চা কতটা ফাস্টক্লাস।
63:নকল
স্কুল পড়ুয়া দুই বন্ধুর পরীক্ষার শেষে স্কুল মাঠে দেখা-
১ম বন্ধুঃ কী রে দোস্ত, পরীক্ষা কেমন হলো ?
২য় বন্ধুঃ পরীক্ষা ভাল হয়নি রে দোস্ত ! তবে ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো ।
১ম বন্ধুঃ কীভাবে ?
২য় বন্ধুঃ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য ছিল ৫ নম্বর ! তাই আমি পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনি ! তাই ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো ।
১ম বন্ধু :- হায়! সর্বনাশ হয়েছে- আমি ও তো তোর মতো পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনি !
আমাদের দুই জনের খাতাই একই রকম দেখলে- টিচার মনে করবে না যে আমরা দুজনে নকল করেছি!
64:সাইকেল চড়া
বাবাঃ পাশ করলে বলেছিলাম একটা সাইকেল কিনে দেব, তবুও তুমি পাশ করতে পারলে না। এতদিনে কি করলে তাহলে?
ছেলেঃকেন বাবা তুমি যদি সাইকেল কিনে দাও তাহলে তো আমি চালাতে পারবনা। তাই সাইকেল চড়া শিখছিলাম।
65:পরীক্ষা
ছেলের দু’দিন পর পরীক্ষা। অথচ পড়াশোনার নাম গন্ধ নেই। সারাদিন টইটই করে ঘুরে বেড়ায়। মা, ব্যাপারটা দেখে-
মাঃ হাবলু, তোর না দু’দিন পরে পরীক্ষা! পড়াশোনা করছিস্ না যে!
হাবলুঃ মা পরীক্ষার এত চাপ- পড়ার সময়ই পাচ্ছি না!!
66:শুধু একটা ভুল
বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি?
ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে।
বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে?
ছেলে: না, বাকি গুলোতে লিখতেই পারিনি।
67:বেশীদিন বাচার উপায়
রোগীঃ ডাক্তার সাব! বেশীদিন বাচোনের কোন উপায় আছে কি?
ডাক্তারঃ যান বিয়া করেন গিয়া।
রোগীঃ ক্যান? বিয়া করলে কি বেশিদিন বাচন যায়?
ডাক্তারঃ তা কইবার পারুম না। তয় এতডা কইতে পারে যে আপনে বিয়ার পর আর বেশিদিন বাচনের চেষ্টা করবেন না।
68:চশমা
রোগীঃ ডাক্তার সাব, আপনি বলেছেন চশমা নিলে আমি পড়তে পারব।
ডাক্তারঃ নিশ্চয়ই এ বিষয়ে সন্দেহ কি?
রোগীঃ তাহলে ভালোই হবে। আমিতো পড়তে জানতাম না ।
69:বদলি
মহিলার প্রতি ডাক্তার, ঠিক আছে আপনার আগের ডাক্তার কি বলেছে ?
রোগীঃ সে আমার সব কিছু বদলির ও পরিবর্তনের জন্য বলেছে।
ডাক্তারঃ তা আপনি এখন কি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন?
রোগীঃ আমি ডাক্তার বদলি দিয়েই সর্বপ্রথম আরম্ভ করেছি।
70:কুকুরে কামড়েছে
রোগীঃ ডাক্তার সাহেব, আমাকে কুকুরে কামড়েছে।
ডাক্তারঃ আপনি কি জানেন না যে আমার রোগী দেখার সময় ৪টা থেকে ৮টা।
রোগীঃ আমিতো জানি। কিন্তু ওই হতচ্ছাড়া কুকুরে তো আর ওটা জানে না।
শীতের মাঝ রাতে হোটেলে রুটি আর মাংস খেতে খেতে..
ভদ্রলোক: বাহ, এই মাঝ রাতেও তোমাদের রুটি দেখি বেশ গরম।
ওয়েটার: হবে না স্যার, বিড়ালটাতো রুটিটার উপরেই বসা ছিল।
62:চা
খদ্দের : (রেগে গিয়ে) বেয়ারা, আমার চায়ে মাছি কেন?
বেয়ারা : তাহলে এবার বুঝুন স্যার, মাছিটা পর্যন্ত টের পেয়ে গেছে আমার চা কতটা ফাস্টক্লাস।
63:নকল
স্কুল পড়ুয়া দুই বন্ধুর পরীক্ষার শেষে স্কুল মাঠে দেখা-
১ম বন্ধুঃ কী রে দোস্ত, পরীক্ষা কেমন হলো ?
২য় বন্ধুঃ পরীক্ষা ভাল হয়নি রে দোস্ত ! তবে ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো ।
১ম বন্ধুঃ কীভাবে ?
২য় বন্ধুঃ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য ছিল ৫ নম্বর ! তাই আমি পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনি ! তাই ৫ নম্বর নিশ্চিত পাবো ।
১ম বন্ধু :- হায়! সর্বনাশ হয়েছে- আমি ও তো তোর মতো পরীক্ষার খাতায় কলমের একটা আচড়ও দেইনি !
আমাদের দুই জনের খাতাই একই রকম দেখলে- টিচার মনে করবে না যে আমরা দুজনে নকল করেছি!
64:সাইকেল চড়া
বাবাঃ পাশ করলে বলেছিলাম একটা সাইকেল কিনে দেব, তবুও তুমি পাশ করতে পারলে না। এতদিনে কি করলে তাহলে?
ছেলেঃকেন বাবা তুমি যদি সাইকেল কিনে দাও তাহলে তো আমি চালাতে পারবনা। তাই সাইকেল চড়া শিখছিলাম।
65:পরীক্ষা
ছেলের দু’দিন পর পরীক্ষা। অথচ পড়াশোনার নাম গন্ধ নেই। সারাদিন টইটই করে ঘুরে বেড়ায়। মা, ব্যাপারটা দেখে-
মাঃ হাবলু, তোর না দু’দিন পরে পরীক্ষা! পড়াশোনা করছিস্ না যে!
হাবলুঃ মা পরীক্ষার এত চাপ- পড়ার সময়ই পাচ্ছি না!!
66:শুধু একটা ভুল
বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি?
ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে।
বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে?
ছেলে: না, বাকি গুলোতে লিখতেই পারিনি।
67:বেশীদিন বাচার উপায়
রোগীঃ ডাক্তার সাব! বেশীদিন বাচোনের কোন উপায় আছে কি?
ডাক্তারঃ যান বিয়া করেন গিয়া।
রোগীঃ ক্যান? বিয়া করলে কি বেশিদিন বাচন যায়?
ডাক্তারঃ তা কইবার পারুম না। তয় এতডা কইতে পারে যে আপনে বিয়ার পর আর বেশিদিন বাচনের চেষ্টা করবেন না।
68:চশমা
রোগীঃ ডাক্তার সাব, আপনি বলেছেন চশমা নিলে আমি পড়তে পারব।
ডাক্তারঃ নিশ্চয়ই এ বিষয়ে সন্দেহ কি?
রোগীঃ তাহলে ভালোই হবে। আমিতো পড়তে জানতাম না ।
69:বদলি
মহিলার প্রতি ডাক্তার, ঠিক আছে আপনার আগের ডাক্তার কি বলেছে ?
রোগীঃ সে আমার সব কিছু বদলির ও পরিবর্তনের জন্য বলেছে।
ডাক্তারঃ তা আপনি এখন কি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন?
রোগীঃ আমি ডাক্তার বদলি দিয়েই সর্বপ্রথম আরম্ভ করেছি।
70:কুকুরে কামড়েছে
রোগীঃ ডাক্তার সাহেব, আমাকে কুকুরে কামড়েছে।
ডাক্তারঃ আপনি কি জানেন না যে আমার রোগী দেখার সময় ৪টা থেকে ৮টা।
রোগীঃ আমিতো জানি। কিন্তু ওই হতচ্ছাড়া কুকুরে তো আর ওটা জানে না।
General Joke 51-60
51:বিশ্রাম
স্ত্রীঃ আমি জানি আমি মারা গেলে তুমি সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে করবে।
স্বামীঃ না অন্তত মাস খানেক বিশ্রাম নেব।
ছেলের কান্না
দার্শনিকঃ এতটুকু ছেলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাঁদছে, বড় মায়া হল, তাই কোলে করে নিয়ে এলাম।
স্ত্রীঃ তুমি কি চোখের মাথা খেয়েছ? নিজের ছেলেকে চিনতে পারছ না।
52:খুব খারাপ
এক বন্ধুর মন খুব খারাপ। অন্য বন্ধু তাই দেখে কথা বলছেঃ
১ম বন্ধুঃ কিরে দোস্ত, মন খারাপ কেন? ওঃ তোর বউ সেই যে বাপের বাড়ি গেল, এখনও আসেনি, তাই?
২য় বন্ধুঃ নারে দোস্ত, আজকে তার ফিরে আসার কথা!
53:পেঁয়াজ
স্ত্রী : কী ব্যাপার! বাজার থেকে পেঁয়াজ আননি কেন, দাম বেশি বলে পেঁয়াজ আনবে না?
স্বামী : না, ঠিক তা নয়।
স্ত্রী : তাহলে?
স্বামী : পেঁয়াজ কাটতে বসে তুমি প্রতিদিন চোখের জল ফেলবে, দৃশ্যটা আমি সহ্য করতে পারি না।
54:সুন্দরী
স্ত্রী : বল তো, ‘আমি সুন্দরী’ এটা কোন কাল?
স্বামী : অতীত কাল!
55:স্বর্গ
স্ত্রীঃ স্বামী এবং স্ত্রীকে কখনো একসঙ্গে স্বর্গে ঢোকার অনুমতি দেয়া হয় না।
স্বামীঃ হ্যা, এজন্যই এর নাম স্বর্গ।
56:বারন
স্ত্রীঃ তোমার বন্ধু যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে সে মেয়েটা কঠিন দজ্জাল। তাকে বারন করো।
স্বামীঃ কেন বারন করবো? সে কি আমার সময় বারন করেছিল?
57:ভাবনা
স্বামী: তুমি কি ভেবেছো? আমি কি গাধা!!?
স্ত্রী: এতে ভাবাভাবির তো কিছু দেখি না!
58:ছাতা নিয়ে যা
এক বৃষ্টির দিনে মালিক তার কাজের লোককে বলছে-
মালিক : রহিম, বাগানে পানি দিতে যা।
কাজের লোক : হুজুর আজকে তো বৃষ্টি হচ্ছে।
মালিক : বৃষ্টি হলে ছাতা নিয়ে যা!
59:নানার বিল
এক লোক হোটেলের সাইনবোর্ড দেখে খুব খুশি হয়ে ইচ্ছেমতো খেলেন।
ওয়েটারঃ স্যার, আপনার বিল ৫০০ টাকা।
লোকটাঃ কী বলছেন ভাই? আমার বিল? কিন্তু আপনাদের সাইনবোর্ডে যে লেখা, ‘আপনি যা খাবেন আপনার নাতি তা শোধ করবে।’
ওয়েটারঃ সেটা না হয় না দিন। কিন্তু এই ৫০০ টাকা দিন। এটা আপনার নানা খেয়ে গেছেন।
60:কাটলেট
রেস্তোরায় ওয়েটারকে এক ভদ্রলোক বললেন- “গত সপ্তাহে আমি এখানে মাটন কাটলেট খেয়েছিলাম। আজও খাচ্ছি। কিন্তু সেদিনেরটা অনেক ভালো ছিল।”
ওয়েটার: কি বলেন স্যার! দুটি কাটলেটইতো একই দিনে বানানো।
স্ত্রীঃ আমি জানি আমি মারা গেলে তুমি সঙ্গে সঙ্গে বিয়ে করবে।
স্বামীঃ না অন্তত মাস খানেক বিশ্রাম নেব।
ছেলের কান্না
দার্শনিকঃ এতটুকু ছেলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাঁদছে, বড় মায়া হল, তাই কোলে করে নিয়ে এলাম।
স্ত্রীঃ তুমি কি চোখের মাথা খেয়েছ? নিজের ছেলেকে চিনতে পারছ না।
52:খুব খারাপ
এক বন্ধুর মন খুব খারাপ। অন্য বন্ধু তাই দেখে কথা বলছেঃ
১ম বন্ধুঃ কিরে দোস্ত, মন খারাপ কেন? ওঃ তোর বউ সেই যে বাপের বাড়ি গেল, এখনও আসেনি, তাই?
২য় বন্ধুঃ নারে দোস্ত, আজকে তার ফিরে আসার কথা!
53:পেঁয়াজ
স্ত্রী : কী ব্যাপার! বাজার থেকে পেঁয়াজ আননি কেন, দাম বেশি বলে পেঁয়াজ আনবে না?
স্বামী : না, ঠিক তা নয়।
স্ত্রী : তাহলে?
স্বামী : পেঁয়াজ কাটতে বসে তুমি প্রতিদিন চোখের জল ফেলবে, দৃশ্যটা আমি সহ্য করতে পারি না।
54:সুন্দরী
স্ত্রী : বল তো, ‘আমি সুন্দরী’ এটা কোন কাল?
স্বামী : অতীত কাল!
55:স্বর্গ
স্ত্রীঃ স্বামী এবং স্ত্রীকে কখনো একসঙ্গে স্বর্গে ঢোকার অনুমতি দেয়া হয় না।
স্বামীঃ হ্যা, এজন্যই এর নাম স্বর্গ।
56:বারন
স্ত্রীঃ তোমার বন্ধু যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে সে মেয়েটা কঠিন দজ্জাল। তাকে বারন করো।
স্বামীঃ কেন বারন করবো? সে কি আমার সময় বারন করেছিল?
57:ভাবনা
স্বামী: তুমি কি ভেবেছো? আমি কি গাধা!!?
স্ত্রী: এতে ভাবাভাবির তো কিছু দেখি না!
58:ছাতা নিয়ে যা
এক বৃষ্টির দিনে মালিক তার কাজের লোককে বলছে-
মালিক : রহিম, বাগানে পানি দিতে যা।
কাজের লোক : হুজুর আজকে তো বৃষ্টি হচ্ছে।
মালিক : বৃষ্টি হলে ছাতা নিয়ে যা!
59:নানার বিল
এক লোক হোটেলের সাইনবোর্ড দেখে খুব খুশি হয়ে ইচ্ছেমতো খেলেন।
ওয়েটারঃ স্যার, আপনার বিল ৫০০ টাকা।
লোকটাঃ কী বলছেন ভাই? আমার বিল? কিন্তু আপনাদের সাইনবোর্ডে যে লেখা, ‘আপনি যা খাবেন আপনার নাতি তা শোধ করবে।’
ওয়েটারঃ সেটা না হয় না দিন। কিন্তু এই ৫০০ টাকা দিন। এটা আপনার নানা খেয়ে গেছেন।
60:কাটলেট
রেস্তোরায় ওয়েটারকে এক ভদ্রলোক বললেন- “গত সপ্তাহে আমি এখানে মাটন কাটলেট খেয়েছিলাম। আজও খাচ্ছি। কিন্তু সেদিনেরটা অনেক ভালো ছিল।”
ওয়েটার: কি বলেন স্যার! দুটি কাটলেটইতো একই দিনে বানানো।
General Joke 41-50
41:ফার্নিচার বিক্রি
-তা তোমার বাবা কী করেন?
-ফার্নিচার বিক্রি করেন?
-বাহ্, খুব ভালো। তা বিক্রি-টিক্রি হয়?
-হয় না মানে! ঘরের খাট ছাড়া সব বিক্রি হয়ে গেছে!
42:জিলাপির প্যাচ
অনেকেই বলেন যে মেয়েদের বোঝা কষ্ট কর। কিন্তু আমি একটু অন্য ভাবে বলি। আমি বলি সৃষ্টিকর্তাকে বোঝা সত্যই দুষ্কার, কারণ তিনি মেয়ে মানুষের মত সুন্দর জিনিষের মধ্যে জিলাপির প্যাচের থেকেও জটিল সব প্যাচ দিয়া দিছেন এবং সর্বশেষে তিনি তাদেরকে বউ বানিয়ে দেন।
43:আত্ম হত্যা ভাল নাকি খুন হওয়া ভাল
আমার কাছে সত্যই একটা ব্যাপার হাসির মনে হয় যখন শুনি মানুষ প্রশ্ন করে যে ভালবেসে বিয়ে করা ভাল নাকি পারিবারিক ভাবে বিয়ে করা ভাল। আমার কাছে মনে হয় একজন যেন অন্য একজনকে প্রশ্ন করছেঃ আত্ম হত্যা ভাল নাকি খুন হওয়া ভাল।
44:নিরবতা
বউঃ এই আজতো আমাদের ১ম বিবাহ বর্ষিকী। আমাররা আজ কি করব?
বরঃ আস আমরা দুই মিনিট দাড়িয়ে নিরবতা পালন করি।
45:বেশীদিন বাচার উপায়
রোগীঃ ডাক্তার সাব! বেশীদিন বাচোনের কোন উপায় আছে কি?
ডাক্তারঃ যান বিয়া করেন গিয়া।
রোগীঃ ক্যান? বিয়া করলে কি বেশিদিন বাচন যায়?
ডাক্তারঃ তা কইবার পারুম না। তয় এতডা কইতে পারে যে আপনে বিয়ার পর আর বেশিদিন বাচনের চেষ্টা করবেন না।
46:শাস্তি
প্রশ্নঃ আইন কেন একজন পুরুষকে একাধিক বিয়ে করতে দিতে সম্মত হতে চায় না?
উত্তরঃ কারণ একজনকে একটি অপরাধের শাস্তি মাত্র একবারই দেওয়া যায়।
47:যখন কোন উপায় নাই।
প্রেমিকারা হচ্ছে চকলেটের মত, ভাল লাগে যখন-তখন;
প্রেমিকরা হচ্ছে পিজার মত, Hot n spicy, খাওয়া হয় প্রায়ই;
বউ হচ্ছে ডাল-ভাতের মত, খাওয়া হয় যখন কোন উপায় নাই।
48:রিস্ক
একজন মানুষকে টেলিগ্রাম করা হলঃ বউ মারা গেছে, কবর দিব নাকি পুড়িয়ে ফেলব?
সেই মানুষ সাথে সাথে উত্তর পাঠালঃ কোন রিস্ক নেবার দরকার নাই; প্রথমে পোড়ান, তারপর সেই ছাই কবর দিন।
49:কোলাকুলি
ছোট ছেলে দৌড়ে বাসায় গিয়ে তার মাকে বলল, মা- আজ কী ঈদ?
মা :- কেন আজ ঈদ হবে?
ছোট ছেলেটি :- তাহলে আব্বু আর ছোট খালা যে ছাদে কোলাকুলি করছে??
50:পাগল
স্ত্রীঃ আমি যদি হঠাৎ মারা যাই। তাহলে তুমি কি করবে?
স্বামীঃ তুমি মরে গেলে আমি পাগলই হয়ে যাব।
স্ত্রীঃ আরেকটা বিয়ে করবেনা তো?
স্বামীঃ পাগল হয়ে গেলে তো মানুষ কত কিছুই
-তা তোমার বাবা কী করেন?
-ফার্নিচার বিক্রি করেন?
-বাহ্, খুব ভালো। তা বিক্রি-টিক্রি হয়?
-হয় না মানে! ঘরের খাট ছাড়া সব বিক্রি হয়ে গেছে!
42:জিলাপির প্যাচ
অনেকেই বলেন যে মেয়েদের বোঝা কষ্ট কর। কিন্তু আমি একটু অন্য ভাবে বলি। আমি বলি সৃষ্টিকর্তাকে বোঝা সত্যই দুষ্কার, কারণ তিনি মেয়ে মানুষের মত সুন্দর জিনিষের মধ্যে জিলাপির প্যাচের থেকেও জটিল সব প্যাচ দিয়া দিছেন এবং সর্বশেষে তিনি তাদেরকে বউ বানিয়ে দেন।
43:আত্ম হত্যা ভাল নাকি খুন হওয়া ভাল
আমার কাছে সত্যই একটা ব্যাপার হাসির মনে হয় যখন শুনি মানুষ প্রশ্ন করে যে ভালবেসে বিয়ে করা ভাল নাকি পারিবারিক ভাবে বিয়ে করা ভাল। আমার কাছে মনে হয় একজন যেন অন্য একজনকে প্রশ্ন করছেঃ আত্ম হত্যা ভাল নাকি খুন হওয়া ভাল।
44:নিরবতা
বউঃ এই আজতো আমাদের ১ম বিবাহ বর্ষিকী। আমাররা আজ কি করব?
বরঃ আস আমরা দুই মিনিট দাড়িয়ে নিরবতা পালন করি।
45:বেশীদিন বাচার উপায়
রোগীঃ ডাক্তার সাব! বেশীদিন বাচোনের কোন উপায় আছে কি?
ডাক্তারঃ যান বিয়া করেন গিয়া।
রোগীঃ ক্যান? বিয়া করলে কি বেশিদিন বাচন যায়?
ডাক্তারঃ তা কইবার পারুম না। তয় এতডা কইতে পারে যে আপনে বিয়ার পর আর বেশিদিন বাচনের চেষ্টা করবেন না।
46:শাস্তি
প্রশ্নঃ আইন কেন একজন পুরুষকে একাধিক বিয়ে করতে দিতে সম্মত হতে চায় না?
উত্তরঃ কারণ একজনকে একটি অপরাধের শাস্তি মাত্র একবারই দেওয়া যায়।
47:যখন কোন উপায় নাই।
প্রেমিকারা হচ্ছে চকলেটের মত, ভাল লাগে যখন-তখন;
প্রেমিকরা হচ্ছে পিজার মত, Hot n spicy, খাওয়া হয় প্রায়ই;
বউ হচ্ছে ডাল-ভাতের মত, খাওয়া হয় যখন কোন উপায় নাই।
48:রিস্ক
একজন মানুষকে টেলিগ্রাম করা হলঃ বউ মারা গেছে, কবর দিব নাকি পুড়িয়ে ফেলব?
সেই মানুষ সাথে সাথে উত্তর পাঠালঃ কোন রিস্ক নেবার দরকার নাই; প্রথমে পোড়ান, তারপর সেই ছাই কবর দিন।
49:কোলাকুলি
ছোট ছেলে দৌড়ে বাসায় গিয়ে তার মাকে বলল, মা- আজ কী ঈদ?
মা :- কেন আজ ঈদ হবে?
ছোট ছেলেটি :- তাহলে আব্বু আর ছোট খালা যে ছাদে কোলাকুলি করছে??
50:পাগল
স্ত্রীঃ আমি যদি হঠাৎ মারা যাই। তাহলে তুমি কি করবে?
স্বামীঃ তুমি মরে গেলে আমি পাগলই হয়ে যাব।
স্ত্রীঃ আরেকটা বিয়ে করবেনা তো?
স্বামীঃ পাগল হয়ে গেলে তো মানুষ কত কিছুই
General Joke 31-40
31:একা দাড়িয়ে আছেন
শিক্ষক: যারা একেবারে গাধা বা নির্বোধ তারা ছাড়া সবাই বসে পড়ো। (সকল ছাত্র বসলেও একজন দাড়িয়ে আছে)
শিক্ষক: কিরে, তুই গাধা নাকি নির্বোধ?
ছাত্র: না স্যার, আপনি একা দাড়িয়ে আছেন এটা ভাল দেখাচ্ছেনা, তাই
32:বিবিসি
শিক্ষক : আচ্ছা, ‘বিবিসি’ মানে কী বল তো?
ছাত্র : বাংলাদেশ বিস্কুট কোম্পানি।
শিক্ষক : বেয়াদব! বাড়ি কোথায়?
ছাত্র : এটাও হতে পারে, স্যার।
33:জ্ঞানী ছাগল
এক লোক কোরবানীর জন্য ছাগল কিনতে গেল এবং ইংরেজীতে কথা বলতে পারে এমন খুঁজিতেছে। অনেক খোজাখুজি করেও পেলোনা। অবশেষে এক চালাক ছাগল বিক্রেতা ছাগল ক্রেতাকে বলল,ভাই-আমার কাছে ইংরেজীতে কথা বলতে পারে এমন একটা ছাগল আছে।
ক্রেতাঃ ঠিক আছে, আমাকে আগে ইংরেজীতে কথা বলিয়ে দেখান।
ছাগল বিক্রেতাঃ ছাগলের পিঠে একটা থাপ্পর দিয়ে ছাগলকে জিজ্ঞাসা করলো – “এই ছাগল,বল দেখি–ইংরেজী এপ্রিল মাসের পরে কী মাস?”
ছাগলঃ মে……
ছাগল বিক্রেতা আবার ছাগলের ফিঠে একটা থাপ্পর দিয়ে ছাগলকে জিজ্ঞাসা করলো- “এই ছাগল,বল দেখি–ইংরেজী জুন মাসের আগে কী মাস?”
ছাগল:-মে……!!!!
34:রেজর
এক লোক দোকান থেকে রেজার কিনে বাসায় গিয়ে সেভ করতে গিয়ে দেখে রেজারটা ভাল কাজ করছে না।
লোকটা দোকানদারের কাছে গিয়ে অভিযোগ করলো- ভাই আপনি আমাকে কী একটা রেজার দিলেন যা ভাল নয়, এইটা দিয়ে তো দাড়ি/গোফ কাটা যায় না।
দোকানদারঃ আপনি কী বলছেন ভাই, আপনাকে রেজারটা দেওয়ার আগে আমি ৩ বার দাড়ি সেভ করে দেখেছি ‘এটা তো চমৎকার কাজ করে।‘ আর এখন আপনি বলছেন রেজারটা ভাল নয়, এটা কি বিশ্বাস করা যায় না!
35:ইনকামট্যাক্স
তেলের দোকানে ইনকামটেক্সর লোক রেইড দিতে পারে এমন আশংকায় এক তেল ব্যবসায়ী তার কর্মচারীকে ডেকে বলল– ৩০ টিন তেল মাটির নীচে লুকিয়ে রাখতে ।
২ ঘন্টা পরে কর্মচারী এসে তেল ব্যবসায়ীকে বলল, স্যার ! ৩০ টিন তেল তো মাটির নীচে লুকিয়ে ফলেছি, এখন তেলের খালি টিনগুলো কোথায় রাখবো!!!!!
36:মালিকের হুকুম
মালিকঃ আমি বাইরে যাচ্ছি, যদি কোনও ক্রেতা আসে তাহলে বলবে, সোনার মূল্য দ্বিগুণ।
কর্মচারীঃ ঠিক আছে।
কিছুক্ষণ পর মালিক এসে কর্মচারীকে জিজ্ঞেস করল, আমি যেমন বলেছিলাম তেমন করেছ।
কর্মচারীঃ হ্যাঁ, এক লোক সোনা বিক্রি করতে এসেছিল। সে সোনার দাম ৫০০ টাকা চাইল। আমি বললাম, এক হাজার টাকার এক টাকাও কম দেব না। আমার মালিকের হুকুম।
37:১০০ বছর বাঁচবেন
জ্যোতিষী : আপনি নিশ্চিত ১০০ বছর বাঁচবেন।
ভদ্রলোক : যদি এর আগে মরে যাই?
জ্যোতিষী : তাহলে মূল্য ফেরত নিয়ে আমায় জুতোপেটা করবেন!
38:ঠকবেন কেন?
একটি দোকানের সাইনবোর্ডে লেখা : “শুধু শুধু অন্য দোকানে গিয়ে ঠকবেন কেন? এখানে আসুন।”
39:প্রভুভক্ত কবুতর
কবুতর বিক্রেতা : ভাইজান, এই কবুতরগুলো কিনুন! খুবই প্রভুভক্ত।
ক্রেতা : কী করে বুঝলে যে প্রভুভক্ত?
বিক্রেতা : আমি যতবার এগুলো বিক্রি করেছি ততবারই আমার কাছে ফিরে এসেছে।
40:পচা আটা, পচা ডিম
মালিক : আচ্ছা, দোকানে যে পচা ঘি ছিল সেটা কে কিনেছে?
কর্মচারী : সফিক সাহেব।
মালিক : পচা আটা, পচা ডিম আর মেয়াদোত্তীর্ণ নকল সেমাই?
কর্মচারী : সেগুলিও সফিক সাহেবই নিয়েছেন।
মালিক : এ্যাঁ!!
কর্মচারী : কেন! কী হয়েছে?
মালিক : তুই করেছিস কী? আরে, আজ তো সফিক সাহেবের বাসাতেই আমার দাওয়াত!!
শিক্ষক: যারা একেবারে গাধা বা নির্বোধ তারা ছাড়া সবাই বসে পড়ো। (সকল ছাত্র বসলেও একজন দাড়িয়ে আছে)
শিক্ষক: কিরে, তুই গাধা নাকি নির্বোধ?
ছাত্র: না স্যার, আপনি একা দাড়িয়ে আছেন এটা ভাল দেখাচ্ছেনা, তাই
32:বিবিসি
শিক্ষক : আচ্ছা, ‘বিবিসি’ মানে কী বল তো?
ছাত্র : বাংলাদেশ বিস্কুট কোম্পানি।
শিক্ষক : বেয়াদব! বাড়ি কোথায়?
ছাত্র : এটাও হতে পারে, স্যার।
33:জ্ঞানী ছাগল
এক লোক কোরবানীর জন্য ছাগল কিনতে গেল এবং ইংরেজীতে কথা বলতে পারে এমন খুঁজিতেছে। অনেক খোজাখুজি করেও পেলোনা। অবশেষে এক চালাক ছাগল বিক্রেতা ছাগল ক্রেতাকে বলল,ভাই-আমার কাছে ইংরেজীতে কথা বলতে পারে এমন একটা ছাগল আছে।
ক্রেতাঃ ঠিক আছে, আমাকে আগে ইংরেজীতে কথা বলিয়ে দেখান।
ছাগল বিক্রেতাঃ ছাগলের পিঠে একটা থাপ্পর দিয়ে ছাগলকে জিজ্ঞাসা করলো – “এই ছাগল,বল দেখি–ইংরেজী এপ্রিল মাসের পরে কী মাস?”
ছাগলঃ মে……
ছাগল বিক্রেতা আবার ছাগলের ফিঠে একটা থাপ্পর দিয়ে ছাগলকে জিজ্ঞাসা করলো- “এই ছাগল,বল দেখি–ইংরেজী জুন মাসের আগে কী মাস?”
ছাগল:-মে……!!!!
34:রেজর
এক লোক দোকান থেকে রেজার কিনে বাসায় গিয়ে সেভ করতে গিয়ে দেখে রেজারটা ভাল কাজ করছে না।
লোকটা দোকানদারের কাছে গিয়ে অভিযোগ করলো- ভাই আপনি আমাকে কী একটা রেজার দিলেন যা ভাল নয়, এইটা দিয়ে তো দাড়ি/গোফ কাটা যায় না।
দোকানদারঃ আপনি কী বলছেন ভাই, আপনাকে রেজারটা দেওয়ার আগে আমি ৩ বার দাড়ি সেভ করে দেখেছি ‘এটা তো চমৎকার কাজ করে।‘ আর এখন আপনি বলছেন রেজারটা ভাল নয়, এটা কি বিশ্বাস করা যায় না!
35:ইনকামট্যাক্স
তেলের দোকানে ইনকামটেক্সর লোক রেইড দিতে পারে এমন আশংকায় এক তেল ব্যবসায়ী তার কর্মচারীকে ডেকে বলল– ৩০ টিন তেল মাটির নীচে লুকিয়ে রাখতে ।
২ ঘন্টা পরে কর্মচারী এসে তেল ব্যবসায়ীকে বলল, স্যার ! ৩০ টিন তেল তো মাটির নীচে লুকিয়ে ফলেছি, এখন তেলের খালি টিনগুলো কোথায় রাখবো!!!!!
36:মালিকের হুকুম
মালিকঃ আমি বাইরে যাচ্ছি, যদি কোনও ক্রেতা আসে তাহলে বলবে, সোনার মূল্য দ্বিগুণ।
কর্মচারীঃ ঠিক আছে।
কিছুক্ষণ পর মালিক এসে কর্মচারীকে জিজ্ঞেস করল, আমি যেমন বলেছিলাম তেমন করেছ।
কর্মচারীঃ হ্যাঁ, এক লোক সোনা বিক্রি করতে এসেছিল। সে সোনার দাম ৫০০ টাকা চাইল। আমি বললাম, এক হাজার টাকার এক টাকাও কম দেব না। আমার মালিকের হুকুম।
37:১০০ বছর বাঁচবেন
জ্যোতিষী : আপনি নিশ্চিত ১০০ বছর বাঁচবেন।
ভদ্রলোক : যদি এর আগে মরে যাই?
জ্যোতিষী : তাহলে মূল্য ফেরত নিয়ে আমায় জুতোপেটা করবেন!
38:ঠকবেন কেন?
একটি দোকানের সাইনবোর্ডে লেখা : “শুধু শুধু অন্য দোকানে গিয়ে ঠকবেন কেন? এখানে আসুন।”
39:প্রভুভক্ত কবুতর
কবুতর বিক্রেতা : ভাইজান, এই কবুতরগুলো কিনুন! খুবই প্রভুভক্ত।
ক্রেতা : কী করে বুঝলে যে প্রভুভক্ত?
বিক্রেতা : আমি যতবার এগুলো বিক্রি করেছি ততবারই আমার কাছে ফিরে এসেছে।
40:পচা আটা, পচা ডিম
মালিক : আচ্ছা, দোকানে যে পচা ঘি ছিল সেটা কে কিনেছে?
কর্মচারী : সফিক সাহেব।
মালিক : পচা আটা, পচা ডিম আর মেয়াদোত্তীর্ণ নকল সেমাই?
কর্মচারী : সেগুলিও সফিক সাহেবই নিয়েছেন।
মালিক : এ্যাঁ!!
কর্মচারী : কেন! কী হয়েছে?
মালিক : তুই করেছিস কী? আরে, আজ তো সফিক সাহেবের বাসাতেই আমার দাওয়াত!!
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)

